ক্যাটেগরিঃ আইন-শৃংখলা

তল্লাশির নামে পুলিশি হয়রানি, নির্যাতন, দুর্ব্যবহার ও সামারি বাণিজ্য কোনোভাবেই থামছে না। হয়রানি ও নির্যাতন করে অর্থ আদায়ের বিষয়টি নিয়ে দেশব্যাপী তোলপাড় এবং সর্বত্র প্রতিবাদ দেখা দেয়ার পর রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রীসহ পুলিশপ্রধান গণমাধ্যমে এ ব্যাপারে পুলিশকে জনবান্ধব আচরণের নির্দেশনা দেয়ার পরও কোনোভাবেই থামছে না পুলিশি হয়রানি। আরো ব্যাপক ক্ষমতা পাওয়ার পর দিন দিন আরো বেপরোয়া হয়ে উঠছে পুলিশ। অবৈধ উপার্জনের জন্য দেশজুড়েই থানা ও ডিবি পুলিশ ধনাঢ্য ব্যক্তিদের ধরে নিয়ে মাদক ব্যবসায়ী বা বিএনপি-জামায়াত-জঙ্গি সাজানোর হুমকি দিয়ে মোটা অংকের টাকা আদায় করছে।”সেবাই পুলিশের ধর্ম” প্রতিটি থানার সামনে লেখা থাকলেও কার্যত পুলিশের সেবা নেয়া তো দূরের কথা এখন পুলিশের কাছ থেকে ক্ষতিকর কিছু থেকেই মানুষ বাঁচতে চায়। ধনাঢ্য ব্যবসায়ী থেকে সাধারণ মানুষকে ধরে নির্যাতন করে অবৈধভাবে টাকা আদায় পুলিশের এখন নিয়মিত কাজে পরিণত হওয়ায় এখন জনমনে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। অবৈধভাবে অর্থ কামাইয়ে পুলিশের নির্যাতন ও অপরাধ বেড়ে যাওয়া নিয়ে মানবাধিকার এবং বিশিষ্টজনেরা বলেন, সাধারণ মানুষকে নির্যাতন করে পুলিশ পার পেয়ে যেতে পারে বলেই বারবার এমনটি ঘটছে। জানা গেছে, নানা অভিযোগে ঢাকা মহানগরে কর্মরত পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে দৈনিক প্রায় ২০টি অভিযোগ জমা পড়ছে আদালত, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, পুলিশ সদর দফতর, ডিএমপি কমিশনারের কার্যালয়সহ ঢাকা মহানগর পুলিশের বিভিন্ন বিভাগ, জোন ও থানায়। এর ভয়াবহতা আরো সুস্পষ্ট হয় ডিএমপি পুলিশ কমিশনারের এক অফিস আদেশে। সেই আদেশে কতিপয় পুলিশ সদস্যের সাম্প্র্রতিক বিভিন্ন বিতর্কিত কর্মকান্ড তুলে ধরে ঢাকার সব ইউনিট ইনচার্জকে তাদের অধীনে কর্মরত পুলিশ সদস্যদের চালচলন, আচরণ, কর্মকান্ড প্রভৃতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণে রাখতে নির্দেশ দেয়া হয়। একই সঙ্গে পুলিশকে সংশোধন করতে নিয়মিত কাউন্সিলিংও করা হচ্ছে। মানবাধিকার কমিশন থেকে সম্প্রতি পুলিশের পক্ষ থেকে ডিসিসির কর্মকর্তাকে নির্যাতনের সময়ে ‘মাছের রাজা ইলিশ, দেশের রাজা পুলিশ’ বলে যে ঔদ্ধত্যপূর্ণ উক্তি করা হয়েছে তা একটি ভয়ানক উক্তি। দেশে যে অবস্থা চলছে তা এখনই রুদ্ধ করা না হলে, দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেয়া না হলে দেশের সাধারণ মানুষ নিরাপত্তাহীনতায় ভুগবে, যার পরিণতি ভালো হবে না। এরপরও থামছে না তল্লাশির নামে পুলিশি হয়রানিও বাণিজ্য।সর্বশেষ বৃহস্পতি বার আমি আমার বন্ধুসহ রাজধানীর হাউজবিল্ডিং নর্থ টাওয়ারের পাশ দিয়ে রাত এগারোটায় জরুরী কাজে যাওয়ার সময় কিছু খারাপ মেয়ে মানুষ ডাকতেছিল পাশে আমি আমার বন্ধু কৌতূহল বশত দাড়ায় কিছু প্রশ্ন করি খারাপ মেয়ে মানুষটাকে এমন সময় বেলাল নামের এক পুলিশ ইনচার্জ আমাদের আটক করে বলে ব্যাটারা কি ব্যপার কি যাবি আমরা বলি যে আবদুল্লাহ্ পুর যাবো বলে কি করিস বললাম যে ছাত্র তারপর আমার বন্ধুর মোবাইলটা নিয়ে নেয় তার পর বলে কন্টাক্ট করতেছিস দেখি তোর কোন বাপ তোদের বাঁচায় তারপর আমরা কি অপরাধ করে বলতে আমাদের দুজনকে ধাপ্পড় মারা শুরু করল আর বরে সাইডে চল সব বুঝাবো তারপর আমাদের তল্লাশি করতে চাইল পরে তল্লাসি না করে রাস্তার সাইডে পড়ে থাকা তিনটা কি চারটা কনডম আমাকে তুলতে বলেন তিনি। আমি তো তুলি না পড়ে নিজেই তুলে নিল আর বলার এগুলা তোদের আর আমি তোর পকেট থেকে পাইছি, বড় নেশা জাগছে না। আমরা বুঝে গেলাম যে এটা পুলিশ কিছু উপার্জনের পথ খুজছে তখন আমি আমার এক পরিচিত ভাইকে ফোন দেই তিনি আমর্ড পুলিশে কর্মরত। পরে তিনি আসার পর পর অনাকে বিভিন্নরকম মিথ্যা কথা বুঝিয়ে আমাদের ছেড়ে দেন। এই যদি হয় পুলিশের আচার আচরন তাহলে জনগন কিভাবে পুলিশের ওপর বিশ্বাস রাখবে??