ক্যাটেগরিঃ পাঠাগার

 

কানাডার কমেডিয়ান রাসেল পিটার একবার বলেছিলেন, আমি এশিয়ান ডাক্তারের কাছে যাইনা। কারণ,  ৯৯ ভাগ এশিয়ান ডাক্তার হয়  বাবা-মায়ের ইচ্ছায়, প্রেশারে তারা ডাক্তার । তাই তাদের পেশাকে প্যাশন হিসাবে নেয় না, রোগী দেখে গোমরা মুখে ।

কবি ডাক্তার শহিদুর রহমান শাহিনকে দেখলে আমার এই কথাটা খুব খাঁটি মনে হয়। এই ভদ্রলোকের লেখক হবার কথা, হয়েছেন ডাক্তার । কিন্তু ভাললাগার জায়গা যে সাহিত্য সেটা যারা ওনাকে চেনেন সবাই স্বীকার করবেন। ডাক্তারি বইয়ের থেকে সাহিত্য বেশি পড়েন, সেটা ছাত্রজীবন থেকেই। মেধাবি মানুষ না হলে দুটা একসাথে চালান যায় না।  এখন একটা মেডিকেল কলেজের অধ্যাপক। তারপরেও দিনের অনেকটা সময় সাহিত্য নিয়েই মেতে থাকেন। নিজে লিটল ম্যাগাজিন বের করেন। সেটা নিয়ে কলকাতা-দিল্লি ছুটে যান সাহিত্য সম্মেলনে অংশ নিতে।

লেখালেখিও করেন বেশ কিছুদিন ধরে। কয়েকটা বই প্রকাশ হয়েছে, এর মধ্যে কবিতার বই আছে । এবার বই মেলায় আসছে তার কবিতার বই    ’নৈ:শব্দ অশ্রুমালা’ ।  কেমন হয়েছে সে বই? সেটা না পড়ে কি করে বলি!  তবে এটুকু বলতে পারি, একজন লেখক আগে পাঠক। পাঠক ডাক্তার শহিদুর রহমান শাহিনকে যতটুকু জানি তাতে আমি বিশ্বাস নিয়ে বলতে পারি তাঁর কবিতার কোনো গুণ থাকবে না, এটা হতেই পারে না। তাঁর আগের বইগুলোতে সে প্রমাণ রয়েছে।

প্রথম যৌবনের রোমান্টিকতায়  অনেকেই কবি হন। ডাক্তার শাহিন তেমন কবি নন। জীবনের অনেক সময় ধরে শুধু পড়েছেন। তারপর লেখালেখি শুরু করেছেন। শুধু লেখক হবার সাধ নিয়ে লিখলে উনি এতদিন অপেক্ষা করতেন না।