ক্যাটেগরিঃ অর্থনীতি-বাণিজ্য

গার্মেন্টস শিল্পকে ধ্বংসের ষড়যন্ত্র শুরু হয় এ শিল্পের যাত্রার শুরু থেকেই । অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের এশিয়া মহাদেশীয় প্রতিনিধি এদেশের গার্মেন্টস শিল্পের উপর একটা ডকুমেন্টরি প্রচার করে আমাদের দেশের বায়ারদের কাছে – তা হল বাংলাদেশে প্রচুর শিশুশ্রমের বিনিময়ে তারা অনেক কম দামে তোমাদের কাছে পোষাক বিক্রি করছে । তখন প্রফেসর ইউনুস তদেরকে বোঝাতে সক্ষম হয়েছিলেন, তোমরা যাদেরকে শিশু বলে এ শিল্পের অগ্রযাত্রাকে রহিত করতে চাচ্ছ, তারা মূলত আমাদের দেশের বাস্তবতায় এক একটা পরিবারের কর্মের হাতিয়ার। এই অযুহাতে যদি তোমরা মুখ ফিরিয়ে নাো এবং এই অসংখ্য কর্মী যদি বেকার হয় তাহলে দেশটাতে চরম মানবিক বিপর্যয় ঘটবে এবং সেটা হবে বিশ্বের সবচেয়ে বড় মানবাধিকার লংঘন । তারা প্রফেসর ইউনুসের বক্তব্যের প্রমাণ পেয়েছিলেন বলেই আজকে এ শিল্পটা টিকে আছে । যারা শ্রমিক অসন্তোষের বাহানা তুলছেন, তারা কারা ? বাস্তবে একটা কারখানার ভেতের প্রবেশ করে দেখুন, অসংখ্য শ্রমিকরা বলছে, যারা এভাবে লাঠিসোঠা নিয়ে আনছে, তারা কারা ? তাদেরকে এসব শ্রমিকরা কোনদিন দেখেন নাই । এসব তথা কথিত শ্রমিকদের আন্দোলনের সাথে যারা একাত্মতা ঘোষণা করেছেন, তাদের পরিচয় কি ? একটু গভীরে যেয়ে দেখুন, সেই সময়ে যারা ঐ অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের এশিয়া মহাদেশীয় প্রতিনিধিকে ডকুমেন্টরি তৈরী করতে এবং প্রচার করতে সহায়তা করেছিলেন , তারা ।

একজন শ্রমিক বলেন, আমি বেকার হলে কি এরা আমাকে বাসায় কাজের বুয়া হিসেবে দেখতে চায় ? আমাকে গরম খুন্তির ছ্যাঁকা না দিতে পারলে বা উনাদের লোলুপ কামনার শিকারে পরিণত না করলে উনাদের বুঝি শান্তি লাগছে না ?

আমি এই শ্রমিকের একমত পোষন করে বলতে চাই, এখুনি যদি এসবরে নাটের গুরুদের ধরে উপযুক্ত শাস্তির ব্যবস্থা না করা হয়, তাহলে ঐ গোষ্ঠী কিন্তু থেমে থাকবে না। তারা আগামী কয়েকবছরের মধ্যেই এ শিল্পকে মৃত্যুকূপে ডুবিয়ে দিবেই । একটা মহলের আসল উদ্দেশ্য কিন্তু সেটাই ।

অতএব, সময় থাকতে সাবধান ।