ক্যাটেগরিঃ নাগরিক আলাপ

 

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আর দেরি না। আপনার কথার সাথে সারা দেশবাসি একমত, এর পেছনে গভীর ষড়যন্ত্র আছে আমরা সবাই অনুভব করি। আপনি দেশকে বাঁচান। পুলিশ র‌্যাব ও সামরিক গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর বাঁধন খুলে দিন। দেশকে বাঁচান।

গার্মেন্টস আমাদের দেশের অর্থনীতির প্রাণ। দেশকে দাঁড় করিয়ে রেখেছে, মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে, মঙ্গা পীড়িত জনগোষ্ঠীর পেটে দানা পরেছে। বাংলাদেশ তর তর করে এগিয়ে যাচ্ছে। যোগাযোগ ব্যবস্থা, শিক্ষা, শিল্প কারখানা,কৃষি, অর্থনীতি সবই তর তরিয়ে বেড়ে উঠছে।

অনেক বন্ধু বেশি শয়তানের মাথায় বাজ পড়েছে। রাতের ঘুম হারাম হয়েছে। বাংলাদেশিদের ঘুরে দাঁড়ানোর সংকল্প তাদের অধিপত্য বিস্তারের সম্ভাব্য প্রতিবন্ধকতা। এর মধ্যেই এল মরার উপর খাড়ার ঘা। চীন গার্মেন্টস ব্যবসা থেকে সরে এলে পুরো বাজারটাই বাংলাদেশে চলে আসার উপক্রম। পথের কাটা আর গলার কাটা, দুইটাই যেন বাংলাদেশ।

দেশপ্রেমিক সিল লাগিয়ে কিছু বিদেশীদের পা চাটা কুত্তা লুকিয়ে আছে আমাদের মাঝে। যারা তলে তলে দেশকে শেষ করে দিচ্ছে। এরা রাজনীতিবিদ, অর্থনীতিবিদ, মিডিয়া ব্যক্তিত্ব, সুশীল সমাজ, বুদ্ধিজীবী বেশ ধারণ করে তিলে তিলে খেয়ে শেষ করে দিচ্ছে আমাদের গোড়া।

মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের বা বিপক্ষের যেই নামে হোক না কেন, যারাই হোক না কেন, ওরা আমাদের দেশটা শেষ করে দিল। আমাদের অবিভাবক তো আপনি। আপনি আমাদের প্রধানমন্ত্রী। আমরা সাধারণ মানুষ কিই বা করতে পারি? আপনি দেশ পরিচালনায় আছেন। আপনার দিকেই আমরা তাকিয়ে।

পুলিশ র‌্যাব ও সামরিক গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর বাঁধন খুলে দিন। দেশকে বাঁচান। ওদেরকে কাজ করার পরিবেশ দিন। সরকারি বেসরকারি, দেশী বিদেশী, প্রভাবশালীদের হস্তক্ষেপকে ঠেকিয়ে দিন। আমরা এখন আপনার দিকে তাকিয়ে।

আমরা বিশ্বাস করি আমাদের পুলিশ এবং সেনাবাহিনীর সেই যোগ্যতা আছে। আমরা ৭১ এ ও প্রমাণ করেছিলাম। আমরা আবার প্রমান করতে চাই। ষড়যন্ত্রকারী যে বা যারাই হোক কঠিন থেকে কঠিন শাস্তি হোক ওদের কপালের লিখন।

শাহরিয়ান আহমেদ।
ছবি- ইন্টারনেট।