ক্যাটেগরিঃ ক্যাম্পাস

আয়ুজুবিল্লাহ, বিসমিল্লাহ, শুভ নববর্ষ।

সবাইকে ভবিষ্যতের মেধাবী জাতি গঠনে আমাদের শিক্ষা বিষয়ক উদ্যোগের ব্যাপারে দুই চাইর কথা বলতে চাই। সম্প্রতি পিএসসি, জেএসসি পরীক্ষার রেজাল্ট বের হয়েছে। আমাদের শিশুরা যে মেধাবী যা আমি বলে আসছি তা আবারও প্রমাণিত হল।

কিন্তু কেউ কেউ উল্টা কথাও বলছে। বিশেষ করে একজন (আরও আছে?) বাবা তার সন্তানের জিপি-এ ৫ রেজাল্টে খুশি নয়। এ কেমন বাপরে বাপ? মেধাবী সন্তানের বাবা হবে তাতেও তার দ্বিধা, সমস্যা। আমি তার উদ্দেশ্যে বলতে চাই, আপনার সন্তান মেধাবী প্রজন্মের মেধাবী ছাত্র। আগামী দিনের মেধাবী জাতির প্রতিনিধি। আপনি তাতে তালিয়া বাজিয়ে নর্তন-কুর্দন করা উচিত। আমি আপনাকে আপনার মেধাবী সন্তানের জিপি এ ৫ পাওয়ার জন্য অভিবাদন জানাই। অযথা আপনি আপনার সন্তানকে আন্ডরমাইন্ড করছেন, বাবামা হিসেবে এটা আপনার ঠিক না। আপনি আপনার শিশুসন্তানের মেধার খবর রাখেন না। এটা বাবা হিসেবে আপনার ব্যর্থতা, আমাদের নয়।

আমরা দেশে একটি মেধাবী জাতি উপহার দেওয়ার জন্য কাজ করছি। শিশুরা ভালো রেজাল্ট করলে খুশি হয় আমরা তাদের খুশি দেখতে চাই। তারা এ প্লাস পাচ্ছে এটা তো জাতির জন্য “শনি-সংকেত”। আপনারা “অ” যুক্ত করে বলছেন “অশনি-সংকেত”। আমরা আপনাদের সাথে নাই।

শিক্ষাবিদগণ শুধু শিশুমনস্তত্ত্ব বিষয়ে কথা বলে। আমরাও শিশুমনস্তত্ত্ব বুঝি। আরে ভাই শিশু মনস্তত্ত্ব এর মূল কথা শিশুকে স্ট্রেস দাও। মানসিক চাপ দাও। শারীরিক চাপ দাও। তাহলে তার মেধা বের হয়ে আসবে। সে পিএসসি বা জেএসসিতে জিপিএ ফাইভ পাবে।

আমরা কারও কথা শুনব না। শিশুদের খুশি করার জন্য বাবামাকে খুশি করার জন্য, দেশের মেধাবী শিক্ষার্থী বাড়ানোর জন্য প্রয়োজনে জিপিএ ৫ নয় ৬,৭,৮,৯, এমনকি ১০-ও বাড়াতে পারি। আমরা শিক্ষার মান সম্মান বাড়িয়েছি আরও বাড়াবো। জাতিকে মেধাবী করে ছাড়ব ইনশাআল্লাহ। পারলে ঠেকান। আমি জানি কেউ ঠেকাতে পারবেন না। আবারও বলছি, শিক্ষার মান সম্মান বাড়িয়েছি আরও বাড়াবো। জাতিকে মেধাবী করে ছাড়ব ইনশাআল্লাহ।