ক্যাটেগরিঃ চারপাশে

 

নাম: সুভা শাহ,জেলা: বি,বাড়ীয়া,থানা : নবীনগর,বাড়ী: জাফরপুর। উনি ছিলেন বিদ্যালয়ের শিক্ষক। উনি এলাকার এক জন পীর নামে পরিচিত। উনি মারা গেছেন বহু আগেই।লোক মুখে শুনা যায় উনি যদি কাউকে কোরান শরীফ পড়তে শুনতেন তো উনি মুখ ভেংচি কাটতেন। একদিন উনি মারা যান। উনি মারা যাবার কয়েক বছর পর। উনার বড় ছেলে ঢাকায়। ছেলে সপ্নে দেখলেন, বাবা বলছেন,”আমি পানিতে ডুবে যাচিছ,আমাকে তুলবি না?”।ছেলে সকালে বাড়িতে রওনা দেয়। বাড়ি এসে দেখেন, মুরিদান সব এসে হাজির। কে খবর দিল আপনাদের? ওরা বলল,”আমাদের বাবা, সপনে বলেছেন।” এখন লাশ তুলে দেখতে হয়।গেরামে মুখে বললে ই একটা লাশ তুলে ফেলা যায় না।সালিশ ডাকতে হয়।ডাকা হল সবাই কে।আসলেন সবাই। হুজুর ও আসলেন।রাজি হলেন সবাই। লাশ তোলা হল।কিন্তু লাশ পচে নাই।দড়ি বড় হয়ে গেছে।নখ বড় হয়েছে।সাথে চুল ও।আজব সবাই। কোদাল দিয়ে মাটি খোঁড়ার সময় লাশের পায়ে লাগে। রক্ত বের হয়। পরে উনাকে চেয়ারে বসানো হয়।সেভ করানো,চুল ছাটা সব করা হয়।ছেলের সাথে এক ডাক্তার সাথী যায়। সে ও দেখে। কিনতু কোন উত্তর খুঁজে পায় না।পরে কবরের পানি সরিয়ে আবার কবর দেয়া হয়। এর কয়েক মাস পর আবার ছেলে স্বপ্নে দেখে।বাবা বলছেন, “আমার শীত লাগছে, কিছু দিবি না?”।আবার একই ভাবে মুরিদান হাজির,সালিশ ডাকা, সবাই থাকা।লাশ তুলা।লেপ দেয়া………………..। এ ঘটনা শুধু কাহিনী না। আর ১জন দেখেন নি।আজ ও গেরামের সবাই এর সাক্ষী।শত শত মানুষ।ছোট ছোট ছেলে মেয়ে সবাই.। উনি সেই সুভা স্যার……………….। কেউ হয়ত বিশসাস করবেন না।কিনতু শত শত মানুষ আজও এর সাক্ষী দিবে।যারা নিজের চোখে দেখেছেন এটা।এর কি ব্যখ্যা আছে? কি ভাবে সম্ভব………………।