ক্যাটেগরিঃ ব্লগালোচনা

ফিচার পোস্টেে ইতিহাসের খলনায়ক ও তার সন্তান, অপরাজনীতির ঐতিহাসিক উত্তরাধিকার নিয়ে দুটি ধারাবাহিক পর্ব দেখা গেল। আমি আগের পর্ব নিয়ে এলার্জি প্রকাশ করেছি। ২য় পর্ব নিয়েও কিছু কথা যুক্ত করছি এই পোস্টেই। একজন ব্লগারের এরচেয়ে বেশি কীই বা করার আছে।

১ম পর্ব:

আগেই বলে নিই, এবারের ফিচার পোস্টটি ঐতিহাসিকভাবে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমি লেখাটি পড়েছি। আমার বিনীত প্রশ্ন হল, পোস্টের সাথে ফিচার্ড ছবিটি নিয়ে। আমি জানি না, তার সাথে কেন এই হন্তার মুখ। জানি, ঐ ইতিহাসের সাথে এই হন্তার সম্পর্ক আছে। তবুও কি এই ছবিটি এভাবে না দিলে কি চলত না? আমাদের মতো এলার্জি আক্রান্তদের এই ছবি বারবার দেখে তো অসুস্থ হওয়ার মত অবস্থা। সারা পৃথিবী জানে, আমরা বাঙালিরা কম জানি, অতি সংবেদনশীল এলার্জেটিক ব্যক্তিগণ কিছু জিনি দেখতে, শুনতে খেতে পারে না। নজরুলের মতো বিদোহীও যা পারে অতি সংবেদনশীল এলার্জেটিক ব্যক্তি তা পারে না। নজরুল পারেন “শত্রুর সাথে গলাগলি করতে”। বাংলাদেশের অনেকে তো অনেক কিছুই পারেন, আজকাল করেনও। কেউ কেউ যাদের ঐ (রক্তে) রোগ আছে তারা পারে না। আমি মনে করে বলচছ, গোলাম আজমের ওপর ফিচার পোস্টেও ছবি দেওয়া হয়েছিল কিন্তু তা এতটা দৃষ্টিগ্রাহ্য এলার্জি আক্রান্তদের জন্য গা-জ্বালাকর ছিল কি? যাই হোক, এলার্জেটিক ব্যক্তিগণের কষ্ট-কথা বিবেচনা করে ফিচার পোস্টের ছবিটি পরিবর্তন করলে বাধিত হবো।

টিভির চ্যানেল পরিবর্তনের মতো আপাতত ব্লগ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছি।

এলেখা পোস্ট হিসেবে নয় ছবিটি পরিবর্তন সম্ভব হলে করার জন্যই লেখা হল।

২য় পর্ব:

আমাদের এমনই দুর্ভাগ্য যে আমাদের ভালো না লাগলেও অনেক আজে বাজে গান শুনতে হয়। যারা বাজায় তাদের ভালো লাগে। নিজেও শোনে ফুল ভলিউমে বাজিয়ে অন্যকেও শুনতে বাধ্য করে। এখানে শোনাশুনি নয় দেখাটাই এলার্জি। তবুও এখানেই ক্ষান্ত দিলাম।

কিন্তু জানি না সামনে আরও কী আছে কপালে। ঐ পরিবারের সবেমাত্র ইতিহাসের একজন খলনায়ককে নিয়ে ১ম পর্ব হল, ”ঐতিহাসিককে নিয়ে শুরু হল দ্বিতীয় পর্ব, এরপর ইন্ডিয়ান ফ্যামিলি নাট্যশো-র মতো পর্ব বাড়তে থাকবে নাকি? জনান্তিকে কে যেন বলছে, “দর্শক দেখতে চাইলে বাড়বে। আপনের তাতে কি? আপনে একজন দর্শক দেখলেই কি আর না দেখলেই বা কী? আর যা ইচ্ছা লেখেন পোস্টে। লিখতে পারেন লেখেন।”

দেখি….