ক্যাটেগরিঃ ক্যাম্পাস

সেই পুরনো ও সবচেয়ে দামী ও তাৎপর্যJoyপূর্ণ কথা, “শিক্ষাই জাতির মেরুদণ্ড”, এই শিক্ষার মেরুদণ্ডটাকে ভাঙা নয় মজবুত রাখার ব্যাপারটা দেখভাল করার জন্য সজীব ওয়াজেদ জয় ও সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের একটা ভাই/বোন থাকলে ভালো হত। আমরা শিক্ষা নিয়ে বড় অসহায় অবস্থায় আছি। এখানে যে “এখন চলছে খেংরার নোংরামি…”। আমাদের মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী দানাই-পানাই করে চালিয়ে দেবেন শিক্ষা-সেক্টর।আর মাঝে মাঝে তথাকথিত বর্তমান রাজনীতিবিদদের মতো কথা বলবেন যার কোনো ভিত্তি নেই। যেমন একপাশে বাগাড়ম্বর,(বামে) ২০২১ সালের মধ্যে বিশ্বমানের শিক্ষাব্যবস্থা : শিক্ষামন্ত্রী, (http://www.dailybartoman.com/details.php?id=31558) ডানপাশের নিউজে শিক্ষার মান ভালো পর্যায়ে নেই : পরিকল্পনামন্ত্রী (http://www.dailybartoman.com/details.php?id=31530tp://www.dailybartoman.com/details.php?id=31558)। এই হচ্ছে অবস্থা। শিক্ষামন্ত্রী ২০১৪ সালেবসে ২০১২ সালের মধ্যে বিশ্বমানের শিক্ষার স্বপ্ন দেখাচ্ছেন। নিজে দেখছেন কিনা বুকে হাত দিয়ে বললেও আমি বিশ্বাস করব না। এটলিস্ট ২০১৪ সালে বসে যদি দেশীয় মানের গুণগত মানসম্মত শিক্ষার কাজটা সম্পন্ন করে দেখাতে পারতেন, এমনকি উদ্যোগে-আয়োজন শুরু করতেন, মানুষের মনে আশা জাগাতে পারতেন, তাহলে তারকথাগুলো রাজনৈতিক বক্তৃতা মনে হতো না; যা এখন একজন সাধারণ তথাকথিত রাজনীতিক-মন্ত্রীর কথার ফুরঝুরি ছাড়া কিছু মনে হয়না। হতাশা থেকে মুক্ত করে না। তাঁর ২০১৪ সালেবসে শিক্ষামন্ত্রী ২০১২ সালের মধ্যে বিশ্বমানের শিক্ষার স্বপ্নের শুরুটা কে করবে? কখনকরবে? শেষ হওয়ার কথা না হয় বাদই দিলাম? তার আগে গুণগত মানসম্মত শিক্ষার কাজটা শুরু করবেন কবে? সম্পন্ন করে দেখাবেন কবে? উত্তর আশা করি না।

শিক্ষামন্ত্রী নিজেই যেখানে বলেন, ‘আমরা শতকরা ৯৯ জন শিশুকে শিক্ষাসুবিধার আওতায় নিয়ে আসতে পেরেছি। এখন শিক্ষার গুণগত মান বাড়াতে হবে। আর শিক্ষার মান বাড়াতে হলে মানসম্মত শিক্ষকের দরকার।’ এসব কাজ কবে হবে? শুধু “করতে হবে”, “শিক্ষার গুণগত মান বাড়াতে হবে” বলে বলে আর কত কালক্ষেপন করা হবে?

একজন তথাকথিত রাজনীতির বর্তমান সময়ের রাজনীতিবিদ-কাম বাম থেকে আসা … শিক্ষামন্ত্রীর কাছে আর কোনো আশা নেই। তিনি যা নেওয়ার নেবেন ২০২১ সালের আগে আগে।কিছুই দেবার নেই চেষ্টাও নেই। “করতে হবে”, “শিক্ষার গুণগত মান বাড়াতে হবে” বলে বলে আর কত কালক্ষেপন নাকি হেসে খেলে জীবনটা যদি চলে যায়…আর কী?

এই অবস্থায় জাতি কী করবে, দিশেহারা। একমাত্র দিশা ঠিক রেখে কাজ করে যাচ্ছে স্কুল দখলকারী চক্র, স্কুলের ফান্ডলুটেরা, দুর্নীতিবাজ, কোচিং ব্যবসায়ী, নোটবই গাইড বই ব্যবসায়ী … ।

এই পরিস্থিতে, এহেন দুরবস্থায়, ভাই জয়, আপনি তো অনেক ভাবছেন দেশের উন্নয়ন নিয়ে, ডিজিটাল বাংলাদেশ নিয়ে। সফলতার মুখ দেখেছেন। জাতিকে এখন ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখাচ্ছেন, ইয়ং বেঙ্গল সংগঠন গঠন করেছেন। এটি একটি সময়োপযোগী গুণগত মানসম্মত পদক্ষেপ। কিন্তু জাতির মেরুদণ্ড শিক্ষার বর্তমান হাল ও চাল নিয়ে বিপদে আছি। আমাদের শিক্ষার হাল বড় খারাপ, চাল তো ফুটো বর্ষায় পানি পড়ে, গ্রীষ্মে টাক-ফাটা রোদ।

আপনার কি একটুখানি শিক্ষার উন্নয়নের জন্য সময় দেওয়া যায় না? এখানে তরুণ (ইয়াং), আধুনিক, উচ্চশিক্ষার সার্টিফিকেটধারী (হারানো নয়, আছে জ্ঞান, অভিজ্ঞতা, ডেডিকেশন ও সার্টিফিকেট সবই আছে ঠিকঠাক) এমন তরুণ তত্ত্বাবধায়ক দরকার।

আবারো স্মরণ করিয়ে দিই, এখানে যে “এখন চলছে খেংরার নোংরামি…” ভাই জয়, আপনিই পারেন পরিবর্তনটা আনতে। তাই একটুখানি নেক নজর দিন দেশের শিক্ষা সেক্টরটির প্রতি।
আমিও বিশ্বাস করি, আপনার ভাষায় ”আমরাই পারব বাংলাদেশকে এগিয়ে নিত “ (জয়)। কিন্তু নেতৃত্বে চাই আপনার মতো তরুণদের তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে, টাকা বানানোর মেশিনারি হিসেবে অন্য কাউকে নয়। আপনাকে স্বাগতম, শিক্ষা-সেক্টরে স্বাগতম।

http://www.dailybartoman.com/details.php?id=31530

http://www.dailybartoman.com/details.php?id=31555

http://www.dailybartoman.com/details.php?id=31558