ক্যাটেগরিঃ নাগরিক মত-অমত

বিজ্ঞজনরা মনে করেন, মানুষের অধঃপতনের পিছনে তিনটি বস্তু কোন না কোনভাবে ক্রিয়াশীল থাকে। এগুলোকে ইংরেজি নামের অদ্যাক্ষর ব্যবহার করে ‘থ্রি ডাব্লিউ’ বলা হয়। এগুলো হল, মদ (ওয়াইন), সম্পদ (ওয়েলথ) ও নারী (উইমেন)। কিন্তু পৃথিবীর অনেক জাতির কাছে এগুলোর সাথে একটি  চতুর্থ শব্দ যুক্ত হয়েছে। এটা হল, ‘এ’ (আর্মস) । সম্পদের জন্য যুদ্ধ হয় বটে, তবে এর জন্য সহজে কেউ রাজ্যহীন হয় না। কিন্তু মদ ও স্ত্রী লোক (যাকে অশ্লীল অর্থে মাগি বলা হয়), প্রায়সই রাজ্যহরণের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। কেউ রাজ্য হারায় নারীকে ছিনিয়ে আনার জন্য, কেউ হারায় তাকে উদ্ধার করার জন্য, কেউ বা রাজ্যহারা হয়, নারীর প্ররোচনায়। আলোচ্য প্রবন্ধে আমরা মদ, মাগী আর আস্ত্রের কথাই বলব।

 

মদ-মাগীর গোলকধাঁধার  প্রথম ধাপেই আসা যাক বাংলাদেশে আগ্রাসন পরিচালনাকারী পাক জেনারেলদের কথায়।  পাক জেনারেলগণ মদ-মাগীর নেশায় জাত-ধর্ম-রাষ্ট্র সবই খুইয়েছিলেন। মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচারণমূলক ‘যুদ্ধে যুদ্ধে স্বাধীনতা’ নামক বইয়ের শুরুতেই মেজর (অবঃ) নাসির উদ্দিন এ সম্পর্কে সুন্দর অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেছেন। লেখক তার সামরিক জীবনের শুরুতেই এক মদ্যপ পাক কর্নেলের পল্লায় পড়েন। তিনি মদ ছাড়া পৃথিবীতে অন্য কিছুর উপর তেমন বিশ্বাসই করতেন না। লেখক প্রথম দিন রংপুর ক্যান্টনমেন্টে কর্নেল সগিরের সাথে দেখা করতে গেলে তার প্রথম প্রশ্নই ছিল, তোমার পছন্দের পানীয় কি? তরুণ অফিসার উত্তর দিলেন, তার পছন্দের পানীয় আর যাই হোক মদ নয়।

 

‘‘এ কথায় আবার আমার দিকে তাকালেন কর্নেল সাগির। কুঞ্চিক ভ্রূ। চোখেমুখে এক ধরনের বিস্ময়। কিছুটা তাচ্ছিল্যের স্বরে বললেন, হার্ড ড্রিংকসে অভ্যস্ত নয় এমন ধরনের অফিসার কাজ করার সুযোগ আমার রেজিমেন্ট নেই। চাওতো আমি তোমাকে অন্যত্র বদলির ব্যবস্থা করে দিতে পারি। কথা বলা করে উত্তরের প্রত্যাশায় কর্নেল আমার দিকে উৎসুক চোকে তাকিয়ে রইলেন। বিস্ময়ের ঘোর  আমার তখনো কাটেনি। অসহায়ের মতো আমিও তার দিকে তাকিয়ে থাকলাম। সম্বিত ফিরে পেলাম প্রস্থানের নির্দেশে।[১]

এর পরবর্তীতে লেখক পাক সেনাবাহিনীর অভ্যান্তরের মদ-মাগী বিষয়ক যে বর্ণনা দিয়েছেন তা আরো বেশি ভয়ংকর। পর মুহূর্তেই তিনি জেনেছিলে যে সেনা অফিসার মেসের নৈশকালীন অনুষ্ঠানে তখনো শেষ হয়নি। আরো একটি পর্যায় বাকি রয়ে গেছে, এখনই যার শুরু।

‘‘নেশায় ডুবুডুবু বেসামাল পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ সেনাবাহিনীর অফিসারদের একেকজন অপ্সরীদের একেকটিকে সাথে করে অস্পষ্ট আলোয় সযত্নে নিজ নিজ আশ্রয়ে চলে যেতে শুরু করলো।[২]

পাক জেনারেলদের মদ প্রীতির  আরও একটি হাস্যকর উদাহরণ দিয়েছেন মেজর (অবঃ) হাফিজ উদ্দিন আহম্মদ বীর বিক্রম তার ‘রক্তেভেজা একাত্তর’ বইতে। লেখক ক্যাপ্টেন পদে দায়িত্ব পালনকালীন ১৯৭০ সালের নভেম্বরের  প্রলংকারী ঘুর্নঝড়ের পরে জরুরি ত্রাণ কাজে ভোলা জেলায় কর্মরত ছিলেন। ঐ সময় সামরিক জান্তা ইয়াহিয়া খাঁন নাকি দুর্গত এলাকা পরিদর্শনে আসবেন। ইয়াহিয়ার আপ্যায়নের দায়িত্বে নিয়োজিত ক্যাপ্টেন  নিসার লেখকের কোর্স মেইট। তিনি ‘ব্লাক ডগ‘ ব্রান্ডের হুইস্কি সংগ্রহের জন্য পাগল হয়ে উঠেছিলেন। কিন্তু বাঙালি অফিসার হাফিজ ব্লাক ডগ বলতে আক্ষরিক অর্থে কাল কুত্তা বুঝলে পাক ক্যাপ্টেন মন্তব্য করেনঃ

আরে ব্ল্যাকডগ হলো একটা হুইস্কির নাম, আমাদের প্রেসিডেন্টের (ইয়াহিয়া খানের ) ফেবারিট মাল এটি। পরশুদিন ত্রাণকার্যের অগ্রগতি স্বচক্ষে জরিপ করার জন্য তিনি তোমার ওখানে তশরিফ  আনবেন। মধ্যাহ্ন ভোজন সারবেন আমাদের এখানে (পটুয়াখালাী), তাই নৌকরি ঠিক রাখতে হলে কালো কুকুর চাই-ই আমাদের’ , জানালেন, ক্যাপ্টেন নিসার।[৩]

জেনারেল আমীর আব্দুল্লাহ খাঁন নিয়াজীকে কে না চিনেন? ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিকেলে সারা বিশ্বের সামনে নতজানু হয়ে যিনি ভারত-বাংলাদেশ যৌথ বাহিনীর কাছে নির্লজ্জভাবে আত্মসমর্পণের দলিলে স্বাক্ষর করেছেলেন। মদ-মাগীর ব্যাপারে তিনি ছিলেন আরো বেশি খোলামেলা। এমনকি তিনি আত্ম সমর্পণ করার অনুষ্ঠানের পূর্বক্ষণেও যৌথবাহিনীর জেনারেল জ্যাকবের কাছেও নারী বিষয়ক অশ্লীল কৌতূকের অবতারণা করেছিলেন। জেনারেল খাদিম হোসেন রাজার কাছ থেকে নিয়াজি যখন  পাক-ভারতযুদ্ধের পূর্ব কমান্ডের দায়িত্ব গ্রহণ করেন তখন তার পূর্বসুরির কাছ থেকে যুদ্ধ পরিচালনা বিষয়ক কোন উপদেশ বা পরামর্শই তিনি গ্রহণ করেন নি। তিনি জেনারেল খাদিকমকে বলেছিলেনঃ

‘রাখ তোমার ওসব কথা। ওসবে আমার দরকার নেই।আমরা ওগুলো ঠিক করে নিব। এখন তুমি তোমার বাঙালি গার্লফ্রেন্ডদের নাম-নম্বর-ঠিকানাগুলো আমাকে দাও’।[৪]

জেনারেল খাদির রাজা এর চেয়েও বড় গূঢ় তথ্য দিয়েছেন পাক প্রেসিডেন্ড ইয়াহিয়া সম্পর্কে। মদ তো তার নিত্য সঙ্গি ছিলই। তার সঙ্গি ছিল মাগীরাও। ঢাকায় ইয়াহিয়াহ আসলেই তার প্রাসাদে মাগীদের আনাগোনা চলত। আবার পশ্চিম পাকিস্তানের সুন্দরিদেরও সরবরাহ চলত। আর বিষয়টি শুধু গুজবই ছিল না। গোয়েন্দাদের মাধ্যমে তার সত্যতাও যাচাই হয়েছিল।

 

বলা বাহল্য, একটি মুসলিম দেশের সেনাবাহিনীতে মদ-মাগীর বাড়াবাড়ি থাকার কথা নয়। কিন্তু পাক জেনারেলগণ এতটাই ইসলাম বিকৃত ছিল যে যুদ্ধের ময়দানেও তারা এ দুই বস্তু ছাড়া বেঁচে থাকতেই পারতো না। তাই যা হবার তাই হয়েছে। পাক জেনারেলগণ বেঁচে ছিলেন, কিন্তু তাদের গর্বের পাকিস্তান মরে গিয়েছিল।

 

মদ ইসলামে নিষিদ্ধ। তবে এটা ইসলামের প্রাথমিক পর্যায়ে নিষিদ্ধ ছিলনা। কিন্তু মদের ঘোর এতটাই নাছোড় বান্দা যে এটা পবিত্র এবাদত খানা পর্যন্ত যাওয়া শুরু করল। তাই আল্লাহর নির্দেশ আসলঃ

হে ইমানদারগন, তোমরা যখন নেশাগ্রস্থ থাক, তখন নামাজের কাছেও যেওনা, যতক্ষননা তোমরা যা বলছ তা বুঝতে সক্ষম হও।[৫]

কিংবা

‘হে মুমিনগণ, এই যে মদ, জুয়া এবং ভাগ্য-নির্ধারক শরসমূহ শয়তানের কাজ বৈ অন্য কিছু নয়। অতএব, এগুলো থেকে দূরে থাক; যাতে তোমরা কল্যাণপ্রাপ্ত হও।’[৬]

মহানবী(স) ঘোষণা করলেনঃ

‘‘যদি কেউ মদ পান করে, আল্লাহ তার চল্লিশ দিনের নামাজ কবুল করেন না। আর যদি এ অবস্থায় সে মৃত্যুবরণ করে; তবে সে জাহান্নামি হবে।’[৭]

কিন্তু ইসলামে নিষিদ্ধ হলে কি হবে? তথাকথিত ইসলামী শাসনের ধ্বজাধারী অনেক রাজা-বাদশাই এ নিষিদ্ধ  বস্তুতে বুঁদ হয়ে থাকতেন। অথচ মহানবী (সঃ) জীবদ্দশায় তো দূরের কথা, এমনকি চার খলিফার শাশনকালেও মুসলিম শাসকদের কোন দরবার বা পরিষদের কেউ মদপানে অভ্যস্ত ছিলেন না। মদ্যপানকারীদের কঠিন শাস্তির আওতায় আনা হত।  কিন্তু ক্রমান্বয়ে ইসলামের প্রকৃত শিক্ষা থেকে ‍দূরে সরে গিয়ে মুসলিম শাসকদের অনেকেই ও তাদের আশ্রিত-আগলিত রাজরাজড়াগণ নিষিদ্ধ মদের প্রতি ঝুঁকে পড়ে।

 

পাক জেনারেলদের বাংলাদেশের মুক্তিবাহিনীর হাতে পরাজয়ের পর পাকিস্তানের করাচিতে যে বিক্ষোভ হয়েছিল তাতে আপামর পাকিস্তানিদের প্রধানতম অভিযোগই ছিল জেনারেলদের মদ প্রীতির বিরুদ্ধে। তারা মনে করতেন মদের নেশায় বুঁদ হয়েছিল বলেই পাকিস্তান বাহিনী মুক্তিযুদ্ধে গোহারা হেরেছে।।

 

পাশ্চাত্য জগত মদের উপর ভাসছে বলে আমরা অনেকেই বিশ্বাস করি।  বলাবাহুল, আমাদের এ বিশ্বাস একেবারে অহেতুক নয়। গড়পড়তায় বলতে গেলে পাশ্চাত্যবাসীরা মদপূর্ণ পানীয় ছাড়া চলতেই পারেন না। কিন্তু মদের ক্ষতিকারক দিকগুলো জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই স্বীকার করেন। তাই বিভিন্ন সময় পাশ্চাত্য জগতেও মদের বিরুদ্ধে খড়্গ হস্ত হতে দেখা যায়।

 

আমেরিকার যুক্তরাষ্ট্র গত শতাব্দীর প্রথমার্ধে, বিশেষ করে বিশের দশকে মাদক দ্রব্যের উৎপাদন সংরক্ষণ, পরিবহন ও ব্যবহারের উপর বেশ কড়াকড়ি আরোপ করে। কিন্তু আমেরিকা  সমাজ যাদের প্রতি এতটাই আসক্ত যে যাদের উপর বিধি নিষেধ আরোপ অধিকাংশ নাগরিকই মেনে নিলনা। বৈধ পথে মদ প্রপ্তি সম্ভব নয় বলে নাগরিকগণ অবৈধ পথে মদ সংগ্রহ শুরু করলেন। এই সুযোগে মদের অবৈধ ব্যবসার প্রচার বেড়ে গেল। শুরু হল আন্ডার ওয়ার্ন্ডের ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দ্বন্দ্ব। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে যুদ্ধ করার জন্য আল কেপুনের মতো গড ফাদারগণও তৈরি হল।

 

বলতে কি আমেরিকায় আধুনিক স্টাইলে যে সংঘবদ্ধ অপরাধ বা অর্গানাইজড ক্রাইমের উত্থান ও প্রসার দেখি তার মূল রয়েছে কিন্তু আমেরিকা সেই প্রহিবিশান কালে (১৯২০-১৯৩৩) যখন মদের উপর কঠোর বিধি-বিষেধ আরোপ করা হয়েছিল। যা হোক আমেরিকানদের মদের লোভের কাছে শেষ পর্যন্ত সরকার হার মেনেছিল এবং মদের উপর থেকে কড়াকড়ি ব্যবস্থা তুলে নিয়ে তথাকথিত প্রহিবিশন প্রিয়ডের অবসান ঘটিয়েছিল।[৮]

 

আমেরিকান সমাজে মদের পাশাপাশি অস্ত্রের নেশাও প্রচুর। শতকরা ৯০% আমেরিকান নাগরিকের হাতেই আগ্নেয়াস্ত্র রয়েছে।[৯] আগ্নেয়াস্ত্র সাথে রাখা ও বহনন করা আমেরিকানদের মৌলিক ও মানবাধিকারের অংশ। তারা মনে করে তাদের সংবিধানের দ্বিতীয় ও চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে রাষ্ট্র এটা নিশ্চিত করেছে। সামান্য কিছু বিধি নিশেধ ছাড়া সকল আমেরিকানই আগ্নেয়াস্ত্রের মালিক হতে পারে।[১০]

 

কিন্তু সাধারণ বিশ্বাস মতে, কোন অস্ত্রকে বিশেষ করে আগ্নেয়াস্ত্রকে বিশবাস করা যায় না। কারণ এটা শত্রু-মিত্র বোঝে না। অস্ত্র দিয়ে যতটা আত্মরক্ষা করা যায় তার চেয়েও বেশি আত্মহত্যা করা যায়। বৈধ আস্ত্রের অবৈধ ব্যবহার সর্বজনবিদিত। তাই পৃথিবীর অনেক দেশেই আগ্নেয়াস্ত্রকে যত্রতত্রভাবে ব্যবহারের সুযোগ দেয় না। এমন কি ব্রিটিশ নাগরিকদের অধিকাংশিই অস্ত্রের মালিক হতে অনীহা প্রকাশ করেন। তারা নিজেদের বাসায় আগ্নেয়াস্ত্র রাখাকে সাপ, বাঘ, কুমির হত্যাদির মতো ভয়ংকর পশু-প্রাণী পোষার মতোই উদ্ভট বলে শখ মনে করেন।[১১]

 

যদি বলা হয়, মদ ও অস্ত্রের মধ্যে আমেরিকানরা কোনটাকে বেশি প্রাধান্য দিবেন। এ প্রশ্নের সরাসরি উত্তর হয়তো পাওয়া যাবে না। তারা দুটোর প্রতিই সমান গুরুত্ব দিবেন। কিন্তু আমেরিকার নীতি নির্ধারকগণ অবশ্য এর একটা বিহিত করবেন। কিন্তু আমেরিকার যুক্তরাষ্ট্রের অনেক প্রতিষ্ঠানই আছেন যেখানে প্রকারান্তরে মদের চেয়ে অস্ত্রকেই প্রাধান্য দেয়া হবে।
এর কারণ সম্ভবত এই যে অস্ত্র আত্মহত্যার বা হত্যার কাজে ব্যবহৃত হলেও তা মানুষকে আত্মহারা করে না। কিন্তু মদ মানুষকে আত্মহারা করে। মদের নেশায় মানুষ আর মানুষে থাকে না। আমেরিকার ফেডারেল বুরো অব ইনভেস্টিগেশন (এফবিআই) এর কর্মকর্তা কর্মচারীদের অস্ত্র বিষয়ে উন্নত মানের প্রশিক্ষণ দেয়া হয়। তাদের প্রশিক্ষণ একাডেমিতে সকল প্রকার অস্ত্রের প্রবেশাধিকার রয়েছে। অস্ত্রাগারেও রয়েছে ভাল মওজুদ। কিন্তু অস্ত্রের মওজুদ থাকলেও তাদের প্রশিক্ষণ একাডেমিতে মদ পরিপূর্ণভাবে নিষিদ্ধ।[১২] কারণ তারা অস্ত্রকে বিশ্বাস করলেও মদকে বিশ্বাস করে না। তাই আসুন আমরা মদকে পরিহার করি।

সূত্রাবলীঃ

১.যুদ্ধে যুদ্ধে স্বাধীনতা; মেজর(অব) নাসির উদ্দিন,

২. ঐ

৩. রক্ষে ভেজা একাত্তর; মেজার (অব) হাফিজ উদ্দিন আহমদ

৪. A Stranger in My Own Country East Pakistan, 1969-1971; Major General (Redt) Khadim Hussain Raja, UPL, Bangladesh Edition(2012)

৫.সূরা আন-নিসা আয়াত;-৪৩

৬.সুরা মায়িদা-৯০

৭. মুসলিম শরীফ

৮. http://www.history.com/topics/prohibition as on 20 April, 2015 at 14:00 hours

৯.http://en.wikipedia.org/wiki/Number_of_guns_per_capita_by_country; as on 20 April, 2015 at 14:00 hours

১০. http://en.wikipedia.org/wiki/Gun_politics_in_the_United_States;as on 20 April, 2015 at 14:00 hours

১১. Changing Policing Theories for 21st Century Societies by Charles Edwards 

১২. ঐ