ক্যাটেগরিঃ আইন-শৃংখলা

 

কেউ অপরাধ করলে সাক্ষী-প্রমাণের ভিত্তিতে তার শাস্তি হবে এটাই স্বাভাবিক । আদালতের সেই রায়কে মেনে নেওয়াই নৈতিকতা । যে বাংলাদেশী, যে বাংলাদেশেকে ভালোবাসে, সে যুদ্ধাপরাধীদের পক্ষে যেতে পারে না । এক অপরাধীর জন্য জামাত-শিবিরের এরকম সহিংস হয়ে যাওয়ার কী যৌক্তিকতা আছে ? পুলিশ ও সাধারণ মানুষের কথা না হয় বাদই দিলাম, কত গুলো নিরপরাধ জামাত সদস্যের প্রাণ গেল ? এতে কি অপরাধী সাঈদীকে বাঁচানো গেল ? অপরাধীকে বাঁচানোর জন্য এই ভাবে এত গুলো নিরপরাধ মানুষের প্রাণনাশ বড়ই দুঃখ জনক । প্রশাসনের উচিৎ হবে যাদের নির্দেশে জামাত-শিবির কর্মীরা সাঈদীর ফাঁসির রায়ের বিরুদ্ধে হিংসাত্মক কর্ম-কাণ্ডে লিপ্ত হয়েছিল তাদেরকে বিচারের আওতায় আনা ।

সম্প্রতি সরকার আইন সংশোধন করে ট্রাইব্যুনালের রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিলের সুযোগ সৃষ্টি করেছে । অতএব, জামাতীদের আপাতত চুপ থেকে আপিলের প্রতি মনোনিবেশ করা উচিৎ ছিল । কিন্তু তা না করে জামাত-শিবির যে ভাবে সহিংস আক্রমণ আরম্ভ করেছে তার মোকাবেলা করতে পুলিশের কঠোর না হয়ে কোনও উপায় নেই। স্বাধীনতা বিরোধী যুদ্ধাপরাধীদের পক্ষে কেউ যদি এই দেশে তাণ্ডব চালায় তাহলে তা সর্ব শক্তি দিয়ে প্রতিহত করতে পুলিশ বদ্ধপরিকর ।

স্বাধীনতা বিরোধী জামাতকে আমরা আর দেখতে চাই না । সরকারের কাছে আমার আবেদন এই পাকিস্তানের এজেণ্ট জামাতের হাত থেকে বাংলাদেশকে মুক্ত করুন । আমরা জামাত মুক্ত বাংলাদেশ চাই । আপনাদের যা করতে হয় করুন কিন্তু জামাতকে অবিলম্বে নিষিদ্ধ করুন ।