ক্যাটেগরিঃ প্রকৃতি-পরিবেশ

 

পরিবেশ প্রেক্ষাপটঃ
ছেলেবেলায় জেনেছি – আমাদের চার পাশে যা আছে তা নিয়েই আমাদের পরিবেশ। পরিবেশের প্রধান উপাদান হচ্ছে মাটি, পানি ও বাতাস। এছাড়াও আরো রয়েছে গাছপালা, ঘরবাড়ি, পশুপাখি, রাস্তাঘাট, নদীনালা, পাহাড় পর্বত আরও অনেক কিছু। পরিবেশের এসব উপাদান মানুষ ও অন্যান্য জীবজন্তুর বেঁচে থাকার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। পরিবেশ বলতে কোন একটি জীবের অস্তিত্ব বা বিকাশের উপর ক্রিয়াশীল সামগ্রিক পারিপার্শ্বিকতা বুঝায়। যেমন চারপাশের ভৌত অবস্থা, জলবায়ু ও প্রভাববিস্তারকারী অন্যান্য জীব ও জৈব উপাদান। এই পরিবেশই আমাদের বাঁচিয়ে রাখে। বিশ্ব পরিবেশের দ্রুত অবনতি হচ্ছে, বাংলাদেশে গত কয়েক দশকে এ অবনতি হয়েছে আরও দ্রুত। শুধু পরিবেশের কারণে পৃথিবী নামক গ্রহ থেকে নানা সময়ে নানা ধরণের প্রাণীর বিলুপ্তি ঘটেছে। বাংলাদেশে ১৯৯৫ সালে পরিবেশ সংরক্ষণ আইন পাশ হয়েছে। কিন্তু জনবিস্ফোরণ, বনাঞ্চলের অবক্ষয় ও ঘাটতি এবং শিল্প ও পরিবহণ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার অভাবে দেশের পরিবেশ এক জটিল অবস্থার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।

logo_en

বিশ্ব পরিবেশ দিবস: বিশ্ব পরিবেশ দিবস (World Environment Day, সংক্ষেপে WED) প্রতি বছর ৫ জুন বিশ্বব্যাপী রাজনৈতিক কর্মোদ্যোগ আর জনসচেতনতার মাধ্যমে পরিবেশ সচেতনতার লক্ষ্যে পালিত দিবস। এই দিনটিতেই জাতিসংঘের মানবিক পরিবেশ কনফারেন্স (United Nations Conference on the Human Environment) শুরু হয়েছিল। এই কনফারেন্স হয়েছিল ১৯৭২ খ্রিস্টাব্দের ৫ থেকে ১৬ জুন অবধি। এই কনফারেন্স ঐ বছরই চালু করেছিল জাতিসংঘের সাধারণ সভা। তখন থেকেই প্রতি বৎসর এই দিবস পালিত হয়ে আসছে। দিবসটি প্রথম পালিত হয় ১৯৭৩ খ্রিস্টাব্দে। প্রতি বছরই দিবসটি আলাদা আলাদা দেশে, আলাদা আলাদা প্রতিপাদ্য বিষয় নিয়ে পালিত হয়।

বিশ্ব পরিবেশ দিবসের প্রতিপাদ্যঃ
এ বছর(২০১৫) বিশ্ব পরিবেশ দিবসের প্রতিপাদ্য হলো-
“ শতকোটি জনের অপার স্বপ্ন, একটি বিশ্ব, করি না নিঃস্ব।”
“Seven Billion Dreams. One Planet. Consume With Care.”

env-300x199

পরিবেশ দূষণ ও বাংলাদেশঃ
কোন কারণে যখন পরিবেশের বিভিন্ন উপাদানের কাঙ্ক্ষিতমাত্রা বিনষ্ট হয় বা স্বাভাবিকতা হারায় তখন তাকে পরিবেশ দূষণ বলে। তবে ইউনেস্কোর দৃষ্টিতে, পৃথিবী নামক গ্রহের প্রাকৃতিক ভারসাম্যহীনতা যা আমাদের সামাজিক, অর্থনেতিক, রাজনৈতিক জীবনের ওপর ক্ষতির প্রভাব বিস্তার করে তাকে পরিবেশ দূষণ বলে।

পরিবেশ দূষণ বিভিন্নভাবে হতে পারে। যথা-
· শক্তিদূষণ: যেমন- শব্দদূষণ, তাপদূষণ, তেজষ্ক্রিয় বিকিরণ ইত্যাদি – এ পর্যায়ে পড়ে।
· রাসায়নিকদূষণ: যেমন- জৈব ও অজৈব কৃত্রিম বা প্রাকৃতিক রাসায়নিক পদার্থের মাধ্যমে দূষণ।
· জীবদূষণঃ যেমন- রোগের ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া ও পরজীবী ইত্যাদির মাধ্যমে হয়।

পরিবেশদূষণের কারণঃ

– প্রাকৃতিক কারণঃ
*ভূমিকম্প,
*ঝড়,
*ঘূর্নিঝড়,
*বন্যা
*খরা।

– মানুষ-সৃষ্ট কারণঃ
*অপরিকল্পিত নগরায়ন ও শিল্পায়ন,
*কীটনাশক ও রাসায়নিক সারের ব্যবহার,
* শিল্প কারখানার বর্জ্য পদার্থ, দারিদ্রতা,
*উপযুক্ত পয়ঃনিষ্কাশনের অভাব,
*শিল্প দূর্ঘটনা, বৃক্ষ নিধন,
*অধিক জনসংখ্যা, অশিক্ষা,
*ইট ভাটা ও যানবাহনের কালোধোঁয়া,
*প্রাকৃতিক সম্পদের অতিমাত্রায় আহরণ,
*রাসায়নিক ও পারমাণবিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা।

পরিবেশগত দূষণের ক্ষতিকর প্রভাব ও ঝুকিঃ
কঠিন বর্জ্যজনিত দূষণ বাংলাদেশের একটি প্রধান সমস্যা। বিভিন্ন শহরে বিপুল পরিমাণে কঠিন বর্জ্য জমা হয়। বর্তমানে কেবল ঢাকা নগরীতেই প্রতিদিন প্রায় ১,৫০০ মে টন কঠিন বর্জ্য তৈরি হচ্ছে। প্রতি বছর জনসংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে এর পরিমাণও বাড়ছে। বিভিন্ন ধরনের বর্জ্যের মধ্যে রয়েছে খাদ্যের উচ্ছিষ্ট, ঘাস, গাছপালা, কাগজ, কাঠের টুকরা, কাপড়, প্লাস্টিক, পলিথিন জাতীয় পদার্থ, কাঁচ এবং নির্মাণ সামগ্রীর অবশিষ্ট।

– ঢাকায় প্রায় ১,০০০ ছোট বড় শিল্প-কারখানা রয়েছে, যেখানে বিপুল পরিমাণ বিষাক্ত এবং ক্ষতিকর বর্জ্য তৈরি হয় এবং পরিবেশের উল্লেখযোগ্য অবনতি ঘটায়। ঢাকার হাজারীবাগ এলাকায় ১৪৯টি চামড়া প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানা রয়েছে যেখানে প্রতিদিন প্রায় ১৮,০০০ লিটার তরল এবং ১১৫ মে টন কঠিন বর্জ্য জমা হয় এবং এসব বর্জ্য নিকটবর্তী নালা-নর্দমা ও বুড়িগঙ্গা নদীতে নিক্ষেপ করা হয়। এসব বর্জ্যের মধ্যে সালফিউরিক এসিড, ক্রোমিয়াম, অ্যামোনিয়াম ক্লোরাইড, অ্যামোনিয়াম সালফেট, ক্যালসিয়াম অক্সাইড ইত্যাদি রয়েছে। এগুলি মাটিতে শোষিত হয়ে ভূ-গর্ভস্থ পানির দূষণ ঘটাতে পারে। এছাড়াও তীব্র দুর্গন্ধ আশেপাশের মানুষের স্বাস্থ্যের উপর বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে।

-বাংলাদেশের উপকূল অঞ্চলে অপরিকল্পিত চিংড়ি চাষের ফলে জমির লবণাক্ততা বৃদ্ধি পেয়েছে, হ্রাস পেয়েছে মাটির স্বাভাবিক উৎপাদনশীলতা। এসব স্থানের চারপাশের এলাকায় এখন আর তেমন কিছুই জন্মে না।

শিল্পদূষণ কারখানা ও অন্যান্য শিল্প প্রতিষ্ঠান থেকে নির্গত দ্রব্য বা বিষাক্ত বর্জ্য থেকে পরিবেশের অবক্ষয়। বাংলাদেশে শিল্পখাত থেকে অর্জিত জিডিপির ২০ শতাংশের মধ্যে কারখানা শিল্পের অংশ ১১%। প্রধানত তৈরি পোশাক, বস্ত্র, চামড়া ও অন্যান্য রপ্তানিমুখী শিল্পপণ্য উৎপাদক খাতসমূহে এ প্রবণতা লক্ষ্য করা যায়। শক্তিশালী শিল্পখাতের বিকাশ কর্মসংস্থান ও আয় বৃদ্ধির নিরিখে লাভজনক হলেও এগুলি পরিবেশের অবক্ষয়ও ঘটায়।

-বায়ুদূষণ বাংলাদেশে জীবাশ্ম জ্বালানি দহন ছাড়াও বায়ুদূষণের অন্যান্য উৎসের মধ্যে রয়েছে ইটের ভাটা, সার কারখানা, চিনি, কাগজ, পাট ও বস্ত্র কারখানা, সুতা কল, চামড়া শিল্প, পোশাক, রুটি ও বিস্কুট কারখানা, রাসায়নিক ও ঔষধ তৈরি শিল্প, সিমেন্ট উৎপাদন ও প্রসেসিং কারখানা, দালানের জন্য গ্রিল ও দরজা-জানালা নির্মাণ ওয়ার্কশপ, করাত কলের কাঠের গুঁড়া, চাষকৃত জমির ধুলাবালি, উপকূলবর্তী দ্বীপ ও উপকূলাঞ্চলে আছড়ে পড়া ঢেউয়ের লবণকণা ইত্যাদি। এসব উৎস থেকে প্রচুর পরিমাণ ধোঁয়া, বাষ্প, গ্যাস ও ধূলিকণা ইত্যাদি বাতাসে মিশে ধোঁয়া সৃষ্টির পরিবেশ তৈরি করে।

শব্দদূষণ এর প্রকোপ বাংলাদেশের জন্য এক সুদূরপ্রসারী পরিণতিবহ সমস্যা হয়ে উঠছে। গাড়ির হর্ন ব্যবহার নিয়ন্ত্রণের ব্যাপারে কোন ট্রাফিক আইন না থাকায় শহরের অনেক অংশে শব্দসমস্যা অত্যন্ত তীব্র আকার ধারণ করেছে। শব্দদূষণের উৎস হচ্ছে মোটরগাড়ি, ট্রাক, বাস, উড়োজাহাজ, মোটর সাইকেল, রেলগাড়ি, নির্মাণকাজ ও শিল্পকারখানা। শব্দ পরিমাপের একক হলো ডেসিবেল। ডেসিবেল মাত্রা হতে পারে ১ থেকে ১৬০ পর্যন্ত। এক থেকে ৬০ ডেসিবেল পর্যন্ত সহনীয়, ৬০ থেকে ১০০ ডেসিবেল পর্যন্ত শব্দ বিরক্তিকর এবং ১০০ থেকে ১৬০ ডেসিবেল পর্যন্ত শব্দ শ্রবণশক্তির জন্য ক্ষতিকর। উত্তর আমেরিকায় শব্দের গড়মাত্রা প্রতি ১০ বছরে প্রায় দ্বিগুণ বাড়ছে বলে জানা যায়। বাংলাদেশেও শব্দের মাত্রা ক্রমেই বেড়ে চলেছে।

তেজস্ক্রিয়তাজনিত দূষণ মানুষের পক্ষে মারাত্মক ক্ষতিকর এক ধরনের অদৃশ্য দূষণ। তেজস্ক্রিয়তার উৎস সূর্য ও মহাশূন্য যেখান থেকে তা পৃথিবীতে পৌঁছয়। ক্ষতিকর তেজস্ক্রিয়তার অধিকাংশ বিকরিত হয় বিভিন্ন তেজস্ক্রিয় পদার্থ, বিশেষত পারমাণবিক অস্ত্রের বিস্ফোরণ (তেজস্ক্রিয় ভস্ম বা ধূলিকণা), পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও বিভিন্ন ধরনের ইলেকট্রনিক সামগ্রী থেকে। এগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য লেজার রশ্মি, এক্সরে মেশিন, রঙিন টেলিভিশন সেট, মাইক্রো-ওয়েভ ওভেন ইত্যাদি।

-তেজস্ক্রিয়তার ক্ষতিকর প্রভাব ভালভাবে লক্ষ্য করা যায় কোষ গঠনের ক্ষেত্রে। তেজস্ক্রিয়তায় আক্রান্ত কোষ মরে গেলে বা আপনা আপনি সুস্থ হয়ে উঠলে পরবর্তী সময়ে কোন সমস্যা ঘটে না। কিন্তু একটি ক্ষতিগ্রস্ত কোষ পরবর্তী পর্যায়ে ক্যানসার প্রবণ হয়ে ওঠে। মানুষের জননকোষ তেজস্ক্রিয়তায় ক্ষতিগ্রস্ত হলে সেগুলি বন্ধ্যা হয়ে পড়ে, নবজাতক বিকলাঙ্গ বা মানসিকভাবে অসুস্থ হওয়ার আশঙ্কাও থাকে।
বিশ্বজুড়ে তেজস্ক্রিয় বর্জ্য অপসারণের সমস্যা জনসমাজে গুরুতর উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। তেজস্ক্রিয় বর্জ্য গভীর সমুদ্রে নিক্ষেপের ঘটনা ঘটেছে যা সমুদ্রের চারপাশে বসবাসরতদের জন্য একটি বড় আতঙ্কের বিষয়।

চিংড়িচাষ এটি উপকূলীয় অঞ্চলের জন্য একটি বড় ধরনের পরিবেশীয় সমস্যা সৃষ্টি করেছে। কোন কোন অঞ্চলে, বিশেষত সাতক্ষীরা ও খুলনা এলাকায় দেশের প্রায় ৮০ কিলোমিটার অভ্যন্তরে চিংড়ি চাষের ফলে সেখানে লবণাক্ততার সমস্যা দেখা দিয়েছে। এতে গাছগাছালি উজাড় ও উর্বর কৃষি জমি ধ্বংস হচ্ছে।

poster9

গ্রীনহাউজ প্রতিক্রিয়া ও বিশ্বউষ্ণায়নঃ
বায়ুমন্ডলের স্বল্পমাত্রার যেসব গ্যাস প্রধানত প্রতিবিকিরিত অবলোহিত রশ্মি শোষণ করে তাদের গ্রীনহাউজ গ্যাস হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। জলীয় বাষ্প, কার্বন-ডাই-অক্সাইড, মিথেন, নাইট্রাস অক্সাইড, ওজোন এবং ক্লোরোফ্লোরোকার্বন (সিএফসি) হলো গ্রীনহাউজ গ্যাস। গ্রীনহাউজ প্রভাবের ফলে পৃথিবীর তাপমাত্রার বৃদ্ধিকে বিশ্বের উষ্ণায়ন বলা হয়।

গ্রীনহাউজ গ্যাসের প্রধান উপাদান জলীয় বাষ্প এই তাপমাত্রা বৃদ্ধিতে প্রধান ভূমিকা পালন করে। তাপমাত্রা বাড়ার সাথে সাথে পৃথিবীর সাগর, মহাসাগর, নদী, হ্রদ এবং মাটি থেকে বেশি পরিমাণে পানি বাষ্পীভূত হয়। এভাবে গ্রীনহাউজ প্রভাবে তাপমাত্রা কিছুটা বেড়ে চলেছে। বাংলাদেশ পরিবেশ অধিদপ্তরের প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে (Global Climate Change, Bangladesh Episode, June 1997) উল্লেখ করা হয়েছে ধনী দেশগুলি অতিমাত্রায় পরিবেশদূষক প্রযুক্তি নির্ভর জীবনযাপনের কারণে বেশি মাত্রায় গ্রীনহাউজ গ্যাস নিঃসরণ করছে। অপরদিকে দরিদ্র উন্নয়নশীল দেশগুলির বিপুল জনসংখ্যার কর্মকান্ডেও গ্রীনহাউজ গ্যাস নিঃসরিত হচ্ছে তবে তা তুলনামূলকভাবে অনেক কম। শিল্পোন্নত দেশসমূহের মাথাপ্রতি গ্রীনহাউজ গ্যাস নিঃসরণের পরিমাণ পৃথিবীর গড়ের তুলনায় প্রায় ৬ গুণ বেশি। যুক্তরাষ্ট্রের গ্রীনহাউজ গ্যাস নিঃসরণের পরিমাণ পৃথিবীর মোট নিঃসরণের প্রায় ২০%।

poster10

শেষকথাঃ পরিবেশ, পরিবেশদূষণ আর সুন্দর পরিবেশ নিশ্চিত করা নিয়ে শেষ কথা বলে কিছু নেই। পরিবেশগত বড় ঝুঁকির মধ্যে আছে বাংলাদেশ। এসব ঝুঁকি মোকাবেলায় আমাদের প্রয়োজন সঠিক ও পরিকল্পিত পদক্ষেপ। মনে রাখতে হবে- পরিবেশেই আমরা বাঁচি আর পরিবেশই আমাদের বাঁচিয়ে রাখে। তাই নিতান্ত ব্যক্তি বা গোষ্ঠী-স্বার্থে পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর কিছু করা হবে নিজের পায়ে কুড়াল মারার নামান্তর। অধিক মুনাফা অর্জনের প্রতিযোগিতা যেনো আমাদের অন্ধ করে না ফেলে। প্রকৃতি কিন্তু নিয়ম মেনে চলে। তার ওপর অযাচিত অত্যাচার সে মেনে নেবে না কোনোমতে। চাই সবার স্বতঃস্ফূর্ত সচেতনতা।

শেষ করছি একটি লিমেরিক দিয়েঃ

প্রকৃতিতো নিয়ম মানে, আমরা মানুষ মানি না
পরিবেশের বারোটা বাজাই, জেনেও যে জানি না
ভারসাম্য সে হারায় ক্রমে
এ সবইতো মানব ভ্রমে
পরিবেশ যে কেঁদে ফেরে, এটা কোনো গ্লানি না?

Environment wails alone burdened by pollution
Unplanned emissions do aggravate the collision
Sea-levels rising fast
Risking lives like a dust
O world come together get a better solution.

তথ্যসূত্রঃ
www.bn.banglapedia.org
www.bn.wikipedia.org
http://www.unep.org/wed/