ক্যাটেগরিঃ আইন-শৃংখলা

রাস্তার যানজট, বিশ্ববিদ্যালয়ের সেসনজট কিংবা সরকারি দফতরে ফাইলজটের মতো বিচারিক আদালতে মামলার বিচারজট আমাদের জাতীয় জীবনের একটি বড় সমস্যা। যানজট আমাদের প্রাত্যহিক জীবনে ভোগান্তি বাড়ায়। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সেসনজট আমাদের তরুণদের জীবন থেকে মূল্যবান সময় কেড়ে নেয়। কিন্তু আদালতে মামলারজট আমাদের সরকার বা রাষ্ট্রের কার্যকারিতাকেই প্রশ্নের সম্মুখিন করে। কেননা, বিচার ব্যবস্থা রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্বের অঙ্গীকার। বহিঃশত্রুর হাত থেকে রাষ্ট্রকে রক্ষার পরেই রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ সার্বভৌমত্ব অধীক্ষেত্রের বিচার ব্যবস্থার উপর নিয়ন্ত্রণ ও দক্ষতার উপর নির্ভর বরে।

 

এটা অনস্বীকার্য যে দেশের ফৌজদারি বিচার ব্যবস্থাই শুধু নয়, গোটা ফৌজদারি বিচার ব্যবস্থায় আজ মামলাজটের কারণে ভেস্তে যাওয়ার দ্বারপ্রান্তে উপনিত হয়েছে। প্রতিদিন বাংলাদেশ পুলিশের বিভিন্ন থানায় প্রায় ছয় শত মামলা মামলা রুজু হয়। এগুলো সবই ধর্তব্য অপরাধের মামলা। এর বাইরেও রয়েছে অর্ধতব্য ফৌজদারি মামলা ও সিআর আমলা। আদালতে রুজুকৃত মামলাগুলোর সঠিক পরিসংখ্যান আমার জানা নেই। এগুলোর বিচার বিভাগীয় অনুসন্ধান হতে পারে কিংবা আদালত কোন প্রকার অনুসন্ধান ছাড়াই অপরাধ আমলে নিয়ে প্রসেস ইসু করতে পারেন।

 

অন্যদিকে আদালতে রুজু হওয়া ধর্তব্য অপরাধের যে সকল মামলা পুলিশের কাছে তদন্তের জন্য পাঠানো হয়, বিশেষ করে নারী ও নির্যাতন দমন ট্রাইবুনাল, এসিড অপরাধ দমন ট্রাইবুনাল থেকে আসা ধর্তব্য অপরাধের মামলাসহ গোটা বছর পুলিশের খাতায় যে সব মামলা রুজু হয়, একই বছরে সে সব মামলার শতকরা ৮৫ ভাগের তদন্ত শেষ হয়। অর্থাৎ বছর শেষে পুলিশের কাছে তদন্ত মুলতবি মামলার শতকরা হার হল মাত্র ১৫।

 

কিন্তু আসল জটটি শুরু হয়, মামলা যখন তদন্ত শেষে প্রতিবেদন দেয়া হয়। এখানে একটি বিষয় প্রণিধানযোগ্য যে পুলিশের পরিসংখ্যানে উল্লেখিত মামলাগুলোর প্রায় ৪০% চূড়ান্ত প্রতিবেদনের মাধ্যমে শেষ হয়। অনেক সময় অধিকতর তদন্তের জন্য আসা চূড়ান্ত প্রতিবেদনের মামলাগুলো অভিযোগ পত্রের মাধ্যমে শেষ হয়। সেক্ষেত্রে আদালতের কাছে বিচারের জন্য প্রেরিত মামলার সংখ্যা পুলিশের খাতায় রুজুকৃত মোট মামলার ৬০% এর একটু বেশি হবে।

 

কিন্তু তারপরও আদালত মামলার ভারে জর্জরিত। আদালতের কাছে মুলতবি মামলার সংখ্যা নিয়ে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন তথ্য পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। সরকার ও বিচার বিভাগের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারাও নানা সময় পুঞ্জিভূত মামলার নানান অংক দিয়ে থাকেন। কিন্তু মুলতবি মামলার প্রকাশিত সংখ্যায় গরমিল থাকলেও সংখ্যাটি যে দুই লক্ষাধিক এ বিষয়ে সন্দেহ নেই। অনেক সূত্র দাবি করে এ মুহূর্ত থেকে যদি বাংলাদেশের থানা বা আদালতে মালা রুজু বন্ধ করে দেয়া হয়, তবুও আদালতের হাতে বিচারাধীন যে সব মামলা আছে সেগুলোর বিচার শেষ করতে প্রায ৮৫ বছর সময় লাগবে। তথ্যটি একটি অনুমান প্রকল্প হলেও আদালতে মামলা জটের ভয়াভয়তা প্রমাণের জন্য এটা একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।

 

আদালতে মামলার জট নিরসনের জন্য নানা মহল থেকে নানা ধরনের পরামর্শ ও দাওয়াই দেয়া হচ্ছে। কিন্তু প্রত্যেকেই বিষয়টিকে খণ্ডিতভাবে বিবেচনা করে নিজেদের বিশ্বাস, সীমিত অভিজ্ঞতা এমনি শ্রেণিস্বার্থকে সমুন্নত রেখেই এসব পরামর্শ দিচ্ছেন। তবে পরামর্শগুলোর সারমর্ম হবে নিম্নরূপঃ

  • বিচারকের সংখ্যা বৃদ্ধি করা,
  • সাক্ষী উপস্থাপনে পুলিশকে আরো বেশি তৎপর হওয়া,
  • সরকারি ও বিরোধী উভয় পক্ষের আইনজীবীদের মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য আন্তরিক হওয়া,
  • অধিক সংখ্যায় ও অধিক শ্রেণির মামলাকে সকল স্তরেই মীমাংসাযোগ্য করা,
  • দোষস্বীকারের জন্যে আসামীকে শাস্তির ক্ষেত্রে ছাড় দেয়া যাতে অভিযোগ গঠনের দিনই মামলাটির নিষ্পত্তি হয়,
  • সরকার পক্ষের মামলা পরিচালনার জন্য বর্তমানের রাজনৈতিক বিবেচনায় অস্থায়ী সরকারি কৌশলী নিয়োগের পরিবর্তে স্থায়ী প্রসিকিউশন ক্যাডার/সার্ভিস তৈরি,
  • বিচারক, পাবলিক প্রসিকিউটর ও পুলিশ কর্তৃপক্ষের সাথে সহযোগিতা বৃদ্ধি,
  • আদালতের দক্ষতা ও কার্যকারিতা বৃদ্ধি,
  • পুলিশের অপারেশন ও সাক্ষী উপস্থাপনের দক্ষতা বৃদ্ধি, ইত্যাদি ইত্যাদি।

সুপারিস বা পরামর্শগুলোর সবগুলোই আমল দেয়ার মতো। আদালত কোন মামলার বিচার করলেও আদালতের কাছে মামলাটি বিচারের জন্য প্রস্তুত করার মাঠ পর্যায়ের কাজটি করে মূলত পুলিশ অফিসারগণ। পুলিশ ফৌজদারি বিচার ব্যবস্থার দ্বারপ্রান্তে অবস্থান করে। বিচার প্রক্রিয়ার সূচনা থেকে শুরু করে, তদন্ত, প্রসিকিউশন, বিচারের জন্য মামলা প্রস্তুত করা, আদালতের সাক্ষী উপস্থাপন করা এবং সর্বশেষ শাস্তিপ্রাপ্ত আসামীকে গ্রেফতার করে জেলে পাঠিয়ে আদালতের রায় কার্যকর করা পর্যন্ত প্রত্যেটি পর্বেই পুলিশের ভূমিকা অপরিহার্য।

 

কিন্তু দুঃখের বিষয় মামলা জট কমানো বা ন্যায় বিচার নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে পুলিশের এ ঐতিহাসিক ভূমিকা প্রায়শই পরামর্শদাতা ও সংস্কারকর্মীদের বিবেচনার বাইরে রাখা হয়। এর ফলে যা হবার তাই হয়। মামলা জট কমানোর জন্য বড় বড় প্রকল্পগুলো শেষ পর্যন্ত মুখ থুবড়ে পড়ে। এতে দেশি-বিদেশি অর্থের শ্রাদ্ধ হলেও মামলা কমে না।

 

আদালতে মামলা জট কমানোর জন্য প্রাথমিক পদক্ষেপটি নেয়া উচিৎ তৃণমূল পর্যায়ে। গ্রাম বা ইউনিয়ন পর্যায়ে এর জন্য অবশ্য কিছু আইনী ও বিধিবদ্ধ সনাতনী ব্যবস্থা রয়েছে। এ গুলোর কিছু কিছু আনুষ্ঠানিক হলেও অধিকাংশই অনানুষ্ঠানিক। গ্রামের মাতব্বর-মুরব্বি, পঞ্চায়েত এমন কি বর্তমানের দলীয় নেতাকর্মীগণও প্রাথমিক পর্যায়ে কোন বিরোধের অনানুষ্ঠানিক নিষ্পত্তিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

 

অধুনা বাংলাদেশ পুলিশ সারা দেশে কমিউনিটি পুলিশিং ব্যবস্থা চালু করেছে। কমিউনিটি পুলিশিং এর মূলনীতি হল অপরাধের অন্তর্নিহিত কারণগুলো খুঁজে বের করে জনগণের সহায়তায় সেগুলোর সমস্যার সমাধান করা। এর অন্যতম নীতি হল, বিরোধ নিষ্পত্তি করা। কমিউনিটি পুলিশিং ফোরামগুলো বেশ কিছু অপরাধমূলক ও বিরোধপূর্ণ ঘটনায় হস্তক্ষেপেতর মাধ্যমে সেগুলো শুরুতেই নিষ্পত্তি করতে পারে। দেশের বিভিন্ন স্থানে পুলিশ অফিসারদের তত্ত্বাবধান ও উৎসাহে এমন ধরনের বিরোধ নিষ্পত্তির ঘটনা ঘটছে। এর ফলে থানা বা আদালতে অনেক বিষয়েই নিয়মিত মামলা রুজু হয় না।পুলিশ অফিসারদের বিরোধ নিষ্পত্তি ও মীমাংসার বিষয়টি বর্তমানে বাদী-বিবাদী উভয় পক্ষই কায়মনে কামনা করে।

 

মামলা জট কমানোর ক্ষেত্রে আনুষ্ঠানিক ব্যবস্থা হিসেবে বর্তমানে গ্রাম আদালত একটি আলোচিত সরকারি উদ্যোগ। গ্রাম আদালত ইউনিয়ন পরিষদের  নির্বাচিত প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে গঠিত পাঁশ সদস্যের একটি আইনী আদালত সাধারণত  যার প্রধান থাকেন ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচিত চেয়োরম্যান। ২৫ হাজার টাকা পর্য ন্ত আর্থিক সংশ্লিষ্টতা সম্পন্ন ফৌজদারি মামলাসহ দণ্ড বিধির অধীন বেশ কিছু অপরাধের বিচার গ্রাম আদালতে সম্পন্ন হতে পারে। কিন্তু রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় নির্বাচিত যে কোন পরিষদের মতো  ইউনিয়ন পরিষদের প্রতি সাধারণ আস্থাহীনতার জন্য গ্রাম আদালত কার্যকর হতে পারছে না।

 

অধুনা বিচারের নীতি হিসেবে পুনর্ভরণমূলক(Restorative) বিচারের কথা বলা হচ্ছে। এ ব্যবস্থায় বাদী ও বিবাদীদের সম্মতিক্রমে কোন সংঘটিত অপরাধমূলক ঘটনার ফলে উদ্ভূত ক্ষতি বিবাদী পক্ষ কর্তৃক পুষিয়ে দেয়ার ব্যবস্থা করা হয়। অপরাধী তার দায় স্বীকার করে ক্ষতিপূরণ দিতে রাজি হয়। অন্যদিকে ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষ ক্ষতিপূরণ গ্রহণের শর্তে বিষয়টি কমিউনিটি স্তরেই মীমাংসা করতে রাজি হয়।  এ ক্ষেত্রে আনুষ্ঠানিক বিচার কাঠামোতে প্রবেশের পূর্বেই মামলাটির নিষ্পত্তি হয়। আর এই নিষ্পত্তিতে বাদী-বিবাদী ও কমিউনিটির মানুষ প্রত্যক্ষভাবে অংশগ্রহণ করে। পুলিশ অফিসারগণ এখানে বিচার প্রক্রিয়ার সূচনাকারী, প্রভাবক, মধ্যস্ততাকারী ও অভিভাবক হিসেবে কাজ করেন। গ্রেট ব্রিটেনের বেশি কিছু পুলিশ অধীক্ষেত্রে যেমন নরফোর্ক পুলিশ বিভাগে এধরনের বিচার ব্যবস্থার অনুশীলন হচ্ছে।

 

মামলাজট পাকানোতে আদালতে সরকারি ও বিরোধী উভয় পক্ষের কৌশুলীদের যথেষ্ঠ অবদান রয়েছে। নিন্দুকেরা বলে থাকেন আইনজীবীগণ চান না তার মক্কেলের মামলাটি দ্রুত নিষ্পত্তি হোক। কারণ, একটি মামলার নিষ্পত্তিহয়ে যাওয়া মানেই হল উকিল সাহেব একজন মক্কেল হারালেন। অনেকে বলেন, একজন মক্কেল উকিলের কাছে দুধাল গাইয়ের মতো। মক্কেলের মামলা নিষ্পত্তি করা মানেই হল দুধ দেয়া গাইটির গলায় ছুরি চালান।

 

দেশের বিচার ব্যবস্থার অন্যতম অনুসঙ্গ হল আইনজীবীগণ। কিন্তু আইনজীবীগণ প্রত্যক্ষভাবে দলীয় রাজনীতিতে জড়িত। তাই দলীয় রাজনীতির যত বদগুণ আছে সেগুলোর সবই আইনজীবী মহলে বিদ্যমান। হরতাল, ধর্মঘট, দলীয় কর্মসূচি ইত্যাদির সবগুলোই বিচার ব্যবস্থাকে স্থবির করে দেয়। হরতালে অফিসে কাজ হয়, যোগাযোগ ব্যবস্থাও চালু থাকে। কিন্তু সম্পূর্ণ বন্ধ থাকে আদালতের বিচার কার্য। আসামী-ফরিয়াদী, বিচারক সাক্ষী সবাই আদালতে উপস্থিত থাকলেও আইনজীবীদের সে সময় আদালতে পাওয়া যায় না। তাই আদালতে বিচারক সংখ্যা বৃদ্ধি করলেও এ সমস্যা অব্যহত থাকলে মামলা জট খোলার সম্ভাবনা কম।

 

বাংলাদেশ পুলিশ অর্গানোগ্রামে কোর্ট পুলিশ বলে একটি শাখা রয়েছে। জেলা পর্যায়ে এক জন পুলিশ পরিদর্শক ও মেট্রোপলিটন পুলিশে একজ অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার কিংবা সহকারি পুলিশ কমিশনার এ ইউনট পরিচালনা করে থাকে। বাংলাদেশে রুজুকৃত ফৌজদারি মামলাগুলো বিচারের জন্য প্রস্তুত করার ক্ষেত্রে সিংহভাগ কাজ করে এ কোর্ট পুলিশ। সবচেয়ে বড় কথা ছিল ২০০৮ সালের পূর্ব পর্যন্ত নিম্ন আদালতে কোর্টের সাব-ইন্সপেক্টরগণ সরকারি আইনজীবীর ভূমিকা পালন করত। তদন্তাধীন মামলায় গ্রেফতারকৃত আসামীদের ব্যাপারে আদালতে নথি উপস্থাপন, রিমান্ডের আবেদন শুনানীতে তদন্তকারী কর্মকর্তার পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন কোর্ট সিএসআইগণই করত।

 

কোর্টের পুলিশের আর একট গুরুত্বপূর্ণ কাজ ছিল আদালতে সাক্ষ্য দিতে আসা সরকারি পক্ষের সাক্ষীদের হাজিরা নিশ্চিত করা, তাদের নাম ঠিকানা আদালতে নথিভুক্ত করা। এ ক্ষেত্রে তারা সরকারের পক্ষে সাক্ষ্য দিতে আসা সাক্ষীদের আদালতে গাইড হিসেবে কাজ করত। কিন্তু বর্তমানে সকল প্রকার মামলা পরিচালনার ভার সরকারের রাজনৈতিক বিবেচনায় অস্থায়ীভাবে নিয়োজিত এপিপিপি/পিপিদের হাতে। কিন্তু কোর্ট পুলিশ আর সরকারি কৌশুলীদের মধ্যে সমঝোতার অভাব, ভূমিকার অস্পষ্ঠতা সর্বোপরি অস্থায়ীভাবে নিয়োগকৃত সরকারি কৌশুলীদের অবহেলা, অদক্ষতা ও অস্থায়ীত্বের জন্য আদালতে মামলার জট শুধু বিচারিক পর্যায়েই নয়, তদন্ত ও আমলী পর্যায়েও বিস্তৃত হয়েছে।

 

বিচারের দীর্ঘসূত্রতা বিচারকে অস্বীকার করারই সামীল। কিন্তু বাংলাদেশের বিচার ব্যবস্থার দীর্ঘসূত্রতা অসহনীয় ও উন্নত দেশগুলো  কাছে তা অকল্পনীয়। ফৌজদারি মামলায় সাজার হারের নিম্নহারের প্রধানতম কারণ যে বিচারে সীমাহীন দীর্ঘসূত্রতা তা হয়তো কেউই অস্বীকার করবেন না।

 

অনস্বীকার্য যে বিচারের দীর্ঘসূত্রতা কাটিয়ে উঠতে সরকার বেশি কিছু বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন। যাদের মধ্যে দ্রুতি বিচার ট্রাইবুনালসহ বিভিন্ন অপরাধের জন্য গঠিত পৃথক পৃথক ট্রাইবুনাল। কিন্তু সমস্যার গোড়ায় হাত না দিয়ে কোন পকার বিকল্প ব্যবস্থাই চূড়ান্ত বিচারে ফলপ্রসূ হবে না। তাই পুলিশ থেকে শুরু করে বিচার ব্যবস্থার সাথে সম্পর্কিত সকল ক্ষেত্রেই একযোগে সংস্কার কর্ম পরিচালনা করতে হবে। (রংপুর, ১১ নভেম্বর, ২০১৪)