ক্যাটেগরিঃ আইন-শৃংখলা

কমিউনিটি পুলিশিং অপরাধ প্রতিরোধ ও সামাজিক বিশৃঙ্খলা রোধ করে কমিউনিটিতে বসবাসরত মানুষের জীবনমান উন্নয়নের জন্য কমিউনিটি সদস্য ও বিভিন্ন সরকারী, বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের সাথে যৌথ অংশীদারিত্ব প্রতিষ্ঠা করে। এই অংশীদারিত্বকে দু্ই ভাগে ভাগ করা হয়েছে, যথা-

১। কৌশলগত অংশীদারিত্ব ও
২। বাস্তবায়ন অংশীদারিত্ব।

কৌশলগত অংশীদারিত্বের তিনটি স্তরে দুইটি কমিটি ও দুইটি ক্রাইম প্রিভেনশন সেন্টার থাকবে। কমিটি গুলো হল,
১। মন্ত্রণালয়ে ”কমিউনিটি পুলিশিং জাতীয় উপদেষ্টা কমিটি” ও
২। পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে ”কমিউনিটি পুলিশিং জাতীয় সমন্বয় কমিটি” ।

অন্যদিকে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে থাকবে ক্রাইম পিভেনশন সেন্টার ও রেঞ্জ ডিআইজি অফিসে থাকবে বিভাগীয় ক্রাইম প্রিভেনশন সেন্টার।

বাস্তবায়ন পর্যায়ে পুলিশের সাংগঠনিক কাঠামোতে থাকবে দুইটি সেল। এদের একটি হল
১। জেলা বা মেট্রো কমিউনিটি পুলিশিং সেল এবং
২। থানা পর্যায়ে থাকবে থানা কমিউনিটি পুলিশিং সেল।

দেশের প্রতিটি জেলায় ও প্রতিটি মেট্রোপলিটন পুলিশ এলাকায় স্থাপন করা হয়েছে একটি করে জেলা/মেট্রো কমিউনিটি পুলিশিং সেল। জেলা/ মেট্রো কমিউনিটি পুলিশিং সেলগুলো বাস্তবায়ন পর্যায়ের সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ। বাস্তবায়ন পর্যায়ে কমিউনিটি পুলিশিং কার্যক্রমের মূখ্য কেন্দ্র হিসেবে এই সেলগুলো কাজ করবে। থানা পর্যায়ে স্থাপিত কমিউনিটি পুলিশিং সেল সমূহের কার্যক্রমের সমন্বয় সাধন করাই এ সেলের প্রধান কাজ। একজন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কিংবা সহকারী পুলিশ সুপার (হেডকোয়ার্টার্স) এর তত্ত্বাবধানে এ সেল পরিচালিত হবে।

কমিউনিটি পুলিশিং বাস্তবায়নের জন্য পুলিশ সুপারসহ অন্যান্য ঊর্ধতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনাসমূহ জেলা কমিউনিটি পুলিশিং সেলের মাধ্যমেই থানা পর্যায়ে প্রেরণ, এসবের বাস্তবায়নের অগ্রগতিসহ অন্যান্য নিয়মিত প্রতিবেদন গ্রহণ করা হবে। এই সেল কমিউনিটি পুলিশিং দর্শন ও এতদ্সম্পর্কিত নির্দেশনা প্রচার, জনমত তৈরী, পুলিশ, কমিউনিটি পুলিশিং ফোরাম এবং সাধারণ মানুষের জন্য ওরিয়েন্টেশন, প্রশিক্ষণ ও মতবিনিময় সভার আয়োজন করবে। জেলার কমিউনিটি পুলিশিং বিষয়ক যাবতীয় রেকর্ডপত্র সংরক্ষণসহ এ সম্পর্কে সকল প্রকার তথ্য ভান্ডার হিসেবেও জেলা কমিউনিটি পুলিশিং সেল কাজ করবে।