নেপালি ভাষা শেখার কৌশল হিসেবে কিছু কিছু নেপালি ছায়াছবি দেখেছি। নাটক বা ছায়াছবির সংলাপগুলো রপ্ত করলে ভোষা শেখার কাজটা অনেকটাই সহজ হয়। কোন পরিস্থিতিতে কোন কথা বলতে হবে, কিভাবে বলতে হবে নাটক বা সিনেমার সংলাপগুলো লক্ষ করলেই তা অতি সহজে আয়ত্ব করা যায়।
ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি নেপালি ছায়াছবি দেখেছি। আমার মতে এগুলো সবই ছিল বাণিজ্যিক দিক দিয়ে ভাল। কিন্তু অাজ দেখলাম ‘ঝোলা’ নামের একটি ছবি। ছবির বিষয়বস্তু কি নামটা দেখে প্রথমে বোঝার উপায় ছিল না।
গল্পের শুরুতেই দেখা গেল একজন ছা-পোষা কেরানি তার অফিস থেকে সাইকেলে করে বাসায় ফিরছেন। পথে এক স্থানে মানুষের জটলা দেখে তিনি জানতে চান কি ঘটেছে সেখানে। তাকে এক জন পথিক জানাল, রাস্তার উপর পড়ে থাকা একটি ঝোলার মধ্যে নাকি বোমা আছে। ঝোলার স্থানটি পুলিশ কর্ডন করে রেখেছে। উত্তেজনা চলছে সারা শহরে।
ছা-পোষা কেরানি বাসায় এসে দেখেন একই ধরনের একটি লাল ঝোলা তার বাসার ঘরের কোন এক স্থানে ঝুলছে। তিনি তার স্ত্রীর কাছ থেকে জানতে চান এ ঝোলা তিনি কোথায় পেলেন। স্ত্রী উত্তর দিলেন একজন বৃদ্ধা সেটা এখানে ছেড়ে গেছেন। বৃদ্ধার কোন বাড়িঘর নেই।
এরপর কৌতুল বসত তিনি ঝোলাটি খুলে জিসিনপত্রগুলো দেখতে থাকেন। পেয়ে যান প্রাচীন হস্তলিপির একটি কাগজ। তার স্ত্রী মনে করেছিলেন হয় তো এটা ঝোলাওয়ালীর পরিবারিক কোষ্টী হবে। কিন্তু না। কেরানি কাগজের লেখাটি পড়ে যা পেলেন তা ভারতীয় উপমহাদেশের এক ভয়াবহ কুসংস্কারাচ্ছন্ন প্রথার কিছু খন্ডচিত্র। এই লেখায় একজন পুরুষ লিখছেন তার পরিবারের কথা তার সংসারের কথা। তার বাবার কথা যে কিনা তার মাকে রেখে মৃত্যু বরণ করেছিল। তাই তার মায়ের ভাগ্যেও জুটেছিল সহমরণের সামাজিক ও ধর্মীয় আদেশ। কিন্তু অলৌকিকভাবে তার মা বেঁচে যান যার আদ্যোপান্তের সাক্ষী এই লোকটি।
তার বাবার চল্লিশ বছ বয়সে অল্প বয়সী তার মা কাঞ্চিকে বিয়ে করেন তার বৃদ্ধ বাবা। তিনি এতই বৃদ্ধ ও অসুস্থ ছিলেন যে তার মার ঔরসে তিনিই প্রথম ও শেষ সন্তান। এর পর তার বাবার মৃত্যু হলে তার মাকে সামাজিক, ধর্মীয় ও প্রচলিত রীতি অনুসারে তার বাবার চিতার সাথেই দাহ করার ব্যবস্থা করা হয়। কিন্তু সময়টা ছিল রাত। স্থানটি ছিল একটি পাহাড়ী ঝরনার কাছে। সকল রীতি পালন করে চিতায় আগুন লাগান হয়। আগুন ধীরে ধীরে সতীরর শরীরে লাগতে থাকে। এ সময় রীতি অনুসারে দাহকারী জনতা ও পুরোহিত চিতার বিপরীত দিকে মুখ করে থাকে। রাতের অন্ধকারে এ সুযোগ কাঞ্চি পাহাড়ী ঝরনার তলে হ্রদ পেরিয়ে একটি গুহায় গিয়ে আশ্রয় নেন। তার শরীরে কোন কাপড় চোপড় নেই। কারণ বস্তুহীনা হয়েই চিতায় উঠতে হয়।
কয়েকদিন পর কাঞ্চির নাবালক ছেলে তার হারানো গরুর খোঁজে জঙ্গলে ঢোকে। এক সময় সে চলে আসে শ্মশানের কাছাকাছি। মনে পড়ে যায় তার জীবন্ত দগ্ধ মায়ের কথা। সে চিতার আসেপাশে আনমনে খুঁজতে থাকে তার মা কাঞ্চিকে।
পাহাড়ি গুহার কাছে এসে পৌঁছে বালক। সন্ধ্যার অাঁধারে গুহার মধ্যে একটি নারীমূর্তি দেখতে পায় সে। বালক ভাবতে থাকে- এই নারী মূর্তি নিশ্চয়ই তার মা। তবে সে নিঃসন্দেহ হতে পারে না সে। তাই অদম্য কৌতূহল নিয়ে পরদিন সূর্যের আলোতে সেই গুহার কাছে যায়। সে দেখতে পায় ওটা সত্যি সত্যিই তার মা। সন্তানকে কাছে পেয়ে স্নেহময়ী মা তাকে বুকে জড়িয়ে ধরে। তবে বালককে সাবধান করে দেয়, একথা যেন কাউকে না বলে। কারণ কাঞ্চির বেঁচে থাকার খবর জানাজানি হলে তাকে আবার চিতায় ওঠান হবে।
বালক বাড়ি ফিরে ঘটনাটি তার চাচীর কাছে বলে। চাচী কাঞ্চির জন্য কাপড়-চোপড় ও খাবার পাঠায়। খাবার খেতে খেতে অদূরে শ্বাশানে আবার লাশ পোড়ার বাদ্যযন্ত্রের করুন সুর শুনতে পায়। কাঞ্চি ও নাবালক ছেলে আড়াল থেকে দেখে তারই মতো অন্য এক যুবতী মেয়েকে স্বামীর চিতায় জ্বালান হচ্ছে। কিন্তু যুবতী চিতা থেকে উঠে প্রাণ বাঁচানোর জন্য দৌড় দিলে জনতা তাকে ধাওয়া করে আর পাথব নিক্ষেপ করে।যুবতী পাথরের আঘাতে অন্য একটি পাথরের উপর প্রাণ হারায়। তখন তার লাশটি আবার চিতায় চড়ান হয়।
ইতোমধ্যে কাঞ্চির কাছে তার জা ও ছোট দেবর চলে আসেন। কাঞ্চি ও তার নাবালক ছেলেকে কিছু পাথেয় দিয়ে গ্রাম ত্যাগ করার অনুরোধ করে তারা। কারণ কাঞ্চি এখনও জীবীত আছে- এ খবর জানতে পারলে গ্রামবাসী তাকে পুনরায় জীবন্ত জ্বালিয়ে দিবে। শুধু তাই নয়, এই কাঞ্চির অসামাজিক ও অধর্ম জন্য গোটা পরিবারকেই সামাজিক নির্যাতন সইতে হবে। এরপর কাঞ্চি তার নাবালক সন্তানকে নিয়ে অজানার উদ্দেশ্যে পাহাড়ি পথ পাড়ি দিতে শুরু করে।
এ পর্যায়ে ছবির কাহিনী আবার ফিরে আসে সেই কেরানির কাছে। দেখা যায় সে পুরাতন হস্তলিপিটি হাতে নিয়ে চোখের জল মোছে।তারপরে আমরা দেখি কেরানি তার ড্রয়িং রুমে মহাপুরুষদের ছবি সাজিয়ে রাখছেন যার মধ্যে সবচেয়ে দৃশ্যমান রূপে রাখা হয়েছে নেপালের সতীদাহ প্রথার বিরুদ্ধে সংগ্রামকারী মহাপুরুষ চন্দ্র সুমাস্যেরের ছবিটি। তার বৃদ্ধ মা জানতে চায় কেন সে এত বড় বড় মানুষের চেয়ে চন্দ্র সুমাস্যেরের ছবিটিকে এত দাম দিচ্ছে। তখন কেরানি তার বিধবা মাকে বলে, মা, তুমি যে আমার বাবার মৃত্যুর পরেও জীবীত আছ, সেটা এই লোকটির জন্যই। জানা যায় নেপালে সতীদাহ প্রথা ১৯২০ সাল পর্যন্ত প্রচলিত ছিল।
এই নেপালি ছবিটি ২০১৪ সালে মুক্তি পায়। মূল গল্পটি কৃঞ্চ ধারাবাসীর একই নামের একটি উপন্যাস থেকে নেয়া হয়েছে। ছবির নায়িকা গরিমা পান্টা ২০১৪ সালে শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী হিসেবে সার্ক ফিলম ফেস্টিভালের পুরস্কার জিতেছেন। আবার ৮৭ তম একাডেমি পুরস্কারের জন্য শ্রেষ্ঠ বিদেশি ছবি ক্যাটাগরিতে এটাকে ইতোমধ্যেই তালিকাভূক্ত করা হয়েছে।
ইতোমধ্যে আরো কিছু নেপালি ছায়াছবি আমি দেখেছি যেগুলোর মধ্যে বাণিজ্যিক মানের মারদাঙ্গা ও রোমান্টিক ছবিও আছে। আমার কাছে মনে হয়েছে নেপালি ছায়াছবির মান আমাদের বাংলাদেশের হাল আমলের ছায়াছবির চেয়ে ভাল। হতে পারে আমার ধারণা ভুল। কিন্তু আমাদের দেশের দর্শকরা যে পারতপক্ষে বাংলাদেশি বাংলা ছবি দেখতে সিনেমা হলে যান না কিংবা টেলিভিশনেও তেমন দেখেন না, সেটা তো সঠিক। (02 এপ্রিল 2016 শনিবার)
Source: https://www.youtube.com/watch?v=tvSSDYsOHxw

নিতাই বাবু বলেছেনঃ
সন্মানীত মোঃ আব্দুর রাজ্জাক সাহেব,আপনি নেপালী “ঝোলা”ছায়াছবির যে কাহিনী তুলে ধরেছেন সেটা হলো সতীদাহ প্রথার একটি কাহিনী মাত্র৷আসলে এই ভয়ংকর সতীদাহ প্রথা হচ্ছে হিন্দু ধর্মাবলম্বী বিধবা নারীদের স্বামীর চিতায় সহমরণে বা আত্মহুতি দেবার ঐতিহাসিক প্রথা যা রাজা রাম মোহন রায়ের একান্তিক প্রচেষ্টায় বন্ধ হয়৷আর রাজা রাম মোহন রায়ের জন্মস্থান ছিল ভারতের পশ্চিমবঙ্গের রাধানগর হুগলি জেলায়৷একমাত্র তিনি’ই ছিলেন এই ভয়ংকর সতীদাহ প্রথার বিরোধী৷ আর এই প্রথার প্রচলন গুপ্ত সাম্রাজ্যর(৪০০খৃষ্টাব্দে)পূর্ব হইতে৷ যাহা উকিপিডিয়া সন্ধানে পাওয়া যায়৷তবে দাদা বর্তমানকালে ও এই ভয়ংকর প্রথার কিছু আংশিক প্রথা এখনো আমাদের হিন্দুধর্মের সমাজে লেগে আছে এই বিধবা নারীদের বেলায়৷বিবাহের একদিন পরও যদি স্বামী মৃত্যুবরণ করে তবে ঐ নারীকে আর কেহ বিবাহ করিতে চায় না বা বিবাহ হয়ও না৷খুব কম সংখ্যক নারীদের কপাল গুনে বিবাহ হয়৷তবে জনাব,লেখার আরো অনেক ছিল,এই সতীদাহ প্রথার কাহিনী আমার এই ক্ষুদ্র মোবাইলে লিখে শেষ করা যাবেনা৷পরিশেষে এই সুন্দর পোষ্টখানার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ জানাচ্ছি৷ভাল থাকার জন্য কামনা করি সারাক্ষণ৷
মোঃ আব্দুর রাজ্জাক বলেছেনঃ
ধন্যবাদ, নিতাই বাবু। হ্যাঁ, সতীদাহ প্রথা সারা ভারতবর্ষ জুড়েই ছিল। তবে একটা বিষয় মনে হয়, অনেকেই জানেন না যে সম্রাট আকবর (১৫৪২-১৬০৫) সতীদাহ প্রথা বন্ধ করতে চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু পারেননি। তবে তিনি আদেশ জারি করেছিলেন যে জোর করে কাউকে সতী বানান যাবে না। যাতে বিধবাদের কেউ জোর করে চিতায় উঠাতে না পারে, তা নিবারণের জন্য তিনি তার গুপ্তচর ও পুলিশবাহিনীকে নির্দেশ দিয়েছিলেন।
কিন্তু সমস্যা ছিল উদ্ধারকৃত সতীদের কেউ আশ্রয় দিতে চায়নি। তাই সম্রাট সতীদের জন্য আশ্রম খুলেছিলেন যেখানে তাদের ভরণপোষণের ব্যবস্থা করা হত।
যাহোক, নেপালে এ প্রথা ১৯২০ সাল পর্যন্ত চালু ছিল। চন্দ্র সুমেস্সের এটা উচ্ছেদের জন্য প্রধান ভূমিকা পালন করেছিলেন।
আরো একটি বিষয় অনেকেই জানেন না। সতিদাহপ্রথা সরকারিভাবে উঠে যাবার পরেও কিন্তু এদেশে তার অনুশীলন গোপনে গোপনে চলত। কারণ এক শ্রেণির মানুষের কাছে সতীকে বাঁচিয়ে রাখাটা অর্থণৈতিকভাবে অলাভজনক ছিল। তাই তারা ধর্মের দোহাই দিয়ে তাকে হত্যা করত।
আমাদের মহিলা কবি কামিনী রায় (১৮৬৪-১৯৩৩) যে সতী হয়েছিলেন। তার খবর কিন্তু অনেকেই জানেন না।
নিতাই বাবু বলেছেনঃ
ধন্যবাদ জুলফিকার জুবায়ের দাদা,প্রত্যুত্তর খানা গ্রহণযোগ্য৷ধন্যবাদ দাদা এইরূপ সঠিক তত্ত্বদানে আপনার সর্বাঙ্গীণ মঙ্গল কামনা করি৷
সৈয়দ আশরাফ মহি-উদ্-দ্বীন বলেছেনঃ
রাজ্জাক ভাই,
সিনেমাটির গল্প খুবই হৃদয়গ্রাহী। সতীদাহ বিলোপ নিয়ে সম্রাট আকবরের যে ভুমিকা ছিল তা অনস্বীকার্য। তিনি শুধু আদেশ দিয়েই খান্ত হননি এমনকি নিজে শ্মশানে উপস্থিত থেকে অনেক বিধবাকে উদ্ধারও করেছেন। আকবর, চন্দ্র সুমাস্যের বা ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরদের মত মানুষদের কারণে আমাদের এই উপমহাদেশের সমাজের যে সংস্কার হয়েছে তা বর্তমান প্রজন্মের অনেকেই হয়ত জানে না।
আপনার লেখাগুলো আমি খুবই মনোযোগ দিয়ে পড়ি এবং অনেক কিছু শেখার চেষ্টা করি। ভালো থাকবেন সর্বদা।
ফারদিন ফেরদৌস বলেছেনঃ
মোঃ রাজ্জাক ভাই, আপনার ‘ঝোলা’ চলচ্চিত্রটির কাহিনী মনোযোগ দিয়ে পড়লাম অনুভব করলাম। সত্যি সেকালের মানুষেরা কি নির্মম নির্দয়ই না ছিল। যাক মহাপুরুষ চন্দ্র সুমাস্যের বা ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরদের মতো কিছু মানুষ পৃথিবীতে এসেছিলেন বলেই না আমরা কিছুটা সভ্য হতে শিখেছি।
সিনেমাটির লিংক দিয়েছেন, ভালো লাগল। সময় করে দেখব।
ভালো থাকবেন প্রিয় রাজ্জাক ভাই।
মোঃ আব্দুর রাজ্জাক বলেছেনঃ
আমি নেপালি ভাষা মোটামুটি আয়ত্ব করে ফেলেছি। কোন ছায়াছবি দেখলে তার প্রায় ৯৫% ই বুঝি। জানি না, আপনি বুঝবেন কি না। যে লিঙ্ক দিয়েছি ওখানে ইংরেজি সাবটাইটেল না থাকলে ইউটিউব থেকে সে রকম একটা বেছে নিতে পারবেন।
নুর ইসলাম রফিক বলেছেনঃ
তার মানে দাঁড়ালো আপনি নেপালে আছেন। এই প্রথাটা আগেও আমি বিভিন্ন লেখায় পড়েছি কিন্তু আপনার লেখাতে খুব বেশী মনোযোগ দিয়ে পড়েছি।
আসলে আমি নিজেই জানিনা কেন এতো মনোযোগী হলাম।
যাই হোক ঐ অমানবিক প্রথার মৃত্যু হয়েছে বহু আগে।
এখনো আমরা সভ্য জাতী। যদিও মানবতাহীন সভ্যতা হয়না। এই সভ্য যোগে মানবতা অনেক হ্রাস পাওয়ার পরও আমরা নিজেদেরকে সভ্য জানী বলে অহংকারে বুক ফুলাই।
ভাই আমাদের দেশেও অনেক গল্প নিরবর ছবি তৈরি হতো। কিন্তু বানিজ্যিক ভাবে সফল হতে পারেনা বলে এখন আর তৈরি হয়না।
এখন মাঝে মাঝে সরকারী অনুদানে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ে ছবি তৈরি হয়। তবে ছবি গুলি অধুনিক ও সময় উপযোগি করে তৈরি করে ফেলেন বলেই আলোচনার চেয়ে সমালোচনার মুখোমুখি হয় বেশী। যদিও সরকারী অনুদানে তৈরি তাই জাতীয় পুরস্কার তাদের মিস হয়না।
মোঃ আব্দুর রাজ্জাক বলেছেনঃ
নূর ইসলাম, ভাই। আমি নেপালে নই, ভাই। আমি এখন দক্ষিণ সুদানে আছি। এখানে পেশার খাতিরে নেপালের সশস্ত্র পুলিশদলের সাথে কাজ করতে হচ্ছে। আমি ওদের কাছ থেকেই নেপালি শিখছি।
জাকির হোসেইন বলেছেনঃ
শ্রদ্ধেয় রাজ্জাক ভাই, আপনার ভাষা শিক্ষার কারণে অনবদ্য এক সিনেমার কাহিনী জানলাম। ধর্মীয় কুসংষ্কারের বিরুদ্ধে এক প্রতিবাদ ছিল ” ঝোলা” সিনেমাটি। প্রকৃতপক্ষে তিনটি অমানবিক প্রথা ( সতীদাহ, সহমরণ ও জাত প্রথা) হিন্দু ধর্মকে ডুবাতে বসেছিল। এ কারনে বৌদ্ধ ধর্ম আবির্ভাবের সাথে সাথে বিপুল সংখ্যক জনগোষ্ঠী তা সাদরে গ্রহণ করেছিল। বৌদ্ধ ধর্ম প্রসারের আরেকটি কারণ ছিল, এর অহিংস মতবাদ।
আপনি ভাল থাকবেন, আপনার অসধারণ লেখাটি পড়ে খুব ভাল লাগল।