ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

 

বিশ্বজিৎ দাস স্বর্গে গেছেন। স্বর্গে যাওয়ার সার্টিফিকেট সবাই পায় না। কিন্তু বিশ্বজিৎ দাস সহজেই অর্জন করেছেন। পুরানো ঢাকার ঐ রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাবার কারণেই বিশ্বজিৎ দাস ওমন একটা সুযোগ পেয়েছেন। আর সুযোগ পেয়ে তাই হাতছাড়া করতে চাননি বিশ্বজিৎ।

ছাত্রলীগ তাঁর প্রাণ কেড়ে নিয়েছে। ছাত্রলীগকে জানাই শুভেচ্ছা। ছাত্রলীগের বুদ্ধিমান ছেলেরা সহজেই অনুধাবন করতে পারে-কার শরীরে জামাত এর রক্ত আর কার শরীরে আওয়ামীলীগের রক্ত। বিশ্বজিৎ বহন করছিল জামাতের রক্ত-এটা হাড়ে হাড়ে চিনেছিল ছাত্রলীগ।

তাই ছাত্রলীগের বুদ্ধিমান ছেলেরা বিশ্বজিৎকে দিনের আলোতে ধারালো চাপাটি দিয়ে সুন্দর করে কুপিয়ে হত্যা করেছে । এজন্য ছাত্রলীগের ছেলেরা প্রশংসার দাবিদার। মানুষ সহস্র পুণ্য করবার পর স্বর্গের টিকেট পায়। কিন্তু কী আশ্চর্য, বিশ্বজিতের এতো কষ্ট করবার কোনো প্রয়োজনই পড়ল না। বিশ্বজিৎকে তারা সুন্দর এক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে স্বর্গে পাঠিয়ে দিয়েছে।

বিশ্বজিৎ এখন স্বর্গসুখ অনুভব করছেন।ঐ রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলেন বলেই ওমন দুর্লভ একটা সুযোগ পেয়েছিলেন বিশ্বজিৎ। সবাই ভাগ্যবান না, বিশ্বজিৎ ভাগ্যবান। তাই বিশ্বজিতের জন্য আমি কেন কাঁদবো? আমি আর কাঁদবো না, আমি আর কাঁদবো না।