ক্যাটেগরিঃ স্বাধিকার চেতনা

পুলিশ অফিসারদের লেখা বই পড়া আমার একটি নেশা। এটাকে একটা বাতিকও বলতে পারেন। দেশি বলেন আর বিদেশি বলেন, পুলিশ অফিসারদের লেখা আত্নজীবনীমূলক গ্রন্থ পেলে আমি তা গো-গ্রাসে গিলতে থাকি।

আজ যে বইটি পড়লাম তা প্রাক্তন ডিআইজি জনাব সফিকউল্লাহ্‌ সাহেবের লেখা। ২০০৫ সালে প্রকাশিত হলেও বইটি মাত্র গত কালই আমি হাতে পাই। ইন্সপেক্টর জেনারেল মহোদয়ের কোন বই উপহার দেওয়া হলে তা তার পি,এস এর কক্ষে একটি সু-দৃশ্য বুক সেল্ফে রাখা হয়। গতকাল পি, এস অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শাহ জালালের কক্ষে গিয়ে খুঁজতে খুঁজতে জনাব সফিকউল্লাহর লিখা এই বইটি পেয়ে যাই। ২০০৮ সালের ১২ই মার্চ তিনি তৎকালীন ইন্সপেক্টর জেনারেল জনাব নূর মোহাম্মদকে নিজ স্বাক্ষর দিয়ে বই খানা উপহার দিয়েছিলেন।

জনাব সফিকউল্লাহর বাড়ি নোয়াখালী জেলার ধীতপুর গ্রামে। আমি ২০০৯-১০ সালে নোয়াখালী জেলায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলাম। সে সময় ডিআইজি সফিকউল্লাহ আমাদের পুলিশ লাইন্স পুকুরে মাছ ধরার জন্য মাঝে মধ্যেই আসতেন। তখন তার সাথে পরিচয় হয়েছিল। এ সময় তিনি অবশ্য অবসর থেকে চুক্তিভিক্তিতে জাতীয় গোয়েন্দা বিভাগের পরিচালক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। আমি জানতাম, তিনি একজন মুক্তিযোদ্ধা । কিন্তু মুক্তিযুদ্ধে তার অবদান সম্পর্কে তেমন কিছুই জানতাম না। আজ তার লেখা ‘আপন আয়নায় একাত্তর’ বইটি পড়ে তার নিজের ও সেই সাথে মুক্তিযুদ্ধের ১১ নম্বর সেক্টর ও সে সেক্টরের মানকারচর সাবসেক্টরের মুক্তিযুদ্ধের একটি পরিষ্কার চিত্র পেলাম। এর পাশাপাশি ১১ নম্বর সেক্টরের অধিনায়ক মেজর (পরবর্তীতে কর্নেল) আবু তাহেরের আহত হওয়ার কাহিনীটিও বিস্তারিত জানলাম।

জনাব সফিকউল্লাহ প্রথমে কুমিল্লাস্থ পলিটেকনিক্যাল ইন্সটিটিউটের ইন্সট্রাক্টর পদে চাকরী জীবন শুরু করেন। পরে চলে আসেন ঢাকা পলিটেকনিক্যাল কলেজে। এর পর তিনি পাকিস্তান বিমান বাহিনীতে শিক্ষা বিভাগের ইন্সট্রাক্টর হিসেবে যোগদান করে পশ্চিম পাকিস্তানে চলে যান। ১৯৭১ সালের মার্চের উত্তাল দিনগুলোতে তিনি ঢাকায় ছুটিতে ছিলেন। কিন্তু ক্রমেই তিনি বুঝতে পারেন, পশ্চিম পাকিস্তানে ফিরে যাওয়া তার উচিত নয়। তিনি স্থানীয় ছাত্রনেতাদের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করেন। পরে বিষয়টি সামরিক কর্তৃপক্ষ বুঝতে পেরে তাকে অন্য একজন বাঙালি সহকর্মীসহ নজর বন্দি করে রাখে এবং জোরপূর্বক পাকিস্তানে পাঠানোর চেষ্টা করে। কিন্তু জনাব সফিকউল্লাহ তার অন্য একজন সহকর্মীসহ সামরিক হেফাজত থেকে পালিয়ে আসতে সক্ষম হন। পরে তিনি ২৫ মার্চের পরে আত্নীয় পরিজনসহ ঢাকা ত্যাগ করে তার জন্মস্থান নোয়াখালী জেলায় চলে যান। এ সময় তিনি স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাদের সহায়তায় নোয়াখালীতে মুক্তিযোদ্ধাদের সংগঠিত করে নোয়াখালীকে প্রথম দিকে পাক সেনা মুক্ত রাখতে সক্ষম হন। পরে কুমিল্লা সেনানিবাস থেকে পাক বাহিনী ক্রমশ নোয়াখালীর দিকে অগ্রসর হতে থাকলে তার অধীন মুক্তিযোদ্ধাগণ তাদের বিরুদ্ধে অভিযান চালাতে থাকে। এই সময় তিনি ভারতের অবস্থানরত মেজর খালেদ মোশারফের সাথে সংযোগ স্থাপন করে কিছু অস্ত্রশস্ত্র ও বিস্ফোরক সংগ্রহ করেন।

 

কিন্তু এক সময় এই সব—শেষ হয়ে গেলে তিনি তার অধীন কিছু মুক্তিযোদ্ধাকে সাথে নিয়ে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম সীমান্ত দিয়ে ত্রিপুরায় প্রবেশ করেন এবং শেষ পর্যন্ত মেজর তাহের এর নেতৃত্বে ১১ নম্বর সেক্টর গেরিলা যুদ্ধের অন্যতম অপারেশন ও গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহের দায়িত্ব পালন করেন। তিনি মানকারচর সাবসেক্টরে বিভিন্ন অবস্থানে দায়িত্ব পালন করেন। তার কর্মস্থল বর্তমান কুড়িগ্রাম ও গাইবান্ধা জেলার ব্রহ্মপুত্র, যমুনা ও এগুলোর শাখা-প্রশাখার তীরবর্তী অঞ্চলে বিস্তৃত ছিল। দেশ স্বাধীন হলে জনাব সফিকউল্লাহ পূনরায় বিমানবাহিনীতে ফেরত যান। তবে ১৯৭৩ সালের প্রথম বিসিএস পরীক্ষার মাধ্যমে বাংলাদেশ পুলিশে এএসপি হিসেবে যোগদান করেন।

‘আপন আয়নায় একাত্তর’ মূলত একটি মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচারণমূলক বই। এ বইতে লেখক মূলত তার মুক্তিযুদ্ধে জড়িত হওয়ার প্রেক্ষাপট, বিভিন্ন রনাঙ্গণে তার উপস্থিতি কিংবা অভিযানের পরিকল্পনা তৈরি ইত্যাদি বিষয় বর্ণনা করেছেন। এ সাথে যোগ হয়েছে দেশের সে সময়ের পরিচিত রাজনৈতিক ঘটনার বর্ণনা। এ সব বর্ণনার অধিকাংশই বিভিন্ন উৎস থেকে নেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক বই বলে এতে লেখকের ব্যক্তিগত জীবনের সামান্য ঘটনাই প্রকাশিত হয়েছে। বলতে কি  বইটি পড়ে শুধু ১৯৭৩ সালে পুলিশ বাহিনীতে যোগদান পর্যন্তই তার ব্যক্তিগত জীবন সম্পর্কে জানা যায়। লেখকের পরবর্তী জীবনের কাহিনী জানার কৌতূহল তাই পাঠকের অন্তরে থেকেই যায়। মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস হিসেবে এ গ্রন্থটির কয়েকটি দিক বিশেষ ভাবে উল্লেখযোগ্য-

 

ক) যেসব নিবেদিত প্রাণ দেশ প্রেমিক তাদের দেশের অভ্যন্তর থেকেই দেশকে হানাদার মুক্ত করার চেষ্টা করেছিলেন জনাব সফিকউল্লাহ তাদের মধ্যে অন্যতম। হয়তো উপযুক্ত পরিবেশ থাকলে জনাব সফিকউল্লাহর নেতৃত্বে নোয়াখালীতে একটি আলাদা কমান্ডের মুক্তি বাহিনী পরিচালিত হতে পারত। তখন তিনি কাদের সিদ্দিকী,  মেজর জিয়াউদ্দিন কিংবা হেমায়েত হোসেনের মতো কেউ হতে পারতেন।

 

খ) খোদ মুক্তিযোদ্ধাদের লেখা হলেও সব লেখাই মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস হয়ে যায় না। আর নেতৃত্ব পর্যায়ে থাকলেই নেতা হওয়াও যায় না। কর্নেল তাহের এন্টি পারসনাল মাইনে একটি  পা হারিয়ে যখন ভারতে চিকিৎসাধীন ছিলেন, তখন ফ্লাইট লে. হামিদুল্লাহ খান ১১ নং সেক্টরের সবচেয়ে সিনিয়র অফিসার ছিলেন। স্বাভাবিকভাবে তিনিই সেক্টরের দায়িত্ব পান।

 

কিন্তু সেক্টর কমান্ডার হিসেবে জনাব হামিদুল্লাহ খানকে লেখক উচ্চ মূল্যায়ন কনেননি। সফিকউল্লাহর মতে হামিদুল্লাহ ছিলেন দুর্বল ব্যক্তিত্বের মানুষ। তার অতিমাত্রায় পারিবারিক আকর্ষণ তাকে নেতৃত্বের আসনে বসার উপযুক্ত হতে দেয়নি। তিনি তার জুনিয়র এক ক্যাপ্টেনকে সেক্টরের দায়িত্ব দিয়ে নিজে পারিবারিক জীবন-যাপনে অভ্যস্ত হয়ে পড়েন। তা ছাড়া মুক্তিযোদ্ধা রুস্তমের সাফল্য থেকে অর্জিত যে ২ লাখ ৯২ হাজার টাকা এবং এক কেজি স্বর্ণের হেফাজতও তিনি করতে পারেননি। লেখকের বর্ণনায় অবশ্য বিষয়টির সঠিক সুরাহা হয়নি। জামালপুরে ভারতীয় সেনাবাহিনী তাদের খরচ মেটানোর জন্য যখন সরকারি কোষাগার ভাংতে উদ্যত হয়, তখন জনাব হামিদুল্লাহ এ টাকা ও সোনা ভারতীয় সেনাবাহিনীর হাতে তুলে দিয়ে সরকারি ট্রেজারি রক্ষা করেছিলেন বলে তার যে বক্তব্য তা অবশ্য কেউই বিশ্বাস করেনি। সেক্ষেত্রে এ অর্থ আত্নসাতের বাইরে অন্য কোন অপসন থাকে না। তবে লেখক সেই কথা স্পষ্ট করে বলেননি।

তবে এ কথাও সঠিক যে ফ্লাইট লে. হামিদুল্লাহ সরকারি কাগজপত্রে নানা স্থানে সেক্টর কমান্ডার হিসেবেই পরিচিত রয়েছেন। পরবর্তীতে তিনি একটি বইও লিখেছেন। মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস(২০১২)। বইটি জনাব সফিকউল্লাহর বইটির পরে লেখা হয়েছে। কিন্তু তার বিরুদ্ধে জনাব সফিকউল্লাহর এই অর্থ আত্মসাতের কোন প্রতিবাদ নেই।

 

গ) ‘আপন আয়নায় একাত্তর’ থেকে মুক্তিযোদ্ধাদের বীরত্বের কাহিনী যেমন জানা যায়, তেমনি জানা যায় রাজাকার আল বদর বাহিনীর অত্যাচারের কাহিনীও। তার নিজ এলাকা ও ১১ নং সেক্টরের অপারেশন এলাকার বীর মুক্তিযোদ্ধাদের বীরত্বের বাহিনীর অনেকেই জানেন না। তেমনি নবীন সমাজ রাজাকার আর পাকবাহিনীর সহায়তাকারীদের ধুর্ততার ইতিহাসও অনেকেই জানেন না। এই বই পড়ে আমরা যেমন , রস্তম আলী খন্দকার , মাহবুব এলাহী রঞ্জু,  কর্পোরাল রশিদ এর বীরত্বপূর্ণ অভিযানের কথা জানতে পারি তেমনি জানতে পারি সাইফুল ইসলাম সাজার মতো প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধাদের পাকবাহিনীর কাছে দলবলে আত্নসমর্পণ করে মুক্তিযোদ্ধাদের গোপন তথ্য শত্রুর কাছ ফাঁস করে দেওয়ার তথ্যও।

মুক্তিযোদ্ধারা কে কোথায় যুদ্ধ করেছেন, কিভাবে যুদ্ধ করেছেন তা অবশ্য সাধারণভাবে জানা যায়। কিন্তু রাজাকার বা স্বাধীনতা বিরোধীগণ কে কোথায়, কিভাবে দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করেছে তার ইতিহাস খুব বিস্তারিতভাবে লিখিত হয়নি। কিন্তু লেখকের এই বই থেকে আমরা বেশ কিছু স্বাধীনতা বিরোধী শান্তি কমিটি বা আলবদরের উত্থান, বিরোধীতা এবং সর্বশেষ তাদের স্বাধীন দেশে ভিন্ন চরিত্রের গল্প জানতে পারি। কাশেম চোরা কিভাবে চাঁদার অর্থ মেরে শিল্পপতি হল, তার ছেলেরা কোথায় কার সরকারের মন্ত্রী হল, ছিরু রাজাকারের শেষ পর্যন্ত কি হল -এই সবের সামান্য হলেও কিছু কাহিনী এখানে বিবৃত রয়েছে।

 

বইটিতে সর্বশেষ বীর মুক্তিযোদ্ধা, রুস্তমের মর্মান্তিক হত্যাকান্ডের তথ্য পাঠকদের মনে ক্ষোভ সম্বলিত করুণার সৃষ্টি করবে। এই সেই রস্তম যে মহিমাগঞ্জ সুগার মিলে পাকিস্তান বাহিনীর উপর অতর্কিতে হামলা চালিয়ে অনেক খান সেনাকে হত্যা করেছিল। ০৫ জন পাক সেনা ও ৩ জন ইপিক্যাপকে জীবিত গ্রেফতার করে পাক বাহিনীর সমস্ত অস্ত্র, গোলাবারুদ ও রসদ হস্তগত করেছিল। সেই সাথে মহিমাগঞ্জ পাকিস্তান ন্যাশনাল ব্যাংকের শাখা থেকে ২,৯২,০০০ টাকা ও এক কেজি সোনা সংগ্রহ করেছিল। এই সব অর্থ সম্পদ সে বাংলাদেশের প্রবাসী সরকারের হাতে সমর্পণ করার জন্য উদ্বেল হয়ে পড়েছিলেন। কিন্তু পরবর্তীতে স্বাধীন দেশে ১৯৭৬ সালে তাকে দেশদ্রোহীর কলংক দিয়ে সরকারি বাহিনীর হাতেই জীবন দিতে হয়েছিল। এমন কি তার লাশটিও পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়নি। অথচ বিশ্বাসঘাতক সাজা রাজাকার বহাল তরিয়তে স্বাধীন দেশে রাজনীতি করেছে। কোন কোন রাজনৈতিক দলের জেলা পর্যায়ে নেতৃত্বও দিয়েছে। এমনিভাবে বেশ কিছু রাজাকার বা স্বাধীনতা বিরোধীর সন্ধান আমরা ‘আপন আয়নায় একাত্তর’ বইতে পাব।

 

একজন কিশোর মুক্তিযোদ্ধা তারার সন্ধান পাওয়া যাবে এই বইতে। চিলমারী অপারেশনে যাওয়ার সময় মুক্তিযোদ্ধা তারার বয়স ছিল ১৩/১৪ বছর। ঘুঘুমারীর চর থেকে অপারেশন এলাকার দিকে চূড়ান্ত যাত্রায় অল্প বয়সের কারণে তারাকে অভিযাত্রী দল সাথে নিচ্ছিল না। কিন্তু মুক্তি পাগল তারা যুদ্ধে যাবেই। তাকে সঙ্গে না নেওয়ার জন্য তিনি কান্না জুড়ে দেয়। কিন্তু তারপর যখন তাকে তীরে রেখে নৌকা ছাড়ে তখন আবেগাপ্লুত তারা নৌকার উদ্দেশ্যে তীর থেকে লাফ দেয় এবং নদীতে পড়ে যায়। তখন এই কিশোরের যুদ্ধজয়ের উন্মত্তা সহ্য করতে না পেরে মুক্তিযোদ্ধা দলটি তারাকে তাদের সাথে নিয়ে যায়। কর্নেল তাহের পরিচালিত চিলমারী অপারেশনের কাট-আপ পার্টিতে তারার দল অংশ নেয়। কিশোরের মনোবল গোটা দলকে আরো বেশি উজ্জীবীত করে। তবে এই কিশোর তারার পরবর্তী অবস্থার বর্ণনা বইতে নেই। এমনকি লেখক অতিরিক্ত ডিআইজি হয়ে যখন এই সব স্থান পরিদর্শন করেন ও তার প্রাক্তন সহযোদ্ধাদের সাথে মিলিত হওয়ার বর্ণনা দেন, তখনও তারাকে আমরা দেখতে পাই না।

দেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে প্রাণবাজি রেখে যারা যুদ্ধ করেছেন, তাদের কাজে এ জাতি এমনিতেই ঋণী। কিন্তু জনাব সফিকউল্লার কাছে আমরা আরো বেশি ঋণী ‘আপন আয়নায় একাত্তরের’ মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাবলীর ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা চিত্রায়নের জন্য। লেখক এখনও জীবিত রয়েছেন। তার লেখার হাত অতি চমৎকার। তাই আমরা আশা করব তার একটি সম্পূর্ন আত্নজীবনীর জন্য যেখানে তার জীবনের সকল গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার বিবরণ ও বিশ্লেষণ থাকবে। আপন আয়নায় একাত্তর দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে সম্মৃদ্ধ করেছেন। তার একটি সম্পূর্ণ আত্নজীবনী বাংলাদেশ পুলিশকে সম্মৃদ্ধ করবে। ১৮/০৯/২০১৩