ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

স্বাধীনতা প্রাপ্তির চার দশক পার হয়ে গেল, তার পরেও আমরা পেলাম না স্বাধীনতার পূর্ণ স্বাদ, পেলাম না একটি পরিপূর্ণ গণতান্ত্রিক পরিবেশ। বাকশাল আর সামরিক শাসনে হারিয়ে ফেলেছি প্রায় ১৫-১৬ বছর। অনেক সরকার এল-গেল, গনতন্ত্র হোঁচট খেল এবং অর্থনীতিও পরিবর্তিত হল বারবার কিন্তু আমজনতা রয়ে গেল সেই আগের জায়গাতেই, তাদের ভাগ্যের পরিবর্তন গতি পেল না। সবাই মিলে দেশ স্বাধীন করতে পারলেও আমরা পারছি না একসাথে মিলে দেশ কে এগিয়ে নিতে। আমরা আজ রাজনৈতিক ও সামাজিক ভাবে বিভক্ত, এত বিভক্তি নিয়ে একটি জাতি কখনও মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারে না। এই বিরক্তির একটা বড় কারন হচ্ছে আমরা রাষ্ট্রপ্রধান পেয়েছি কিন্তু পাইনি কোন রাষ্ট্রনায়ক। যে দুই জন কে পেয়েছিলাম তা আবার হারিয়ে ফেলেছি নিজদের ভুলের কারনে। এটা আমাদের জন্য একটা বিরাট ক্ষতি। এই ক্ষতি আমরা কখনও পরুন করতে পারব না।

আমরা কি পারব এমন কোন রাষ্ট্রনায়ক খুঁজে বের করতে যিনি আমাদের এই বিভক্ত জাতিকে একটি একক জাতি হিসাবে আগামির দিকে নিয়ে যাবে? হয়ত বা আমরা খুব সহজেই এমন রাষ্ট্রনায়ক পাব না। এর জন্য আমাদের আরও অনেক অপেক্ষা করতে হতে পারে, তাহলে আমরা এখন কি করব? আমাদের নিজেদেরও অনেক কিছু করার আছে। আমাদের সবাই কে এগিয়ে আসতে হবে,আমাদের লুপ্ত প্রায় দেশ প্রেম কে জাগিয়ে তুলতে হবে, আর ঝাঁপিয়ে পরতে হবে জীবন যুদ্ধে। যার যার অবস্থান থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা করতে হবে, তবেই মিলবে কাঙ্খিত স্বাধীনতার স্বাদ। এই কাজে সর্বোচ্চ ভুমিকা রাখতে হবে আমাদের যুবসমাজ কে, তাদেরকেই সবার আগে এগিয়ে আসতে হবে। যেহেতু আমরা সফল রাষ্ট্রনায়ক পাইনি তাই আমাদেরকে রাষ্টনায়ক সৃষ্টি করতে হবে। আমাদের প্রস্তুত থাকতে হবে আগামি দিনের আন্দোলনের জন্য, এই আন্দোলন হবে অর্থনৈতিক মুক্তির আন্দোলন। সবশেষে বলব “আমদের ধ্যানী নয় বরং কর্মী হতে হবে, ভোগী নয় বরং ত্যাগী হতে হবে”

কবির ভাষায়,
ছিঁড়িয়াছে পাল কে ধরিবে হাল, কার আছে হিম্মত।
কে আছো জোয়ান, হও আগুয়ান, হাঁকিছে ভবিষ্যত,

ধন্যবাদ….
পথহারা সৈকত
গাজিপুর,বাংলাদেশ