ক্যাটেগরিঃ ধর্ম বিষয়ক

 

আল্লামা দেলওয়ার হোসেন সাঈদী। তার আল্লামা হওযার রহস্য হল তিনি নিজেই নিজেকে ওই তকমা দিয়েছেন। আর সেটার বাজারজাত করেছে জেহেলই জামায়াত-শিবির। সাঈদীর ধৃষ্টতা হল সে আল্লামা নামটি তার নামের অংশ হিসেবে জাতীয় সংসদের কার্যতালিকা ভুক্ত করেছে। কতটা সুচতুর হলে এটা সম্ভব!!এবার আসি তার সেক্সুয়াল ফোনরঙ্গ নিয়ে। জেহেলিয়তবাদীরা এটাকে ষড়যন্ত্র বলছে। বলছে বানান,টেপ জালিয়াতি। যখন অালবদর আলশামস চক্র স্কাইপ টেপিং ষড়যন্ত্র করে ,তখন তা হয় নোবেল পাওয়ার মতন বিপ্লবী কাজ। আর সাঈদীর ক্যাসেট ফাস হলে তা হয় ষড়যন্ত্র! হা হা হা। ওরা স্কাইপ টেপিংকরতে পারে। আর কি কেউ সাঈদীর যৌনরঙ্গ কথাবার্তা টেপ করার প্রযুক্তি জানে না। প্রযুক্তি কি কেবল জামায়াতি জেহেলিয়তবাদী হাতে! অন্যরা কি তা ব্যবহার করতে জানে না!! আরে মুর্খ তোরা যেটা পারিস সেটা প্রগতিশীলরা পারবে না সে কেমন কথা!!আবার ওরা বলছে-যদি এটা সত্য হত তবে তা কেন যুদ্ধাপরাধ ট্রাইবুনালে হাজির করা হয় নি! ওরে মুর্খ ওটা তো সাঈদীর ৭১এর ধর্ষণ লুটপাট হত্যা ইত্যাদি যুদ্ধাপরাধ বিচারের ট্রাইব্যুনাল। ওটা সাঈদীর ৮১ উত্তর যৌন অপরাধ;ছাত্রীসংস্থার নামে সাধারণ ধর্মপ্রান ছাত্রীদের ফুসলিয়ে গনিমতের মাল ভেবে যৌনভোগ ও জেনার বিচারিক আদালত নয়। অবশ্যই আমি দাবি করব সাঈদীর এসব জেনার বিচার হওযা উচিত। দেশে ইসলামী আদালতনেই বলে সে পার পেতে পারে না।

সাঈদীর মুখে যৌনউদ্দীপক কথাবার্তা নতুন নয়। আমি তার ওয়াজ শুনেছি। তিনিওয়াজে নারী জাতি সম্পর্কে অতি কদর্য কথাবার্তা বলেন। জেহেলিয়তে এমনটা করা হত। নারীকে চরম ঘৃন্য ভাষায় আক্রমন করা হত। পন্য ভাবা হত। গোলাম আযম যে ৭১ নারীদের গনিমতের মাল বলে ধর্ষণ জায়েজ বলে ফতোয়া দিয়েছিলেণ সেটা সেই জেহিলিয়ত আমলের ভাষা। জামাযাতে ইসলামী দেশে ধোকাবাজি করে শয়তানি করে আইয়ামে জেহেলিয়ত কায়েম করতে চায়।

সাঈদীর ওয়াজে শুনেছি আপনারাও অনেখে শুনে থাকবেন -বাজারে সাঈদীর ক্যাসেট পাওয়া যায়। সাঈদী বলছে-বেপর্দা নারীর বুকের ওপর দুই নোকতা। কপালের ওপর এক নোকতা। আর নাভীর ওপর এক নোকতা।

প্রিয় ব্লগপাঠক, বলুন নাউজুবিল্লাহ। সমস্বরে বলুন আসতাগফিরুল্লাহ। কি অসভ্য কথা। কি অশ্লীল কথা। অাল্লাহর ইসলামে এই ধরণের কথা বলা মহাপাপ। এই কথাবার্তা জেনার মত গুনাহে আঈন। এই গুনাহর শাস্তি হল পাথর ছুড়ে শাস্তি। অথচ সাঈদী তার প্রতিটা ওয়াজে নারীর প্রতি এই ধরণের আক্রমন করেছে। সেসব কথা লিখে এই লেখাকে অপবিত্র করতে পারি না। বুকের ওপর দুই নোকতা বলে সে নারীর স্তনের বোটা বুঝিয়েছে। নাউজুবিল্লাহ। এটা বললাম এজন্যে যে কত কদর্য বাতচিত এই নকল ফেরেববাজ ইসলামের লেবাসধারীর। তার প্রতিটা ক্যাসেট থেকে এধরণের কদর্য কথা লিখে এই লেখা ভরিয়ে ফেলা যায়। আমি তা করব না। কেননা আমি খাটি মুসলমান। আমি অশ্লীলতা ঘৃনা করি। আমি মা জাতিকে সম্মান করি। তাদের বিরুদ্ধে কোন কদর্য কথার আমি প্রতিবাদ করি।

নেচে সাঈদীর কদর্য ফোনালাপ ট্যাগ করলাম। প্রিয় ব্লগটিম প্লিজ তা রোধ করবেন না। কেননা এই কথার সাথে যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচারের কোন সম্পর্ক নেই। সুতরাং কনটেম্ট অব কোর্ট হবে না।

দেখুন সাঈদী বলছে…..
সাঈদী : ঐটা লম্বা আছে, সাড়ে সাত ইঞ্চি।
নারীকণ্ঠ : তাহলে তো কম না।
সাঈদী : আর মোটা আছে ওয়ান এন্ড হাফ।
নারীকণ্ঠ : তাই, ওহ এজন্য তো আমার দাদা বেশি সন্তুষ্ট করতে পারে।
সাঈদী : একটু পান খেয়ে নিই। আপনার সাথে পড়ে কথা বলি হ্যা।
দেখুন পাঠক মিলিয়ে দেখুন এই অশ্লীল কথাবার্তার সাথে এক নোকতা দুই নোকতা জাতীয় কথাবার্তা মিল খায় কিনা!!!!!
এবার পুরোটা পড়ুন। নাউজুবিল্লাহ আসতাগফিরুল্লাহ বলতে বলতে পড়ুন। মনে মনে বলুন এই ঘৃন্য বাতচিত শুধুমাত্র সাঈদীর ৗয়াজের ভাষার সঙ্গে মিলিয়ে দেখার জন্য পড়ছি। তাহলে গুনাহ হবে না। অন্যথায় সাইদী ঘৃন্য ওয়াজ শুনলে যেমন গুনা হ হয় তেমনি ওর যৌন কথাবার্তা পড়াও গুনাহের কাজ।

নারীকণ্ঠ : হ্যলো। স্লামুলাইকুম।

সাঈদী : ওয়ালাইকুম সালাম, খাওয়া দাওয়া হইছে।
নারীকণ্ঠ :না, খাই নাই।
সাঈদী : এখনো খাও নাও।
নারীকণ্ঠ : আপনি আসবেন বলছেন যে।
সাঈদী : ওহ, কি রান্না করছো।
নারীকণ্ঠ : হুম
সাঈদী : কি রান্না করছো।
নারীকণ্ঠ : লইট্টা ফিশ।
সাঈদী : কি
নারীকণ্ঠ : লইট্টা ফিশ।
সাঈদী : লইট্টা ফিশ, খুব ভালা।
নারীকণ্ঠ : দাদু।
সাঈদী : হুম, বলো।
নারীকণ্ঠ : কাজ শেষ করছেন।
সাঈদী : হুম করছি। তবে কেউ আসলে আমি হঠাত করেই বন্ধ করে দিব।
নারীকণ্ঠ : কেন?
সাঈদী : কেউ আসলে। এখন আমি একা আছি বলো।
নারীকণ্ঠ : তাই
সাঈদী : নামাজ পড়ছো এশা, এশা পড়ছো।
নারীকণ্ঠ : না পড়ি নাই।
সাঈদী : এরে আল্লাহ, এখনো এশার পড় নাই। কাপড় নষ্ট হয়ে যাবে তো।
নারীকণ্ঠ : হুম
সাঈদী : এখনো এশার পড়ো নাই তো, কাপড় নষ্ট হয়ে যাবে।
নারীকণ্ঠ : এতোক্ষন এশার নামাজ না পড়ে থাকে
সাঈদী : হ্যাঁ, তাই বলো।
নারীকণ্ঠ : এখানে যদি নামাজের সময় নামাজটা না পড়ি, এখন আর কোন কাজ হবে।
সাঈদী : তা তো ঠিকই।

নারীকণ্ঠ :হ্যালো
সাঈদী : হ্যালো।
নারীকণ্ঠ : দাদু
সাঈদী : শুনতাছি
নারীকণ্ঠ : শুনতাছেন।
সাঈদী : শুনতেছ তো
নারীকণ্ঠ : বারবার একই জবাব দিচ্ছেন। একেকবার একেক রকম দিতে পারেন না।
সাঈদী : সোনা পাখি,
নারীকণ্ঠ : জি
সাঈদী : ময়না টিয়া পাখি। কি করতাছো এখন।
নারীকণ্ঠ : কি করতাছি মানে, আজকে আমার নানুর বাসায় গেছি।
নারীকণ্ঠ : আমার নানুর বাসায় একটা পেপারে আপনার ছবি আছে।
সাঈদী : আচ্ছা।
নারীকণ্ঠ : ঐ ছবিটা আনতে গেছি।
সাঈদী : কি রকম ছবি ঐটা
নারীকণ্ঠ : আপনার হাফ ছবি।
সাঈদী : আচ্ছা, কবের কথা
নারীকণ্ঠ : ২০০৬, তারিখটা তো দেখি নাই। কালকে দেখে আনবে।
সাঈদী : এটা কি পত্রিকা।
নারীকণ্ঠ : তাও দেখি নাই। পেপারটা দেওয়ালে দিছে তো ঐখানে। ঐখান থেকে ছিড়ে নিয়ে আসছি।
নারীকণ্ঠ : দাদু।
সাঈদী : ময়না পাখি
নারীকণ্ঠ : জ্বি।
সাঈদী : সোনা পাখি, ডানা কাটা পরী।
নারীকণ্ঠ : আজকে আপনার ছবি পেয়ে গেছি। জি
সাঈদী : সোনার হরিণ
নারীকণ্ঠ : জি
সাঈদী : উড়ে আয়, উড়ে আসবি।
নারীকণ্ঠ : হুম
সাঈদী : উড়ে আয়
নারীকণ্ঠ : আপনি তো আমাকে…..যাচ্ছি না তো। ঐখানে ভাগাভাগিতো
সাঈদী : আলাদা রুমে নিয়ে নিব।
নারীকণ্ঠ : আলাদা রুমে তো নিবেন। তা আপনি যদি আমার কাছে আসেন, আরেকদিন আরেকজনের কাছে যেতে হবে।
সাঈদী : এখন কোথায় কি করতাছো তুমি।
নারীকণ্ঠ : আমি বাইরে দাড়িয়ে দাড়িয়ে আপনার সাথে কথা বলতাছি।
সাঈদী : ওহ, ঘরে টেবিল আছে না।
নারীকণ্ঠ : হ্যাঁ, আছে তো।
সাঈদী : ঘরের দরজা বন্ধ করে টেবিলের উপর শুয়ে পড়ো।
নারীকণ্ঠ : টেবিলের উপর কেন?
সাঈদী : টেবিলের উপর পা ঝুলায় দিয়ে তার পরে শুয়ে পড়ো। ………আরেক স্টাইল।
নারীকণ্ঠ : আরেক স্টাইল, তারপর আচ্ছা।
সাঈদী : টেবিলের উপর শুয়ে পা দুইটা ঝুলিয়ে রাইখা।
নারীকণ্ঠ : তারপর,
সাঈদী : তারপর, দুই পার মাঝখানো দাড়ানো।
নারীকণ্ঠ : দুই পায়ের মাঝখানে আপনি দাড়াবেন।
সাঈদী : দাড়িয়ে মেশিন চলবে।
নারীকণ্ঠ : মেশিন চলবে। হুম, ও তাই।
নারীকণ্ঠ : আপনি যে আমাকে বেশিক্ষন সময় দেন না।
সাঈদী : হাত দুটো থাকবে বুকের উপরে। আর পা দুটো ফাক করা থাকবে টেবিলের শোয়া।
নারীকণ্ঠ : আপনি দাড়িয়ে দাড়িয়ে
সাঈদী : হুম।
নারীকণ্ঠ : কোমর ওতো লম্বা, লম্বা হবে কোমর।
সাঈদী : হুম চলবে।
নারীকণ্ঠ : মনে হয় প্র্যাকটিক্যালি।
সাঈদী : হুম, আমি তো ছয় ফিট লম্বা।
নারীকণ্ঠ : তাই।
সাঈদী : হুম
নারীকণ্ঠ : আপনি যখন লম্ব আপনার জিনিসটাও লম্বা হবে।তাই না,
সাঈদী : ঐটা লম্বা আছে, সাড়ে সাত ইঞ্চি।
নারীকণ্ঠ : তাহলে তো কম না।
সাঈদী : আর মোটা আছে ওয়ান এন্ড হাফ।
নারীকণ্ঠ : তাই, ওহ এজন্য তো আমার দাদা বেশি সন্তুষ্ট করতে পারে।
সাঈদী : একটু পান খেয়ে নিই। আপনার সাথে পড়ে কথা বলি হ্যা।
নারীকণ্ঠ : কেন? পান খেতে চান?

অপর আরেক ব্যাক্তির সাথে সাঈদীর কথোপকথন।

সাঈদী : হ্যালো
আসাসলাইমুলাইকুম স্যার, ভালো আছেন।

সাঈদী : ওয়ালুকুম সালাম
পুরুষকণ্ঠ : হুজুর আমি আমি অবসর সেনাসদস্য মোহাম্মদ তওহীদ হোসেন, বাড়ি নওগাঁ।
সাঈদী : জি বলুন।
পুরুষকণ্ঠ : কালকের পেপারে দেখলাম একাত্তরের যুদ্ধাপরাধীদের তালিকায় আপনারও নাম আছে । দেখে চিন্তিত হয়ে গেছি হুজুর, চিন্তা করতাছি এবং দোয়া করতাছি আপনার জন্য।
সাঈদী : জ্বি, দোয়া করতে থাকো
পুরুষকণ্ঠ : বাবা, মা সবাই দেয়া করতাছে আপনার জন্য
আপনার মন মানসিকতা কি রকম হুজুর এখন একটু জানতে চাই।
সাঈদী : আমার এই ব্যাপারে কোন দুশ্চিন্তা নাই। কোন দুর্বলতা নেই। দেশে যদি আইন থাকে, বিচার থাকে কিছুই হবে না ইনশাল্লাহা।
সাঈদী : আলহামদুল্লিহ
আর অন্যান্যদের আমাদের ইসলামী আন্দোলনের অন্যান্য নেতাকর্মীদের কি অবস্থা?
সাঈদী : আমার বক্তব্য হলো যারা যুদ্ধই করে নাই, তারা যুদ্ধাপরাধী হয় কি করে। দেখা যাক কি হয়, দোয়া করতে থাকুন। আল্লাহ আমাদের হেফাজত করুন।

পড়া শেষ হলে ইউটিউবে সার্চ দিয়ে সাঈদীর ওয়াজের অংশবিশেস পড়ুন। দেখবেন ভাষাভঙ্গি ও উচ্চারণের কত মিল।