ক্যাটেগরিঃ ফিচার পোস্ট আর্কাইভ, রাজনীতি

Untitled

অনেকদিন আগে থেকে একটা অনুভূতি আমার মধ্যে প্রবল ভাবে কাজ করছে, আর সেটা হলো বাংলাদেশে দুটি রাজনৈতিক দল একই পদ্ধতী অবলম্বন করে রাজনীতির মাঠে টিকে আছে, কিন্তু তারা দুটো দলই আসলে বাংলাদেশ তথা গোটা বিশ্বের সাথে প্রতারনা করে যাচ্ছে। অথছ আমরা খুব কম সংখ্যক মানুষ বিষয়টি বুঝতে পারছি অথবা বুঝেও উপায়ন্ত না পেয়ে তাদের ভোতা ছুরির নিচে নিজেদের গলা গলিয়ে চলেছি।

বাংলাদেশের রাজনীতি নিয়ে কথা বলছি, দুটো দল নিয়ে কথা বলছি, নির্দ্বিধায় আপনি ভাবছেন, আমি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ আর বিএনপি’র কথা বলছি। কিন্তু না বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাথে বিএনপি’র তুলনা করা যায় না। বিএনপি’র সাথে জাতীয় পার্টি’র তুলনা করা যায়। কারন বিএনপি’র আর জাতীয় পার্টি’র জন্ম, শৈশব, কৈশর এবং যৌবন কালের প্রায় ৯০% একই ভাবেই গড়িয়েছে। আর এখন বার্ধ্যকেও প্রায় একই দশা। তাই আওয়ামী লীগের সাথে বিএনপি’র তুলনা করাটা সমীচিন বলে মনে করছি না। বরং রাজনৈতিক দল হিসাবে রাজনীতির গর্ভে জন্ম নেওয়া দুটি দল ও তাদের দল পরিচালনার কৌশল নিয়ে কথা বলতে চাই।

আপনি হয়ত ভাবছেন এত ভূমিকা করার দরকার কী? স্পষ্ট করে বললেই হয় দল দু’টির নাম। হ্যা, আমি সেটাই বলতে চাই, কিন্তু সংশয় প্রকাশ করছি এই ভেবে যে, শেষ পর্যন্ত আমাকে এটা বলতেই হচ্ছে..? আমি শুরুতে বলেছি ‘অনেকদিন আগে থেকে একটা অনুভূতি আমার মধ্যে প্রবল ভাবে কাজ করছে’ । ব্যাপারটা নিয়ে অনেকদিন ধরে নিজের মধ্যে অনেক ব্যাখ্যা-বিশ্লেষন করছিলাম, আর মনে মনে ভাবছিলাম, সত্যিকার অর্থে ভাবছিলাম না, প্রত্যাশা করছিলাম, আমার অনুভবটা মিথ্যে প্রমানিত হোক।

আমি অংকে বেশ ভাল। ভাল বলতে আমার তুলনায় ভাল। মানে আমার অন্যান্য বিষয়ের তুলনায় ভাল, বিশেষ করে বীজগনিতে। কিন্তু কখনো ২+২=৪ এর বাইরে ভাবিনি। আমার খালাত ভাই শাওন প্রচন্ড মেধাবি একজন ছাত্র। কয়েকদিন আগে আমার ফেইসবুকে ওর অংকের খাতার একটা পৃষ্ঠার ছবি পাঠিয়েছে যেখানে বীজগনিতের শতভাগ সঠিক নিয়মে দেখানো হয়েছে ২+২=৫। আমি বীজগনিত সামান্য বুঝি, তাতেই খুবই সহজে বুঝতে পারলাম এই অংকে কোন ভুল নেই। তার মানে কখনো কখনো ২+২=৫ ও হতে পারে।

ঠিক এই ব্যাপারটা মনে করে আমি আশায় বুক বাঁধতে অনুপ্রানিত হতাম। ভাবতে পছন্দ করতাম, হয়ত আমি যা ভাবছি সেটা ভুল প্রমানীত হবে। কিন্তু একটা সময় ঠিকই উপলদ্ধি করলাম ২+২=৫ এটা আমি হয়ত বীজগনিতের ঐ সূত্রগুলোর কারনে মানবো, কিন্তু সারা পৃথিবীর সাধারন মানুষ..? যাদের ২+২=কত, এটা জানার জন্য বীজগনিতের জটিল নিয়ম বোঝার মত সময় বা মানসিকতা কোনটাই নেই, তারা..?

‘তারা’ অর্থাৎ অধিকাংশ মানুষ অথবা প্রায় সকল মানুষই এটাই মানতে বেশি পছন্দ করবে যে ২+২=৪। ঠিক আমিও এখন সকল সংশয় ভেঙ্গে শিকার করতে বাধ্য হচ্ছি যে, আমাদের দেশের আলোচিত-সমালোচিত, প্রাচিন এবং রাজনৈতিক ইতিহাস সমৃদ্ধ দুটি দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও জামায়াতে ইসলামি বাংলাদেশ ঠিক একই ধরনের রাজনৈতিক দল। আমি আরও সহজ করে বললে ব্যাপারটা হচ্ছে, এখন আওয়ামী লীগ আর জামায়াত হচ্ছে একই গাছের দু’টি ডাল।

আপনি হয়ত আমার সাথে সরাসরি দ্বিমত পোষন করবেন। সেটা করতেই পারেন কারন আপনার ধারনার পেছনে বেশ কিছু যুক্তি আছে। যেমন, জামায়াত একটি ডানপন্থি ধর্মীয় রাজনৈতিক দল। সেখানে আওয়ামী লীগ মধ্যপন্থি, ধর্ম নিরপেক্ষ একটি রাজনৈতিক দল। আবার আওয়ামী লীগ আমাদের স্বাধীনতা আন্দোলোনের নেতৃত্বদারকারী দল। জামায়াত সরাসরি আমাদের স্বাধীনতার বিরোধিতাকারী দল। এছাড়াও আরো বেশ কিছু যুক্তি হয়ত আপনার কাছে। হ্যা, আমি আপনার যুক্তি মেনে নিয়েই বলছি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ আর জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের মধ্যে তেমন বিশেষ কোন পার্থক্য নেই।

দুটো দল দুই স্পর্শকাতর বিষয়কে সাইনবোর্ড বানিয়ে নিজেদের স্বার্থ রক্ষা করে চলেছে। আওয়ামী লীগ সাইনবোর্ড হিসাবে নিয়েছে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, বাংলাদেশের মানুষের দেশপ্রেম, বাংলা সংস্কৃতি। আর জামায়াত সাইনবোর্ড হিসাবে নিয়েছে বাংলাদেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের ধর্মীয় অনুভূতি। আমরা বাঙালি আমাদের এই ভূখণ্ডে বর্তমানে বসবাসকৃত অধিকাংশ মানুষের ধর্ম ইসলাম। আমরা যেমন দেশপ্রেমি তেমনি ধর্মপ্রাণ। আমি স্পষ্ট করেই বলতে চাই, আমাদের দেশের অধিকাংশ মানুষ অন্যান্য দেশের মানুষের তুলনায় যথেষ্ট দেশপ্রেমি। আর আমাদের এই আবেগমিশ্রিত দু’টি  বিষয় নিয়ে তারা (আওয়ামী লীগ ও জামায়াত) আমাদের সাথে ছিনিমিনি খেলছে। যে যার মত করে ব্যাখ্যা করছে, আর আমাদেরকে বোঝাতে বাধ্য করছে- ‘আমরা ছাড়া তোমাদের কোন গতি নেই। আমরাই তোমাদের আশ্রয়স্থল। আমরাই তোমাদের ত্রাণকর্তা। আমাদের কাছেই তোমাদের মুক্তি’।

আওয়ামী লীগ বলছে আমরাই বাংলাদেশকে স্বাধীন করেছি, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা আমরাই লালন করি। কোন দেশপ্রেমিক মানুষ আওয়ামী লীগ ছাড়া অন্য কোন দল করতে পারে না।

ঠিক একই ভাবে জামায়াত বলছে আমরা ইসলামের সেবক। ইহকাল সীমিত, পরকাল অনন্ত। ইহকালে-পরকালে শান্তি চাইলে জামায়াত করুন। অন্যথায় আপনার জাহান্নাম নিশ্চিত। জান্নাত পেতে চাইলে আমাদের দলে আসুন, আমরাই আপনাকে জান্নাতের টিকিট দেব।

এখন আমি কয়েকটি বিষয় এখানে উল্লেখ করতে চাই সেগুলো হলো

১. আওয়ামী লীগ প্রথম খেলটা দেখালো জামায়াতের সাথে গাঁট বেধে নির্বাচন করে।

২. আওয়ামী লীগ ১৯৯৬-এ নির্বাচনের আগে তাদের প্রার্থীদের গোলাম আজমের কাছে দোওয়া (সমর্থন) নিতে পাঠিয়েছিল।

৩. বাংলাদেশের সাতটি বিভাগে সাতজন বীরশ্রেষ্ঠদের নামে সাতটি ক্রিকেট ষ্টেডিয়াম ছিল। যথারীতি খুলনাতে ছিল বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ফ্লাইট লেঃ মতিউর রহমান ষ্টেডিয়াম। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর খুলনার সেই ষ্টেডিয়ামের নাম পরিবর্তন করে রাখলো শেখ আবু নাসের ষ্টেডিয়াম। শেখ আবু নাসের লোক হিসাবে কেমন ছিলেন তা খুলনা তথা সারা দেশের মানুষ কম-বেশি জানেন। তাকে আমি ছোট করছি না। কিন্তু একজন বীরশ্রেষ্ঠ-এর নাম বাদ দিয়ে তার নাম সেখানে বসাতে হবে কেন? এটা আওয়ামী লীগের মুক্তিযুদ্ধের কোন চেতনা বহন করে আমার বোধগম্য নয়। দেশের বাকি ছয়জন বীরশ্রেষ্ঠের নামে যে ষ্টেডিয়ামগুলো ছিল আমি জানিনা সেগুলো কী অবস্থা।

৪. শেখ হাসিনা তার সাম্প্রতিক কালের কোন এক বক্তৃতায় বলেছে দেশ চলছে মদিনা সনদে।

৫. আর যুদ্ধাপরাধীদের বিচার নিয়ে যা করছে তা সারা দেশবাসী দেখছেন।

 

পরবর্তী ক্রমিক নম্বরগুলো যদি বসাতে থাকি তাহলে আমার মনে হয় আজ রাতে আর এই লেখা শেষ হবে না। তাই এখন জামায়াতের কয়েকটা কীর্তি একটু দেখি।

১. মুক্তিযুদ্ধের সময় জামায়াত সাংগঠনিক ভাবে আমাদের মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করেছে। তারা শুধু বিরোধিতাই করেনি। তারা আমাদের মা-বোনদের ঐ পাক-হানাদার বোন্য শুয়োরগুলোর হাতে তুলে দিয়েছিল। নিজেরাও ধর্ষন-লুটপাটের সাথে জড়িত ছিল। তারা এদেশের নিষ্পাপ শিশু, শরীরের সমস্ত শক্তি খর্বিত বৃদ্ধদেরকে ছাড়েনি। যুদ্ধের একবারে শেষ প্রান্তে পরাজয় সুনিশ্চিত বুঝতে পেরে আমাদের দেশের সূর্য-সন্তান এদেশের বুদ্ধিজীবীদের (হালের কিছু বু্দ্ধিব্যবসায়ীদের মত নয়, তারা ছিলেন সত্যিকারের বড় মানুষ। যারা বেঁচে থাকলে হয়ত আল্লাহ চাইলে এতদিনে সত্যিই বাংলাদেশ সোনার বাংলাদেশে পরিনত হত।) হত্যা করেছিল। ইসলাম শান্তির ধর্ম, সেই ইসলামের নাম ভাঙ্গিয়ে জামাত এই কাজগুলো সাংগঠনিক ভাবে পরিকল্পিত ভাবে করেছে। ইসলাম কোন ভাবেই তাদের এই কাজগুলোকে সমর্থন করেনা। সমর্থন তো দূরের কথা এই কাজগুলোর জন্য ইসলামী আইনেই তাদের জাহান্নাম নিশ্চিত। আমার বিশ্বাস বাংলাদেশের একজন মানুষও যদি জাহান্নামে যায় তাহলে মতিউর রহমান নিজামী যাবে। কারন সে রাজাকার বাহিনীর প্রধান ছিল।

২. জামায়াত নেতা দেলয়ার হোসেন সাঈদী ফতোয়া দিল নারী নেতৃত্ব হারাম । বিএনপি’র সাথে ‍জোট করে নির্বাচন করে এমপি হয়ে একই মঞ্চে বেগম খালেদা জিয়া’র হালকা গোলাপি জর্জেট শাড়ী আর আড়াই ইঞ্চি ফাফানো রঙ্গিন বাহারী চুলের ফ্যাশন কিন্তু দারুন উপভোগ করেছিল।

৩. জামায়াত ইসলাম ফতোয়া দিল, শিখা অনির্বানে পুষ্পস্তবক দেওয়া হারাম। অথচ বিএনপি’র সাথে ‍জোট করে ক্ষমতায় যেয়ে সেই শিখা অনির্বানে জামায়াতের আমীর মতিউর রহমার নীজামী পুষ্পস্তবক দিয়েছিল।

৪. জামায়াত ইসলাম শুধুমাত্র ধর্মের দোহাই দিয়ে এদেশের অসংখ্য হিন্দু-বোদ্ধ-খ্রিষ্টান এমনকি সাধারন মুসলমানদের উপর অমানবিক অত্যাচার করেছে। অথচ নির্বাচনের আগে জামাতের আমীর নিজামী সহ অনেক বড়-বড় আমীর-নায়েব-রোকোন রা হিন্দুদের দূর্গাপুজা মন্ডবে প্রধান অতিথি, বিশেষ অতিথির আসন অলঙ্কৃত করেছিল।

৫.  দেশপ্রেম ঈমানের অঙ্গ। যার ঈমান নেই সে জাহান্নামি। জামায়াতের সর্বোচ্চ পর্যায়ের নেতা থেকে শুরু করে সমর্থক পর্যন্ত এখনো ভাবেন যদি আমাদের দেশ বাংলাদেশ না হয়ে পাকিস্থান হত তাহলে ভাল হত। আমার প্রশ্ন তাহলে তাদের কি দেশপ্রেম আছে? আর যদি দেশপ্রেম না থাকে তাহলে তারা বেঈমান অর্থাৎ তাদের ঈমান নেই। আর যার ঈমান নেই সে জাহান্নামি। এখন জামায়াতিদের পরিনতি কী?

৬. জামায়াত যদি সত্যিই কোন ইসলামি দল হত তাহলে তারা মানুষের ঈমান আমলের মধ্যে যে সকল ভুল-ভ্রান্তি আছে ‍সেগুলো নিয়ে কাজ করত। ইসলামের সত্যিকার নিয়ম-কানূন গুলো মানুষের মাঝে প্রচার করতো। কিন্তু তারা তা করে না। তারা শুধু ভোট চাই, আর ভোটের জন্য তারা ফতোয়া দেয়, হাদিস বানায়, নিজেদের সুবিধা মত।

৭. ইসলামে শহীদের মর্যাদা অনেক উঁচুতে। নিছক একজন রাজনৈতিক কর্মী রাজনৈতিক সংঘাতে মারা গেলে কী করে ‘শহীদ’ হয় সেটাও আমার অজানা। শহীদ শব্দটাকে কলঙ্কিত করার জন্য ইসলামি আইনে জামায়াতের বিচার হওয়া উচিৎ।

একই কথা এখানেও পুনঃরাবৃত্তি করলামঃ পরবর্তী ক্রমিক নম্বরগুলো যদি বসাতে থাকি তাহলে আমার মনে হয় আজ রাতে আর এই লেখা শেষ হবে না।

নিজেদের স্বার্থের জন্য এই দুই দল আসলে যেকোন মুহূর্তে যে কোন কিছু করতে পারে। তাতে যদি যার যার সাইনবোর্ড পাল্টাতেও হয়, তাতেও তাদের কোন আপত্তি নেই।  এমনও হতে পারে একদিন ক্ষমতায় যাওয়ার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে জামায়াত মুখোশধারী মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারন করে ‘বাংলাদেশ জামাতি লীগ’ আর আওয়ামী লীগ নামধারী ইসলামি সংগঠন হয়ে ‘আওয়ামী ইসলামি বাংলাদেশ’ হয়ে গেল।

জামায়াতের সাথে আওয়ামী লীগের সমীকরনটি আমি মনে-প্রাণে চাইছিলাম যেন না মেলে। কারণ, আমি বঙ্গবন্ধুকে ভালবাসি, শ্রদ্ধা করি, অনুসরন করি। বঙ্গবন্ধু’র স্বপ্নের সোনার বাংলা বাস্তবায়নের জন্য স্বপ্ন দেখি। আওয়ামী লীগ নামের একটি রাজনৈতিক দলের নেতা ছিলেন বঙ্গবন্ধু শুধুমাত্র এজন্যই আমি চাইছিলাম এই সমীকরনটা যেন না মিলে। আমার খালাত ভাই শাওনের ২+২=৫ দেখে আমার সে জন্যই বুকে সাহস জমছিল। আমি ভাবছিলাম রাজনীতির মাঠে কিছু বিষয় আপোষ করতে হয়, হয়ত সে জন্যই আওয়ামী লীগ এমন কিছু করছে, চুড়ান্ত পর্যায়ে ঠিকই আওয়ামী লীগ ঠিক কক্ষপথেই ফিরবে, কিন্তু না আওয়ামী লীগ এখন শুধু ক্ষমতা দেখে। তারা শুধুমাত্র প্রধানমন্ত্রীত্ব দেখে।

বিশটা অভিযোগের মধ্যে আটটি অভিযোগ প্রমানীত। বাকিগুলো সময় আর প্রেক্ষাপটের পরিবর্তনের জন্য আদালতে গ্রহনযোগ্য প্রমাণ দাখিল করতে না পারার জন্য প্রমাণ করা যায়নি। না হলে সেগুলোও প্রমাণ হত। যেগুলো হয়নি সেগুলোর কথা বলবো না। যে অভিযোগগুলো প্রমানীত হয়েছে সেগুলোর জন্য কেন সাঈদীর ফাঁসি হয় না?

কেন কশাই কাদেরের ফাঁসি দিতে জাগরণ মঞ্চ বানাতে হবে?

কশাই কাদের যে অপরাধ করেছে তার জন্য কি তার ফাঁসি  বাংলাদেশের আইনে হয় না?

রাজাকাররা যে অপরাধ করেছে তাদের ফাঁসি দেওয়ার জন্য সে অপরাধ কি যথেষ্ট নয়?

তাহলে কেন এই টালবাহানা?

উদ্দেশ্য কী?