ক্যাটেগরিঃ আইন-শৃংখলা

লেখার শুরুতেই বলে নিই মানবিকতা শব্দটির সাথে বন্ধনীতে আশ্চর্যবোধক চিহ্ন ব্যবহারের কারন। এই চিহ্ন তাদের জন্য জন্য যারা পেরেছে শিশু রাজন’কে সাপের মত পিটিয়ে মারতে। তাদেরকে আমি মানুষ মনে করি না। শিশু রাজন এর আত্তচিৎকার আমার কানে এখনো বেজে চলেছে। আমি নিশ্চিত গতকাল রাতে আমার মত লাখো-কোটি নাগরিক ঘুমোতে পারেনি যারা দেখেছিলো রাজন হত্যার ভিডিওটি। মানুষতো দূরের কথা, বিড়াল-কুকুরের আত্তচিৎকারও আমি সহ্য করতে পারি না।

 

রাজন পারলে ক্ষমা করে দিও আমাদের।

 

মাননীয় সরকার প্রধানের নিকট আকুল আবেদন,  শিশু রাজন এর হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমুলুক শাস্তি দিয়ে সমাজে ন্যায়বিচারের পথ সুগম করুন। জার সূচনাও শুরু হয়েছে আপনার হাত ধরে ‘৭১- এর যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের মুখোমুখি করার মধ্যে দিয়ে। আপনার বলিষ্ঠ নেত্রিত্তে ইতোমধ্যে আমরা মধ্য বিত্তের দেশ হয়েছি, এবার আমাদের আচার-আচরন, মানবিকতা, মনুষ্যত্বকে উচ্চবিত্ত নাহোক, মধ্য বিত্তের কাতারে নেওয়ার প্রয়াস নিন, কারন আমাদের বর্তমান মনুষ্যত্বের মাপ নিচু পর্যায়ের চেয়েও জঘন্য, অন্তত রাজন এর হত্যাকাণ্ড আরেকবার আমাদেরকে তাই মনে করিয়ে দিয়েছে বারবার। মানবিকতা মধ্যবিত্তের পর্যায়ে যাওয়ার প্রথম ধাপ হচ্ছে ন্যায়-বিচার নিশ্চিত করা। আমার বিশ্বাস যদি সর্বশক্তিমান চান, তাহলে আপনি পারবেন, আপনাকে পারতেই হবে।