ক্যাটেগরিঃ আন্তর্জাতিক

কেউ যদি অন্যায়ভাবে কোন মানুষকে হত্যা করে সে যেন পুরা মানব জাতিকেই হত্যা করল (আল কুরআন)।পবিত্র কুরআনের এ আয়াতটি খুবই স্পষ্টভাবে বলছে যে কা্ওকেই অন্যায় ভাবে হত্যা করা যাবেনা। বিশ্বব্যাপী মুসলিম নিধনের মাধ্যমে ঈসরাইল ও তার সহযোগীরা এ আয়াতের প্রতিবাদ জানাচ্ছে। যার প্রকৃষ্ট উদাহরণ মায়ানমারের আরাকান রাজ্যে ও ভারতের আসামে এ বছর ঘটে যাওয়া হত্যাযজ্ঞ দেখে বিশ্ববিবেক যতটা না বিস্মিত হয়েছে তার চেয়ে অধিক বিস্মিত হয়েছে গত কয়েকদিন যাবত গাজায় ঈসরাইল যে অবিরাম হামলা চালিয়েছে তা দেখে। সারা বিশ্ব আজ বিস্মিত হওয়ার মধ্যেই সীমাবদ্ধ আছে। কোন বিশেষ প্রতিক্রিয়া তারা দেখাচ্ছে না যা দ্বারা বন্ধ করা যেতে পারে ফিলিস্তিনিদের উপর চালানো এই অমানবিক নির্যাতন। এ পর্যন্ত গাজায় ঈসরাইলী হামলায় নিহতের সংখ্যা প্রায় ৩০০ ছাড়িয়ে গেছে।

এ লেখাটি লেখার সময় হয়তবা আরও কয়েকজন মারা পড়বে। নিহতদের অধিকাংশই নিরাপরাধ মহিলা ও শিশু যারা এখনও বুঝতে শিখেনি তারা কোন দেশের নাগরিক।নিহত শিশুদের মধ্যে বিবিসি ফিলিস্তিনির প্রতিনিধির সন্তান ও রয়েছে। গাজায় এটা ইসরাঈলের প্রথম হামলা নয় এর আগেও বহুবার এধরনের হামলা হয়েছে। যুদ্ধবিরতি হলেও স্থায়ী কোন সমাধান হয়নি। জাতিসংঘের মত সংস্থাও পারেনি এটা বন্ধ করতে।আজ বিশ্ব মিডিয়া ফিলিস্তিনিদের জন্য কথা বলছে না উল্টো তারা ফিলিস্তিনিদের ছোটখাটো প্রতিরোধ গুলো কে ফলাও করে প্রচার করেছে। অথচ কয়েকদিন আগে মালালার উপর যখন তালেবানরা হামলা চালিয়েছিল তখন তা বিশ্ব মিডিয়ার কাছে অত্যন্ত গুরুত্ব পেয়েছিল। কেননা তারা এর মাধ্যমে বিশ্বের কাছে মুসলমানদেরকে সন্ত্রাসী হিসেবে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিল। আর আজ যখন্ ঈহুদীদের কে সন্ত্রাসী হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার সময় এসেছে তখন তারা নাকে তেল দিয়ে ঘুমাচ্ছে। অ্যান্জেলিনা জোলি যিনি মালালার জন্য নোবেল শান্তি পুরস্কার দাবি করেছিলেন তিনি হয়তবা আজ এই হত্যাযজ্ঞের খবরই পাননি। হয়তবা আগামী বছর মালালা নোবেলটা পেয়েই যাবে।কিন্ত অসংখ্য ফিলিস্তিনি হত্যাকারী ঈহুদীদের বিচার চাওয়ার মত কেও নেই। বারাক ওবামা যিনিও শান্তিতে নোবেল পেয়েছেন তিনিও আজ কিছুই করতে পারেননি। তার কথা আজ ঈসারইলরা শুনছেনা। ইউরোপীয় ইউনিয়ন, ওবামা, সূচীরা যে অবদানের জন্য নোবেল পেয়েছেন ঈসরাইল ঠিক তার কাছাকাছি চলে গেছে। এবার ঈসরাইলের একটা জন্য নোবেল শান্তি পুরস্কার চাই