ক্যাটেগরিঃ আর্ত মানবতা, ফিচার পোস্ট আর্কাইভ

1424963347

বিপদে নিজেকে যেন ব্যর্থ না ভাবি, বরং সচেষ্ট থাকি শেষ দেখা পর্যন্ত – কারণ আমি যখন ব্যর্থ ভাবি নিজেকে, আমি তখন একজন হতাশ, হতোদ্যম, নিশ্চেষ্ট মানুষে পরিণত হয়ে যাই, আমার সামনে তখন সমস্যা থেকে উত্তরণের আর কোনো পথ খোলা থাকে না। একটুখানি নিজেকে ব্যর্থ ভেবে দেখেছি- চোখের সামনে সব দরোজা-জানালা মুহূর্তের মধ্যে অজানা কোনো এক সুইচে বন্ধ হয়ে গেল। আমি নিজেকে আবিষ্কার করলাম পথহারা, নিঃসঙ্গ হিসেবে। তারপর শুধু একটুখানি মাথা ঝাড়া দিয়ে মনে মনে বললাম দৃঢ়তার সাথে, নাহ্ আমি ব্যর্থ নই। আমার সামনে থেকে, চার পাশ থেকে খুলে গেল বন্ধ দরোজা-সব এক মুহূর্তে আবার। এবার আমি ভাবছি কোন পথে যাবো। সকল পথই আছে আমার জন্য – আমি চেষ্টা করে দেখি, এক পথে যদি সমাধান খুঁজে না পাই অন্য পথে যাবো, এক এক করে প্রতিটি পথে যাবো, কোনো না কোনো পথ ধরে মিলে যাবে সমাধান, আমার গন্তব্য।

আমি নিজেকে ব্যর্থ না ভেবে সচেষ্ট। এক এক করে নতুন পথ ধরে খুঁজছি আমার সমস্যার সমাধান।

আশা করি এও দুঃখ কেটে যাবে, পেয়ে যাবো পথ। আমি নিজের জীবন থেকে কিছু কঠিন সত্য উপলব্ধি করেছি, করছি- সে বোধ থেকে বলছি, আসুন বিপদে নিজেকে ব্যর্থ না ভেবে সচেষ্ট হই, সচেষ্ট থাকি নিরন্তর …

জিনিয়ার পরিবার ও আপনজনদের সমবেদনা জানিয়ে বলছি, আপনাদের উচিত চেষ্টা চালিয়ে যাওয়া, সচেষ্ট থাকা, একটা উপায় দেখা দেবেই, এই ভরসা রাখুন…

২.

আমিও আর্ত, সঙ্কটে ভাসা মানুষ। বিপদের ভারে সমাধানের পথ না পেতে পেতে হতাশ হয়ে যেতে থাকি। বিপদকে মেনে নিয়ে নিশ্চেষ্ট হওযার ডাক শুনি। আমার নিজের পোস্টই আমাকে ্সমরণ করিয়ে দেয়- “বিপদে যেন সচেষ্ট থাকি নিরন্তর, একটা উপায় দেখা দেবে…”। সুতরাং এই পোস্টটি শুধু জিনিয়ার পরিবারের জন্যই নয় আমার জন্যও প্রযোজ্য। আসলে আমি নিজের সঙ্কট দিয়েই জিনিয়ার ও তার পরিবারের বিপদে সঙ্কটাপন্ন অবস্থাটা উপলব্ধি করতে পারি। আল্লাহ্ জিনিয়া ও তার পরিবারকে বিপদেেএত বড় সঙ্কট উত্তরণে মানসিক শক্তি দিন। তাদের একটা সঙ্কট উত্তরণের উপায় বেরিয়ে আসুক। আমিন।