ক্যাটেগরিঃ চিন্তা-দর্শন

 
স্তম্ভিত বীর ০৩

কিছু চেয়ে থাকা মুখের কথা শত চাইলেও ভুলা যায় না। কয়েকটা আর্তের কথা। সকল কিছু ত্যাগে সে হয়েছে মহীয়ান। তবুও চিনতে পারলনা একজন আর্তকে। শুনেও যেন শুনতে পেল না আর্তনাদের চিৎকার।স্তম্ভিত বীর ০২

 

হতাশা এখানেই। স্বপ্ন অল্পতেই ভেঙে যায়। যত দূরই যেতে চায়, কিছু একটা যেন বার বার আটকায়। কিন্তু, আমি একা। আর একা কিইবা করব। রাস্তার পাশে পড়ে থাকা এলাকার অলি-গলির ময়লা কুড়িয়ে বেড়ানো শিশুদের নিয়ে ক’জনই বা ভাবল। ক’জনই বা চাইল তাদের দিকে। তাদের নিয়ে শতশত প্রবন্ধ কবিতা লেখা হয়, বানানো হয় নাটক চলচ্চিত্র। এখানে তাদেরকে চরিত্র বানিয়ে দেওয়া হয়। কিন্তু, তারা এতে কি পায়.?? শুধু একটু সহানুভূতি, যা সাধারণের জন্য অনেক কিছু কিন্তু তাদের কাছে কিছুটা কষ্ট ভুলানো ছাড়া তেমন কিছুই না।

খোলা আকাশের নিচে, রেল লাইনের পাশে, অথবা রাস্তা বা রাস্তার পাশের বস্তিতে একটু চোখ মেললেই দেখা যাবে ‘কষ্ট’। তবুও তারা কষ্ট চেনে না। কারণ তারা সুখী। হাজারো অভাব,দারিদ্রের মাঝেও তারা খুজে নেয়। কারণ, কিছুটা সুখ-দুখ বাদের হয়তোবা তাদের কাছে তেমন কিছু নেই।

মুখে মানুষ অনেক কিছুই বলে। অনেক কিছুকেই সত্য বানিয়ে দিতে পারে। কিন্তু, কাজে আর ক’জন..?? শুনেছিলাম, একজন বীর আসবে। আমাদের মাঝে নাকি আর কোনো দুখ:-কষ্ট আর থাকবে না। থাকবে না রাজনীতি নামক সস্তা সরকারি কলঙ্ক। রাজনীতি না করাটাও নাকি রাজনীতিই। তবে আমি সেই ন্যায়পক্ষের পক্ষপাতী যা কোনো মিথ্যার অন্তর্ভুক্ত নয়।

স্তম্ভিত বীর ০১

কলমের জোরে সত্যিই কি কিছু হয়..?? নাকি সবটাই বানানো গল্প আর অবাস্তব/বানোয়াট কল্পনা। তবুও একজন বাঙালীর মত সহ্য করেও আশায় থাকব, সত্যের। আমি জানি, বিশ্বাস করি, সেদিন একদিন আসবেই যেদিন পৃথিবী হবে শান্তিময়। দূর হবে যুদ্ধ। সবকিছুর মাঝেই খুঁজে নেয়া যাবে শান্তি নামক উৎসবমুখর রংধনুর রঙিন আলো…. দুঃখ চেনে না তাই ফুটে থাকে সুখের অম্লান হাসি…