ক্যাটেগরিঃ ক্যাম্পাস

 

শিশুশ্রম’হামি পড়মু তো, হামার ওহানে একটা স্কুল হচ্ছে, সেহানে পড়মু’ কথাটা আট বছরের শিশু সাদ্দামের।পুরো নাম আবু তালহা সাদ্দাম। পিতা সাদিক ও মাতা রোকসানা।

দীর্ঘদিন ধরে দিনাজপুর হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ডরমিটরি ২ এর তরিকুল ক্যান্টিনে কাজ করছে সাদ্দাম। বয়স যখন শিক্ষা নিয়ে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার, সেখানে ৩য় শ্রেণিতে মাদ্রাসার দরজা ত্যাগ করে ক্যান্টিনের টেবিল মুছতে হয় তাকে। পড়ালেখা ত্যাগ করে সকাল-সন্ধ্যা কাজ করতে হয় সেখানে। তার সাথে কথা বলে জানতে পারা যায়, তার বাবা নিজেও এই ক্যান্টিনে কাজ করতেন। তিনি ক্যান্টিন থেকে চলে যাওয়ার পর কাজ করতে আসে সে।

পড়ালেখা করতে ইচ্ছা করে কিনা এই প্রশ্নের উত্তরে শিশু সাদ্দাম জানায়, ’হামার পড়তে মন চায়, কিন্তু এহন আর হয় না,এহানে আসি সেই সহালে, তয় কিছুদিন পর বাড়ির পাশে এহান ইশকুল খুলবে, ভর্তি হমু সেই ইশকুলে।’

এ বিষয়ে ক্যান্টিনের পরিচালক তরিকুল ইসলামের সাথে ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। উল্লেখ্য, দোকান ও স্থাপনা আইন অনুসারে দোকানে বা বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে ১২ বছরের কমবয়সী শিশুনিয়োগ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এই আইন ১৮ বছরের কম বয়সী ব্যক্তির জন্য শ্রমঘণ্টাও নির্ধারণ করে দিয়েছে।