ক্যাটেগরিঃ নাগরিক মত-অমত

নেতিবাচক মানুষ কারো আপন হয় না।
নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি ও নেতিবাচক আচরণকারী খুবই দুর্ভাগা।
জন্মগতভাবে বা ভুল বশতঃ সম্পর্কিত হয়ে গেলেও তার কাছ থেকে তারাও / আপনজনরাও দূরত্ব বজায় রাখে / মুখ ফিরিয়ে নেয়।
কারণ, নেতিবাচক মানুষ স্ত্রী/স্বামী-সন্তান, মাবাবা, ভাই-বোন তথা আত্মীয়-স্বজন ও সহকর্মী সবার সাথে/প্রতি নেতিবাচক। মাঝে মাঝে মনে হয় এটা তাদের মানসিক রোগ। তাই আমরা যখন কারো নেতিবাচকতার শিকার হই, কষ্ট পাই, পরে লোকটার জন্য করুণাদ্রও হই। বলি, আহা, বেচারা, হতভাগা। কিন্তু এড়িয়ে চলি, দূরত্ব বজায় রাখি, নিরাপদে থাকি। কারণ, তার মানসিক সমস্যার জন্য তো আমি / আমরা মহাবিপদে পড়তে পারি না।

নেতিবাচক মানুষের আক্রমণ থেকে বাঁচার জন্য সামাজিক-আবেগিক সংযম অনুশীলন জরুরি।

আবারও বলছি, নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি ও নেতিবাচক আচরণকারী খুবই দুর্ভাগা।

সে/নেতিবাচক মানুষ এক সময় সমাজ ও মানুষ বিচ্ছিন্ন নিঃসঙ্গ বন্ধু-বান্ধবহীন হয়ে আরও মারাত্মক রোগীতে পরিণত হয়ে যেতে পারে। সে পরিণত হতে পারে একজন সিনিক বা চিরবিষণ্ণ, দোষদর্শী, হতাশবাদীতে।
নেতিবাচক মানুষ সংক্রামক মানুষ হিসেবেও মারাত্মক। সে অনেকের বাড়া ভাতে ছাই দেয়, পুড়ে দেয় মানুষের জীবন। হনুমান যেমন নিজের লেজে আগুন লাগিয়ে লঙ্কাকাণ্ড করেছিল তেমনই নেতবাচক মানুষের যত কাণ্ড কারখানা।
সুতরাং নেতিবাচক মানুষ নিজেই পোড়ে না, সমাজকেও পোড়ায়, সংসারকে করে কুরুক্ষেত্র।

আপনি কি আচার আচরণে নেতিবাচক মানুষ?
আপনি যদি আত্মীয়-স্বজন সহকর্মী সবার কাছ থেকে নিঃসঙ্গ ও বন্ধুহীন বিচ্ছিন্ন মানুষে পরিণত না হতে চান তাহলে নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি ও নেতিবাচক আচরণ পরিহার করুন। আপনার আমার সবার জীবন যাপন হোক সুস্থ সুন্দর।