ক্যাটেগরিঃ আইন-শৃংখলা

 

পকেটমার: সম্পর্কে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানানো দরকার মনে করছি। সাধারণত সারা বছরই পকেট মারিং চলে, কিন্তু রোজার মাসে ব্যবসা একটু বেশি জমে। এই মাসে টার্গেট মূলত মহিলারা। কেন? কারণ মহিলাদের থেকে পকেট মারিং সহজ এবং তুলনামূলক কম ঝুঁকিপূর্ণ। মহিলাদের কাছে থাকা হ্যান্ড ব্যাগ থেকে কিছু বের করে নেয়া খুবই সহজ কারণ এটা তারা কাধে ঝুলিয়ে রাখে। অতএব ধাক্কাধাক্কি আর ভিড়ের মধ্যে পকেট মারিং টের না পাওয়া খুবই স্বাভাবিক। ব্যাগের তলা কেটে অথবা জিপার খুলে ভেতরে হাত ঢুকিয়ে সাধারনত পকেট মারিং হয়ে থাকে। তিন থেকে পাঁচ জন মহিলার সাথে অন্তত দুই থেকে তিন জন পুরুষ সক্রিয় থাকে একেকটি গ্রুপে। প্রচন্ড ভিড় আর ধাক্কাধাক্কির মধ্যে এরা বাড়তি ভিড় এবং ধাক্কাধাক্কির পরিবেশ তৈরি করে। এরকম পরিবেশে ছেলেদের পকেট থেকেও মানিব্যাগ, মোবাইল খোয়া যায়। ধানমন্ডি হকার্স মার্কেট থেকে গাউসিয়া-চাঁদনী চক পর্যন্ত এবং নিউ মার্কেটে ঢুকা বের হবার রাস্তা উত্তম উদাহরণ। ফার্মগেট তেজগাও কলেজের পর থেকে আনন্দ ছন্দ সিনেমা হল পর্যন্ত পুরো রাস্তা, মৌচাক মার্কেট সংলগ্ন রাস্তা বেশি উপযুক্ত। আর অন্যান্য সব ব্যস্ত শপিং সেন্টারগুলো টার্গেট এর বাইরে না। এছাড়া বাসে উঠার সময় হুড়োহুড়ি ও ধাক্কাধাক্কির পরিবেশ তৈরি করেও পুরুষ এবং মহিলাদের টার্গেট করা হয়।

একটু বাড়তি সতর্কতা আমাদের বাঁচিয়ে দিয়ে পারে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা থেকে। দুই পকেট থেকে মোবাইল মানিব্যাগ এক পকেটে রাখা এবং ভিড়ের সময় পকেটে হাত রেখে চলাফেরার চেষ্টা করুন। মহিলারা হ্যান্ড ব্যাগ কাঁধে না ঝুলিয়ে ভিড়ের মধ্যে হাতে নিয়ে বুকের কাছে রাখতে পারেন। দুর্ঘটনা এড়ানোর জন্য সর্বদা সতর্ক থাকতে চেষ্টা করুন। অতিরিক্ত ভিড় এবং ধাক্কাধাক্কির সময় শক্ত থাকুন। হতে পারে ওরা আপনাকে ইচ্ছা করে ফেলে দেবে। উঠে দেখেন ব্যাগে মোবাইল নাই।
অতএব…?

শাহরিয়ান আহমেদ
09.08.2012