ক্যাটেগরিঃ আইন-শৃংখলা

 

বাংলাদেশের সীমান্ত কি সুরক্ষিত ?

প্রায় শোনা যায় বিএসএফ-এর গুলিতে নিরপরাধ সাধারন বাংলাদেশীদের নিহত হওয়ার সংবাদ । আবার বিএসএফ সাধারন মানুষদের ধরেও নিয়ে যায় । কি করে সম্ভব ? তাহলে বিজিবি কি করছে ? নাকে তেল দিয়ে ঘুমোচ্ছে ? আমাদের সীমান্ত যে সুরক্ষিত নয় তারই প্রমাণ পাঁচ বাংলাদেশীকে বিএসএফের ধরে নিয়ে যাওয়া । সীমান্তকে সুরক্ষিত রাখতে আমাদের আরো উন্নত ব্যবস্থা গ্রহন করতে হবে । ভারত কাটা তারের বেড়া দিয়েছে বাংলাদেশের উচিৎ সীমান্তের চতুর্দিকে ১৫ ফুট উঁচু প্রাচীর গড়ে তোলা । যাতে কোনো ভারতি বাংলাদেশে প্রবেশ করতে না পারে । ভারতীয় বিএসএফ সন্ত্রাসীদের ও ভারতীয় চোরদেরকে ঠেকানোর এটাই এক মাত্র পথ । দু’দেশের সরকার আলোচনা করে সীমান্তের জিরো পয়েন্টে এই প্রাচীর গড়ে তুলতে পারে । আমার মনে হয় ভারত এতে সম্মত হবে ।
অপর দিকে ভারতের কাছে পারমানবিক বোমা আছে তাই ভারত এত লাফাচ্ছে । বাংলাদেশের কাছেও যদি এই বোমা থাকতো তাহলে ভারত এতটা দাঁত দেখাবান সাহস পেতো না । বাংলাদেশের নাগরিকদের সুরক্ষিত রাখতে রাষ্ট্র পরিচালকদের আরো বেশি ভাবা উচিৎ, এমন কি পারমানবিক বোমার কথাও ভাবা যেতে পারে ।

পাঁচ বাংলাদেশীকে ধরে নিয়ে গেছে বিএসএফ

পাঁচ বিএসএফ সদস্য জখম হওয়ার জের ধরে শনিবার সাতক্ষীরা সীমান্তে পাঁচজন বাংলাদেশী গরু রাখালকে ধরে নিয়ে গেছে বিএসএফ। শুক্রবার ভোরে ভারতের খলিসায় একজন ভারতীয় নাগরিকসহ পাঁচজন বিএসএফ সদস্যকে কুপিয়ে জখম করে চোরাচালানীরা। ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে সীমান্ত এলাকা থেকে বাংলাদেশী গরু রাখালদের ধরে নিয়ে যায় বিএসএফ।স্থানীয়রা জানায়, শনিবার ভোরে গরু রাখালরা ভারতের

খলিসা ক্যাম্পর নিকটবর্তী ছোট মাঠ নামক স্থানে পৌঁছালে টহলরত বিএসএফ সদস্যরা তাদেরকে ধাওয়া করে। এ সময় গরু রাখালরা চারজন বিএসএফ সদস্য ও একজন ভারতীয় নাগরিককে কুপিয়ে জখম করে। এদের মধ্যে একজন বিএসএফ’র অবস্থা আশঙ্কাজনক। আহত ভারতীয় নাগরিক কবিরুল ইসলাম পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগণা জেলার আমুদিয়া গ্রামের বাসিন্দা। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ বিএসএফ সদস্যরা গরু রাখালদের লক্ষ্য করে পরপর সাত রাউ- গুলি ছোঁড়ে।

একপর্যায়ে ক্ষুব্ধ বিএসএফ সদস্যরা সীমান্ত এলাকা থেকে পাঁচ বাংলাদেশী গরু রাখালকে ধরে নিয়ে যায়। তাদের একজনের নাম জাহিরুল ইসলাম। আটককৃতরা সকলেই কালিগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের লোক বলে জানা গেছে।এদিকে পাঁচ বাংলাদেশীকে ফেরত পেতে ভারতের খলিসা সীমান্তের জিরো পয়েন্টে শনিবার দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে পৌনে একটা পর্যন্ত বিজিবি ও বিএসএফ এর মধ্যে পতাকা বৈঠক সিদ্ধান্ত ছাড়াই শেষ হয়েছে।

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এর সাতক্ষীরা ৩৮ ব্যাটেলিয়ন অধিনায়ক লে, কর্নেল আবু বাসির জানান, চোরাকারবারিদের হাতে বিএসএফ সদস্য আহত হওয়ার ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে বিজিবিকে চিঠি পাঠায় বিএসএফ। ফলে শনিবার দু’দেশের সীমান্তরক্ষীদের মধ্যে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার বৈকারি সীমান্তের বিপরীতে ভারতের খলিসা সীমান্ত এলাকায় দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে ১২টা ৪৫ মিনিটে পর্যন্ত কোম্পানী কমা-ার পর্যায়ে এক পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

সংবাদ সূত্র- দৈনিক অপরাধকণ্ঠ