পুরো বিষয়টি আপনি অত্যন্ত প্রজ্ঞা, পরিমিতিবোধ এবং বিচক্ষনতার সাথে সামলেছেন। হতে পারে লিখিত পদক্ষেপ ব্যাতীত মৌখিক আলোচনা বা প্রেষনার (মটিভেশন) মাধ্যমে সেই ইন্সপেকটর নিজেকে শোধরাবেন। কিন্তু তার ঠিক উল্টোটাও হতে পারে। বিশেষ করে তিনি যদি সাধারণ যোগ্যতার বাইরে “বিশেষ” কোন যোগ্যতা বা পরিচয়ে পুলিশের চাকুরী পেয়ে থাকেন, তবে তিনি নিজেকে আরো অধরা হিসেবে মনে করবেন এবং ভবিষ্যতে আরো বেপরোয়া হয়ে উঠবেন।
ধন্যবাদ, এলডোরাডো। আমি মনে করি, সমস্যা রয়েছে। তাই সমস্যা সমাধানের পথ খুঁজে বের করতে হবে। আর সেটা বের করতে হবে আমাদেরই। আমার এ লিখাটি সমস্যাটিকে তুলে ধরার জন্যই। সমাধানের যে পথ আমি দেখিয়েছি তা একমাত্র বা অপরিহার্য নয়। তবে এটা অন্যতম পথ।
আপনার সঙ্গে সহমত। কিন্তু এই দুরব্যাবহারের জন্য যদি কঠোর শাস্তির বিধান থাকত সকল ক্ষেত্রে সকল প্রশাসনে সকল পদের, তাহলে সকল মানুষ স্বাভাবিক ভাবে চলতে কোন সমস্যার সম্মুখিন হবে না। দেখা জেত আজ মানবতা ফুলন্ঠিত হতনা। সকলের সমান সহবস্থান হত।
রাজ্জাক ভাই নিজের বাহিনী নিয়ে অকপট সত্য বলার জন্য ধন্যবাদ আপনাকে। পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে পুলিশের সঙ্গে প্রতিদিনই মিশতে হয় অামার, কথা বলতে হয়। খুব কাছ থেকে পুলিশের কার্যক্রম দেখি। আপনার পুরো লেখাটার সঙ্গে আমি একমত। তবে পুলিশে আমার চেনা অনেক ভালো কর্মকর্তা রয়েছেন। যাদের আচরণ ভালো থেকে শুরু করে সবই ভালো।
হ্যাঁ আমি সুযোগ পেলেই পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বলি-যতদিন কনস্টেবল থেকে পরিদর্শক মর্যাদার পুলিশ সদস্যদের আচরণ বদলাবে না, ততদিনে পুলিশের র্দুনামও ঘুচবে না। পুলিশের কতিপয় সদস্য নিয়ে আপনার মতো অনেক তিক্ত অভিজ্ঞতা রয়েছে আমার ঝুলিতে। না, কোন অনৈতিক সুবিধা নিতে গিয়ে নয়, আইন অনুযায়ী প্রাপ্য সুবিধা নিতে গিয়ে দশ ঘাটের জল খেতে হয়। অবশ্য কাজ শেষে পরিচয় দিলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার মন্তব্য আর আফসোস-আগে পরিচয় দেবেন তো ভাই! 😆
এলডোরাডো বলেছেনঃ
পুরো বিষয়টি আপনি অত্যন্ত প্রজ্ঞা, পরিমিতিবোধ এবং বিচক্ষনতার সাথে সামলেছেন। হতে পারে লিখিত পদক্ষেপ ব্যাতীত মৌখিক আলোচনা বা প্রেষনার (মটিভেশন) মাধ্যমে সেই ইন্সপেকটর নিজেকে শোধরাবেন। কিন্তু তার ঠিক উল্টোটাও হতে পারে। বিশেষ করে তিনি যদি সাধারণ যোগ্যতার বাইরে “বিশেষ” কোন যোগ্যতা বা পরিচয়ে পুলিশের চাকুরী পেয়ে থাকেন, তবে তিনি নিজেকে আরো অধরা হিসেবে মনে করবেন এবং ভবিষ্যতে আরো বেপরোয়া হয়ে উঠবেন।
মোঃ আব্দুর রাজ্জাক বলেছেনঃ
ধন্যবাদ, এলডোরাডো। আমি মনে করি, সমস্যা রয়েছে। তাই সমস্যা সমাধানের পথ খুঁজে বের করতে হবে। আর সেটা বের করতে হবে আমাদেরই। আমার এ লিখাটি সমস্যাটিকে তুলে ধরার জন্যই। সমাধানের যে পথ আমি দেখিয়েছি তা একমাত্র বা অপরিহার্য নয়। তবে এটা অন্যতম পথ।
মজিবর রহমান বলেছেনঃ
আপনার সঙ্গে সহমত। কিন্তু এই দুরব্যাবহারের জন্য যদি কঠোর শাস্তির বিধান থাকত সকল ক্ষেত্রে সকল প্রশাসনে সকল পদের, তাহলে সকল মানুষ স্বাভাবিক ভাবে চলতে কোন সমস্যার সম্মুখিন হবে না। দেখা জেত আজ মানবতা ফুলন্ঠিত হতনা। সকলের সমান সহবস্থান হত।
অাতাউর রহমান বলেছেনঃ
রাজ্জাক ভাই নিজের বাহিনী নিয়ে অকপট সত্য বলার জন্য ধন্যবাদ আপনাকে। পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে পুলিশের সঙ্গে প্রতিদিনই মিশতে হয় অামার, কথা বলতে হয়। খুব কাছ থেকে পুলিশের কার্যক্রম দেখি। আপনার পুরো লেখাটার সঙ্গে আমি একমত। তবে পুলিশে আমার চেনা অনেক ভালো কর্মকর্তা রয়েছেন। যাদের আচরণ ভালো থেকে শুরু করে সবই ভালো।
হ্যাঁ আমি সুযোগ পেলেই পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বলি-যতদিন কনস্টেবল থেকে পরিদর্শক মর্যাদার পুলিশ সদস্যদের আচরণ বদলাবে না, ততদিনে পুলিশের র্দুনামও ঘুচবে না। পুলিশের কতিপয় সদস্য নিয়ে আপনার মতো অনেক তিক্ত অভিজ্ঞতা রয়েছে আমার ঝুলিতে। না, কোন অনৈতিক সুবিধা নিতে গিয়ে নয়, আইন অনুযায়ী প্রাপ্য সুবিধা নিতে গিয়ে দশ ঘাটের জল খেতে হয়। অবশ্য কাজ শেষে পরিচয় দিলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার মন্তব্য আর আফসোস-আগে পরিচয় দেবেন তো ভাই! 😆