ক্যাটেগরিঃ স্বাধিকার চেতনা

রাতের বেলা বেশিক্ষন শাহবাগ থাকতে পারিনা, আমাকে বাসায় থাকতে হয় কারন আমার বাচ্চা গুলা ছোটো, তাই এই সময়টা টিভিতে শাহবাগ আন্দোলনের অগ্রগতি, টক শোতে বোদ্ধাদের আন্দোলন সম্পর্কে বিজ্ঞ মতামত দেখি , ভালোই লাগে কারন বেশীর ভাগ বিজ্ঞ জনেরা এই আন্দোলনের পক্ষে , সবাই যুদ্ধাপরাধীর ফাঁসী চায় । আবার কেঊ কেঊ ধড়ি মাছ না ছুই পানি টাইপের কথা বার্তাও বলে মানে পক্ষেও কয় না বিপক্ষেও কয় না । আর যারা আছে জামাতের শরিক দল তারা যে কি বলতে চায় তা বোধহয় তারা নিজেরাও জানেনা এই রকম এক জন ভদ্রলোক (?) শাহবাগ আন্দোলনকে ‘হিরোইজম’ বলে চালাতে চাচ্ছেন তিনি বললেন এই আন্দোলন নাকি শুধুই ‘হিরোইজম” এর খুব ভাল ফিউচার নাই। এই সব লোকগুলারে কি করতে যে টিভিতে আনে কথা বলার জন্য বুঝে পাইনা ন্যূন্যতম সেন্স বা নলেজ থাকলে তো এই ধরনে কথা বলার কথা না। হিরোইজম কারনে আমাদের প্রাপ্তি অসীম ——-

১৯৫২ সালে রফিক,সালাম,জব্বার, বরকতের মতো হিরোদের ‘হিরোইজম’ এর জন্য আমরা পেয়েছি নিজের ভাষায় কথা বলার অধিকার। ১৯৭১ সালে লক্ষ্য লক্ষ্য হিরোদের জন্য ( যাদের মধ্যে অনেকেই তাঁদের মা বাবা কে না বলে যুদ্ধে চলে গেছে, লক্ষ্য লক্ষ্য মা তাঁদের সন্তানদের যুদ্ধে পাঠাবার সময় বলেছেন , দেশ স্বাধীন না করে বাড়ি ফিরবে না ) আমরা পেয়াছি স্বাধীন বাংলাদেশ ।
২০১৩ সালের হিরোদের জন্য পাবো রাজাকার মুক্ত, পাকিস্তানের দালাল মুক্ত, অসাম্প্রদায়িক সুস্থ, সুন্দর আলোকিত বাংলাদেশ।

যুগে যুগে এই সকল হিরোরা হচ্ছে আমাদের প্রান, আমাদের চালিকা শক্তি । সেজন্য আসুন আমরা সবাই এক সাথে গলা মিলিয়ে বলি —
জয় হউক এই সকল হিরোদের
জয় হউক হিরোইজমের
জয় বাংলা, বাংলাদেশ দীর্ঘজীবী হউক ।