ক্যাটেগরিঃ চারপাশে

 

দারিদ্রতার শিকার শত শত বাংলাদেশী অবৈধ ভাবে বিভিন্ন দেশে গিয়ে চাকরী করে থাকেন । ৮০-র দশকে যখন পাকিস্তানের অর্থনীতি বাংলাদেশের চেয়ে ভালো ছিল তখন অনেক বাংলাদেশী ভারত হয়ে পাকিস্তান যায় । যাদের বেশির ভাগ চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, নোয়াখালি ও ফরিদপুর অঞ্চলের অধিবাসি । পাকিস্তানের হিসেব মতে প্রায় দশ লক্ষ বাংলাদেশী দেশটিতে বসবাস করছে ।

পাকিস্তান বাংলাদেশ সরকারকে বলেছিল সকল বাংলা ভাষীদেরকে ফেরৎ নিতে । যেহেতু পাকিস্তানে শত শত বাঙালি রাজাকার পরিবার ও ১৯৭১ পূর্ব বাঙালিরাও রয়েছে তাই সকল বাঙালিদের ফিরিয়ে নিতে বাংলাদেশ সরকার অসম্মতি জানায় । শুধু যাদের কাছে বাংলাদেশী পরিচয় পত্র থাকবে তাদেরকেই বাংলাদেশ ফিরিয়ে নিতে রাজি হয় । এবং এই মর্মে পাকিস্তানস্থ বাংলাদেশী দূতাবাসকে নির্দেশনাও দেওয়া হয়।

কিন্তু করাচিস্থ বাংলাদেশী কনসুলেট কর্মীরা সরকারের নির্দেশনা ঠিক মতো মানছে না তাঁরা মোটা অংকের ঘুস ছাড়া কোনো বাংলাদেশীকে দেশে পাঠায় না । দেশ থেকে কাগজ-পত্র আনিয়েও বাপ-দাদা চৌদ্দ পুরুষের দেশে ফেরৎ যেতে পারছে না বাংলাদেশিরা । কনসুলেট কর্মীদের হয়রানির শিকার কিছু বাংলাদেশী এই ব্যাপারটা আমাকে জানায় যাদের বাংলাদেশের ঠিকানাও আমি জানি । তাঁরা আমাকে দেশ থেকে আনা পরিচয় পত্রও দেখায় ।

আমি ঝিনাইদহ জেলার এক অধিবাসীর দেওয়া পরিচয় পত্রের কিছু ছবি নিম্নে দিলাম-


কনসুলেট কর্মীরা ঘুষের বিনিময়ে দেশের শত্রু রাজাকার ও বিহারিদের বাংলাদেশে পাঠাচ্ছে কিন্তু দুঃখের বিষয় প্রকৃত বাংলাদেশিরা নিজের মাতৃ ভূমিতে যেতে পারছেনা । আমার জানা মতে এরকম অনেক রাজাকার ঘুষের বিনিময়ে বাংলাদেশ যাচ্ছে যারা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে উদ্দেশ্য করে অনেক অবমাননাকর কথা-বার্তা বলে থাকে । দেশ প্রেমী সকল বাংলাদেশীর কাছে আমার অনুরোধ আপনারা পাকিস্তানিদের নির্যাতনের শিকার বাংলাদেশীদের ব্যাপারটা মানবতার সাথে দেখবেন । পাশাপাশি বিডিনিউজ২৪-এর কাছে আমার বিশেষ অনুরোধ দয়া করে আপনারা এই ব্যাপারটার একটু খোঁজ খবর নিবেন ।