ক্যাটেগরিঃ আন্তর্জাতিক

 

“হত্যাকান্ড বর্বরোচিত, কিন্তু প্রয়োজনীয়: ব্রেইবিক”। নরওয়ের সবচেয়ে নৃশংস ঘটনায় ৯২ জনকে হত্যার জন্য অভিযুক্ত ডানপন্থী ধর্মীয় উগ্রবাদী অ্যান্ডার্স বেরিং ব্রেইবিক তার কৃতকর্মকে “বর্বরোচিত” মনে করলেও একে “প্রয়োজনীয়” বলে দাবী করেছেন। কী এমন কারণ যে এতগুলো মানুষকে হত্যা করা লাগবে?

এটা কী ধর্মীয় কোনও যুদ্ধের আলামত নয়? ব্রেইবিক বলেছেন তিনি “সাংস্কৃতিক মার্ক্সবাদীদের” ঘৃণা করেন এবং বিশ্বে ইসলাম ধর্মের ছড়িয়ে পড়া থামাতে তিনি “ক্রুসেড” করতে আগ্রহী। এবং তিনি আরও বলেছেন “আমাদের ধর্মযুদ্ধ শুরু করার আগে আমাদের অবশ্যই সাংস্কৃতিক মার্ক্সবাদীদের ব্যাপক সংখ্যায় হত্যা করতে হবে ইতিহাস সাক্ষী, ধর্মীয় যুদ্ধ যখন শুরু হয় সেটা হয় ভয়াবহ এবং যা ছড়িয়ে পড়ে আগুনের চেয়েও দ্রুত। টুইন টাওয়ার হামলায় যেমন অংশ নিয়েছিল কয়েকজন অথচ তাদের পেছনে ছিল বিশাল সমর্থন ও দীর্ঘদিনের পরিকল্পনা তেমনি এই হামলার পেছনেও যে বড় কোনও চক্রান্ত নাই তাও বোধহয় না।

যদি ব্যাপক সংখ্যায় সাংস্কৃতিক মার্ক্সবাদীদের হত্যা করা ইসলামের বিরুদ্ধে ক্রুসেডের পূর্ব প্রস্তুতি হয় তাহলে ক্রুসেড শুরু হলে তার অবস্থা কতটা ভয়াবহ হবে কে জানে? পৃথিবীতে ইসলাম ধর্মের ছড়িয়ে পড়া থামানোর এই উপায়টি মনে হয়না কাজে আসবে। ধর্ম তো মানুষ বাঁচানোর কথা শিক্ষা দেয়, হত্যা করার নয়। আমরা বাঁচতে চাই। শান্তিতে বাঁচতে চাই। পৃথিবীটাকে সুন্দর করে তুলতে চাই।
ধর্মের প্রচার করতে চাইলে মানুষের খেদমত করুন, বিপদে পাশে দাঁড়ান এবং তাকে বলুন শান্তি ও ন্যায়ের বাণী। সে আপনাকে ভালবাসবে আপনার ধর্মের প্রতিও অনুগত হবে।