ক্যাটেগরিঃ নাগরিক সমস্যা

http://www.bangladesh-highcomkl.com খুব সহজে পেয়ে যাবেন web site টি।১টা কথা। Tourist ভিসা ফি কোন দেশের কত? দেখুন তো পান কি না এই ওয়েব সাইটে?

এ জন্যে ১> ১বার দূতাবাস-এ যাবেন জানবেন কি কি লাগে। কোন দেশের ভিসা ফি কত?
২> এর পর ওহো, “আপনার এই কাগজ টা ঠিক নেই।
৩> Application লিখুন। (আচছা কারু দরকার আছে বিধায় সে ভিসার জননে যাবে। এর মাঝে Application লিখে টাকা আর সময় ২টা নষট করার মানে কি? যে আমি ভিসা নিতে চাই। নাকি এতে উনাদের তেল বাড়ে?)
৪> Bank Draft কই? (এর জননে আবার টেক্সি ভাড়া দিয়ে যান KLCC. না হয় আমাদের দালাল ভাইরা আছেন না? উনাদের কাছে Bank Draft রেডি আছে। ৫ RM বেশি দেন। এই ভিসা ফি টা নেট এ দেয়া থাকলে মানুষ জাবার সময় Bank Draft করে নিয়ে যেতে পারেন। আহাম্মকির বিষয়টা এই খানে। আবার কিছু লোক online money transfer করেন।সেই কপিটা নিয়ে যান।উনারা এটা মানেন না। কিনতু উনারা পিন টা online-এ চেক করলে ই হয়। তা করবেন না )
৫> সব রেডি যখন সার নেই। Sorry………….
৬> সার বেসত আলোচনায়। wait….। কখন শেষ কেউ জানেন না। এর মাঝে দালাল ভাইরা আসেন জান তখন সাররা বেসত না। আডডা মারছেন।উনাদের গাড ও আটকান না।
৭> আপনার interview দিতে হবে।
আরো কতো কি?……………..

আমার ১জন মেহমান সাথে যাবেন।সকালে উঠে গেলাম তাকে নিয়ে দূতাবাস-এ। ১: উনারা ভিসা দিতে চাচেছন না। বললেন, আপনার পাসপোট লাগবে। পাসপোট ছিল আমার বাসায়।বাসা দূর। উনারা মানতে নারাজ। আমি আমার জাতীয় আইডি দেখালাম।উনারা এটা মানেন না। তো মাননীয় সরকার এটার কি দাম আছে যদি আমার দেশের দূতাবাস ই এটা না মানে? এটা কি সরকারের মানহানী না?
আর একবার আর ১জন মেহমান যাবেন। উনাকে ভিসা দিবেন না। আমি রেগে গেলাম। পরে বলল, ” আপনাকে interview দিতে হবে। উপরে যান। মেডামের কাছে”। গেলাম তখন বাজে ১২টা। মেডাম এখনো আসেন নি। ৯টায় ওপিস। মেডাম আসলেন।১টায়। আমার মেহমানের কাছে এটা ওটা জানতে চাচ্ছেন। পরে আমাকে ধরলেন, “আপনার পাসপোর্ট তো student, এটা তে professional pass কি ভাবে লাগল?”। আমি বোকা হয়ে গেলাম। বললাম, “মালয়েশিয়ায় এত বড় immigration বিভাগ। উনারা তো আমার ভিসা দেবার আগে দেখেই দিয়েছেন নাকি? উনাদের বলুন যে কিভাবে দিলেন আমাকে? আর দেকছেন না যে আমি আগে এখানে পড়তাম আগের ভিসা দেখুন।এটা তো আপনার জানার দরকার নেই। আপনি দেখুন আমি বাংলাদেশী কি না?”।– এটা কি আহাম্মকের পরিচয় নয়? ১জন দূতাবাস কমকর্তা জানেন না যে সেই দেশে কি কি ভিসা সরকার কি কি ভাবে দেয়।

এখানে মানুষ ওনেক দূর থেকে যায়। কেউ কেউ কাজ ফেলে যায়। এ খানে সময় গেলেই টাকা। এ ভাবে সার রা আডডা বাজি করে সময় নষট করবেন আর এ দিকে এর খেসারত দিবে খেটে খাওয়া মানুষ।আজ সরকার যেই রেমিটেন্স এর জোরে কথা বলেন, একবার ও কি ভেবেছেন এই টাকা আসে কোথা থেকে?কারা দেয়? আর তারা এই সমস্ত দূতাবাসে গিয়ে কি পায়?

আর tourist রা যদি এত হ্য়রানির শিকার হয় তো, বাংলাদেশের মান কোথায় থাকে? বাংলাদেশ কি এই আয় হারাবে না?

এমন ও লোক দূতাবাসে আছেন যারা কোতারায়া-র দালাল নামে পরিচিত।ওরা কোন সরকারি লোক না। কিনতু সার দের নানান সু এবং কু-ফরমাইশ খাটেন।তাই তাদের দাপট ও বেশী।এরা বেশী কু-করম করে থাকে।দূতাবাসের সাহায়তায় হাতিয়ে নিয়েছে দেশের এবং এখানের মানুষের কোটি কোটি টাকা………..!