ক্যাটেগরিঃ মুক্তমঞ্চ

 

নারীরা বিবাহবহির্ভূত দৈহিক সম্পর্ক গড়ে তোলে কেন? প্রাক-সম্পর্ক পুরুষরা নারীকে বউ বউ করে ডাকে কেন? পুরুষটা যদি হয় রুবেল বা টাকাওয়ালা কেউ তখন মেয়েরা পুরুষকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে দৈহিক সম্পর্ক গড়ার দাবি/অভিযোগ করে কেন? এধরনের প্রশ্নের উত্তর বলাই বাহুল্য।

পুরুষটি যদি বিয়েতে রাজি না হয় নির্যাতন/ধর্ষণের অভিযোগ আনা হয়। নারী যদি বিয়েতে রাজি না হয় নির্যাতন/ধর্ষণের অভিযোগ আনা হয়েছে কখনো শুনিনি। এধরনের অভিযোগও তোলা হয় পুরুষটা যদি হয় রুবেল বা টাকাওয়ালা কেউ। কিংবা যদি অনবধাননতা বশত কোনো দুর্ঘটনা ঘটে যায়।

অনেক প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে রুবেল ও হ্যাপীকে নিয়ে চলা মামলাটি।

প্রশ্ন জাগা স্বাভাবিক, বিবাহবহির্ভূত দৈহিক সম্পর্ক কি নয় মাস পর সমস্যা দেখা দিলে নির্যাতন/ধর্ষণ হয়ে যায়? আর তা কি ন্যায়সঙ্গত? নয়/দশ মাস পর প্রেম ভেঙে গেলে কি আগেকার সব এক্টিভিটি নির্যাতন/ আর দৈহিক সম্পর্ক কি ধর্ষণে রূপ নেয়? অবিবহাতি নারী-পুরুষ কেউ যদি বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে লাগাতার শারীরিক সম্পর্ক গড়ে তোলে এবং তারপর অন্য নারী/পুরষের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলে বা তাকে এড়িয়ে চলে তিনি আইনের আশ্রয় নিতে পারেন? এদেশ কি বিবাহবহির্ভূত দৈহিক সম্পর্ককে সুরক্ষা দিচ্ছে?

রুবেলকে দায়ী করে হ্যাপীর আইনের আশ্রয় নেওয়ার ঘটনা দেশের মানুষের মধ্যে প্রশ্ন জাগা স্বাভাবিক:

বিবাহবহির্ভূত দৈহিক সম্পর্ক কি বৈধ?

অবৈধ দৈহিক সম্পর্ক গড়ে তোলার কথা বলে দাবি করে মামলা করার ফলে রুবেলকে জেলে যেতে হল, তাতে কী বোঝা গেল,

এদেশের আইন, বিচারব্যবস্থা কি বিবাহবহির্ভূত দৈহিক সম্পর্ককে সুরক্ষা দেয়?

এদেশের আইন যদি বিবাহবহির্ভূত দৈহিক সম্পর্ককে সুরক্ষা দেয়, বা এরকম আইন হলে তো মহাবিপদ। যে কেউ যখন ইচ্ছা কাউকে ইচ্ছে হলে ফাঁসিয়ে দিতে পারে। তবে তা নারীরাই করবে। ছেলেদের মধ্যে এধরনের বিবাহবহির্ভূত দৈহিক সম্পর্ক গড়ে নয় দশ মাস পর অভিযোগ করতে শুনিনি।

এ তো আইনি দেউলিয়াপনা ছাড়া আর কিছুই নয়। যেসব মানুষ রূপী নারী দেহটা যাদের কাছে পণ্য ও অস্ত্র তারা তো যখন তখন যাকে ইচ্ছা বিপদে ফেলতে পারে। এসব মেয়েদের কাছ থেকে নিরাপদ দূরে থাকুন। রুবেল বিপদে পড়ে পুরুষদেরকে সাবধান হওয়ার সুযোগ করে দিয়েছে। এরা নারী নয় পুরুষের টাকা কড়ি মান সম্মান কেড়ে নেওয়ার ফাঁদ।

হ্যাপি সমাজে প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা করছে সে বিবাহ বহির্ভূত শারিরীক সম্পর্ক মানে একটা মহৎ কাজ করেছে। তার এই গর্বিত দাবি সমাজে নেতিবাচক পরিস্থিতি তৈরি করছে। তাই আদালত স্বতঃপ্রনোদিত হয়ে হ্যাপির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।