ক্যাটেগরিঃ ধর্ম বিষয়ক

 

ফটোশপে কাল্পনিক ছবি বানিয়ে জামাতিদের জঘন্য নাস্তিকতা

আল্লাহ রব্বুল আলামিন পবিত্র কুরআনে পরিষ্কার ভাবে বলেছেন, “তোমরা সত্যকে মিথ্যার সাথে মিশিয়ে দিও না এবং জানা সত্ত্বেও সত্যকে তোমরা গোপন করো না।” সুরা বাকারা, আয়াত-৪২। আল্লাহর ওহির বিরোধিতাই মুরতাদের কাজ। এটাই নাস্তিকদের কাজ। অথচ গত শনিবার থেকে জেহিলি জামাতের খুনি কর্র্মীরা সারদেশে জিকির তুলেছে চাদে নাকি সাঈদীকে দেখা যাচ্ছে। ধর্ষণও খুনের দায়ে ফাসির আদেশ প্রাপ্ত খুনি রাজাকার সাঈদীকে চাদে দেখা যাচ্ছে। কত বড় ধৃষ্টতা। কত বড় নাফরমানি। কত বড় নাস্তিক আল্লাহবিরোধী রসুল বিরোধী হলে এটা কেউ বলতে পারে। প্রথম আলোর ইনটারনেট সংস্করণের রিপোর্ট পড়ে জানতে পারি–“”চাঁদে জামায়াত নেতা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর চেহারা দেখা গেছে বলে গুজব ছড়িয়েছে চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায়। গতকাল শনিবার রাত ১২টার পর সাতকানিয়া সদরসহ আশপাশের এলাকার বেশির ভাগ মসজিদ থেকে সাঈদীকে চাঁদে দেখা গেছে বলে একযোগে মাইকে ঘোষণা দেওয়া হয়। এরপর শত শত মানুষ রাস্তায় নেমে আসেন।

তবে ফজরের নামাজের পর সাতকানিয়া জামে মসজিদের ইমাম হাবিবুল হক মুসল্লিদের উদ্দেশে বলেন, ‘যারা এ ধরনের বক্তব্য দিচ্ছে, তাদের ইমান নষ্ট হয়ে যাবে। যদি সাঈদীকে চাঁদে দেখা যায়, তা হলে তো তিনি গ্রেপ্তার নেই। তা হলে তাঁর মুক্তি চাওয়ার দরকার কী। যাঁরা এ ধরনের অপপ্রচারে বিব্রত হবেন, তাঁদের ইমান থাকবে না। নষ্ট নয়ে যাবে।’

স্থানীয় লোকজন জানান, রাত ১২টার পর সাতকানিয়ার বোয়ালীপাড়া, সামিয়ারপাড়া, খলিফাপাড়া, রুজমপাড়াসহ আশপাশের অনেকগুলো মসজিদ থেকে চাঁদে সাঈদীকে দেখা যাচ্ছে বলে ঘোষণা দেওয়া হয়। যে যেখানে আছে, সবাইকে বাইরে বেরিয়ে আসতে বলা হয়। এরপর শত শত লোক বাইরে বেরিয়ে সাঈদীর মুক্তি ও সরকারবিরোধী বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে মিছিল করে।

উল্লেখ্য, সাতকানিয়া-লোহাগাড়া আসনে সর্বশেষ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম মহানগর জামায়াতের আমির শামসুল ইসলাম সাংসদ নির্বাচিত হন।গতকাল পুলিশ ও জামায়াত-শিবিরের সংঘর্ষে সাতকানিয়ায় তিনজন নিহত হন।””

এটা পরিষ্কার যে কিছু লোক উদ্দেশ্যমূলকভাবে এ মিথ্যাচারটি করেছে এবং সহজ সরল মানুষের ঈমান নিয়ে খেলছে শুধুমাত্র রাজনৈতিক ফায়দা হাসিল করার জন্য।

কার্টুনে জামাতি জঘন্যতার প্রতি জনতার ঘৃণা

মহানবীর জীবনে ১মাত্র মুজীজা দেখিয়েছিলেন চাঁদ দ্বিখণ্ডিত করে। এর মাধ্যমে তিনি বিধর্মীদের কাছে প্রমাণ করেন যে তিনিই শেষ নবী ও আল্লাহর রাসুল। আর আজকের একজন ঘৃন্য ফাসির দন্ডপ্রাপ্ত ৭১ এর খুনির নামে জেহিলি জামাত দাবি করছে তাকে চাদের মধ্যে দেখা যাচ্ছে। আমি পরিষ্কার ভাকে বলতে চাই এটা শিরক। এটা চরম নাস্তিকতা। যারা ব্লগার আহমেদ রাজিব হায়দারকে নাস্তিক প্রচার চালিয়ে দিব্যি খুন করল। তারা কত ভয়ংকর যে এখন নিজেরাই প্রমান করছে তারা কত বড় নাস্তিক। তাও প্রকাশ্যে। এদর ওপর আল্লাহর গজব নামবে তা বলা বাহুল্য। এরা রাসুলের মুজিজার সঙ্গে সাঈদীর মত নিকৃষ্ট পাপীষ্ঠকে তুলনা করছে। সাতকানিয়া জামে মসজিদের ইমাম হাবিবুল হক মুসল্লিদের উদ্দেশে ঠিকই বলেছেন যে, ‘যারা এ ধরনের বক্তব্য দিচ্ছে, তাদের ইমান নষ্ট হয়ে যাবে। যদি সাঈদীকে চাঁদে দেখা যায়, তা হলে তো তিনি গ্রেপ্তার নেই। তা হলে তাঁর মুক্তি চাওয়ার দরকার কী। যাঁরা এ ধরনের অপপ্রচারে বিব্রত হবেন, তাঁদের ইমান থাকবে না। নষ্ট নয়ে যাবে।’

আসলে এই জেহিলি জামাতিরা আল্লাহ রসুলে বিশ্বাস করে না। ওরা বিশ্বাস করে সাঈদী-গোলাম আযম-নিজামিয়তে। ওদের ঈমান নেই। আমি বেশ কিছুদিন ধরেই বলে আসছিলাম এরা কত বড় জেহিলি। কত বড় নাসিতক!কত বড় ইসলামবিরোধী। ওদের চ্যালাচামুন্ডারা সেজন্য আমাকে গালি গালাজ করেছে। আমার দাড়িটুপি ঈমান নিয়ে কটাক্ষকরেছে জেহিলি জামাতশিবিরের পেইড ব্লগারা। খুনের হুমকি দিয়েছে। আজ ওরা নিজেরাই প্রমান করেছে ওরাই আসল নাস্তিক। বিধর্মী। বেইমান। নাফরমান। এই নাস্তিক ইসলামবিরোধীদের পালের গোদা সাঈদীর এর মধ্যেই জঘন্য অপরাধে ফাসি হয়েছে। আশা করা যায় অন্য পালের গোদাদের অচিরেই ফাসির আদেশ হবে।

৭১ এর খুন খারবি গনহত্যার জন্য ওদের ফাসি হচ্ছে। এখন ণাস্তিক কর্মকান্ড , আল্লাহ রসুলের অবমাননা ; নবীর মুজিজার সঙোগ পাপীষ্ঠ সাইদীর তুলনা -এসব ধর্মীয় পাপের জন্য ওদের কাঠগড়ায় তলিতে হবে। ওদের ফাসির আদেশে এই পাপের কথাও যুক্ত করার জন্য মাননীয় ট্রাইব্যুনালের কাছে দেশের ধর্মপ্রানকোটি কোটি মুসল্লিদের পক্ষ থেকে দাবি জানাচ্ছি।