ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

 
BNP+Hafiz

২০ দলের অবরোধ ও হরতালের নামে সহিংসতা, সন্ত্রাস, নৃশংসতা, নাশকতা চলছে। এর মধ্যে সহিংসতা, সন্ত্রাস, নৃশংসতা, নাশকতার চেয়ে বড় নির্মম জিনিস ঘটছে যা রোধ করা দরকার। সহিংসতা, সন্ত্রাস, নৃশংসতা, নাশকতাকে রাজনৈতিক অভিধা ও মর্যাদা দেওয়ার চেষ্টা চলছে। সহিংসতাকে রাজনৈতিক অভিধা ও মর্যাদা দিতে শুনি যখন সমাজের কিছু উঁচু তলার লেবেল মারা মানুষের মুখে, তখন সেই সব মানুষকে এবং তাদের বর্ণিত রাজনীতিকেও মানুষ ঘৃণা করে বসে দোষ দেওয়া যায় কি? আজকের একটি সংলাপে (বিবিসি সংলাপ) জনাব শাহদীন মালিক বলেন, “পেট্রলবোমা দিয়ে মানুষ পুড়িয়ে মারা, নাশকতা—এর সঙ্গে আইনশৃঙ্খলার যোগাযোগ তো আছেই। কিন্তু সেটা ৩০ ভাগ। ৭০ ভাগই রাজনৈতিক।” এভাবে মনগড়া আনুপাতিক হারে সমর্থন দেওয়া শুরু হয়েছে যা সন্ত্রাসকে, সন্ত্রাসীকে রাজনৈতিক মর্যাদার শামিল।

BBC Dialogue

উল্লিখিত সংলাপে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান হাফিজউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, ‘কিসের পরীক্ষা, কিসের কী? আগে আইনের শাসন দরকার। প্রয়োজনে পরীক্ষা পিছিয়ে দেন।’ তিনি আরও বলেন, ‘বল প্রয়োগ করে কখনোই সমস্যার সমাধান করা যাবেনা। কারণ বিএনপির সঙ্গে জনগণ আছে। কোকোর জানাজায় লাখো মানুষের উপস্থিতি সেটাই প্রমাণ করে।’

তাঁর কথা শুনে আমার মনে প্রশ্ন জাগল, বিএনপি’র সঙ্গে জনগণ আছে মানে কী? এর মানে কি এই যে সমর্থকরা পেট্রোলবোমা দিয়ে মানুষ পুড়িয়ে মারা, নাশকতা—এর পক্ষে? যখন পেট্রোলবোমা দিয়ে মানুষ পুড়িয়ে মারার, নাশকতার কারণে বিএনপি-র লোকও কেউ মারা যায়, তখন এসব অন্ধ সমর্থকরা কী ভাবেন? কী বলেন? শোনার ইচ্ছে রইল।