ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

::বর্তমানে নির্বাচন কমিশন গঠনেরজন্য তথাকথিত যে সার্চ্ কমিটি গঠনকরা হয়েছে তার অন্যতম সদস্য হলেন পুলিশ সার্ভিসে কট্টরপন্থি আওয়ামী লীগ বলে পরিচিত এবং ১৯৯৬সালের জনতার মঞ্চের কুশীলব,২০০১ সালে আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর নিরাপত্তার তদারকিতে নিয়োজিত বর্তমানে পিএসসির চেয়ারম্যান জনাব, এ টি আহমেদুল হক চৌধুরী । কিন্তূ কেএই এটি আহমেদুল হক চৌধুরী?

পিএসসির চেয়ারম্যান থেকে সা’দাত হুসাইনের চাকরির মেয়াদ শেষ হলে ২৩ নভেম্বর নতুন চেয়ারম্যান নিয়োগ দেওয়া হয় পিএসসিরই সদস্য এ টি আহমেদুল হক চৌধুরীকে। তিনি পুলিশ সার্ভিসে কট্টরপন্থি আওয়ামী লীগ বলে পরিচিত ছিলেন। ওই জনতার মঞ্চের অন্যতম কুশীলব বিএনপি সরকারের প্রতি অনাস্থা জানিয়ে ‘জনতার মঞ্চ’-এ যোগ দেন আহমেদুল হক চৌধুরী। ওই জনতার মঞ্চের অন্যতম কুশীলব ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীরের সঙ্গে রয়েছে তার পারিবারিক সম্পর্ক। সেই সুবাদে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলে তাকে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনারের দায়িত্ব দেওয়া হয়। ২০০১ সালে পুলিশের ডিআইজি হিসেবে কয়েক মাস দায়িত্ব পালনের পরই বিএনপি সরকার তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠায়। এরপর তিনি তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেতা আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর নিরাপত্তার তদারকিতে নিয়োজিত ছিলেন। এ সময় তিনি ‘এলিগ্যান্ট রিয়েল এস্টেস্ট কোম্পানি’ নামের একটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান খুলে হাউজিং ব্যবসায় যোগ দেন। বর্তমান সরকার আসার পর অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক (অ্যাডিশনাল আইজি) পদ দিয়ে তাকে পুনরায় পুরস্কৃত করা হয়। পরে ২০০৯ সালের ২৩ জুন তিনি সদস্য হিসেবে পিএসসিতে যোগ দেন। যোগ দেওয়ার পর পিএসসিতে প্রভাব বিস্তারের লক্ষ্যে ও চেয়ারম্যান হওয়ার জন্য অস্থিতিশীল অবস্থার সৃষ্টি করেন। রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ জিল্লুর রহমানের কাছে চিঠি লেখেন ‘পিএসসিতে স্থবিরতা’ শিরোনামে। সা’দাত হুসাইনের বিরুদ্ধে পিএসসির একশ্রেণীর কর্মকর্তা-কর্মচারীকে আন্দোলনে মদদ দেওয়ার অভিযোগও আছে তার বিরুদ্ধে।(বাপ্রদি:৩.১২.১১ অবলম্বনে)

এইসব লোক দেখানো গনতানত্রিক পদধতীর,(?) মাধ্যমে যে সব ব্যাক্ত্তিদের নিয়ে সার্চ্ কমিটি গঠন করা হয়েছে-তাদের দ্বারা আর যতই নাটক মঞ্চায়ন করা হোক না কেন দলীয় অনুগত্যের বাহিরে কোন নির্বাচন কমিশন গঠন তাদের দ্বারা সম্ভব নয়, একথা বুঝতে কারো বেশী শিক্ষীত হতে হয় না ।