ক্যাটেগরিঃ আইন-শৃংখলা

হাতকড়া পড়ানো বাংলাদেশের প্রাণভোমরা

স্বাধীনতা যুদ্ধে সর্বমোট ৪৭ জন সেনা কর্মকর্তা মারা গিয়েছিলেন। আর শুধুমাত্র বিডিআর বিদ্রোহে মারা গিয়েছেন ৫৭ জন। বিডিআর বিদ্রোহের পর অনেক কিছু হয়ে গেছে। বিডিআরের নাম পরিবর্তন করে বিজিবি রাখা হয়েছে। সাথে পোশাকও পরিবর্তন করা হয়েছে। সে পরিবর্তনের ছাপ দেহ ছুঁয়ে যেন প্রবেশ করেছে তাদের অন্তরে। পাদুয়া ও রৌমারীর কলঙ্ক মুছে উড্ডয়ন করা হয়েছে শান্তির শ্বেতপতাকা। পাল্টে গেছে সীমান্তের চিত্র। উদ্ধ আচরণে বি এস এফ যখন তখন চাপছে বন্দুকের ট্রিগার আর বিজিবির শ্বেতপতাকায় লাগছে রক্তের লাল ফিনকি। রক্তাক্ত শাড়ি প্যাঁচানো ফেলানীর লাশ কাঁটাতারে ঝুলে থেকে বিশ্বের কাছে মহিমা কীর্তন করছে মানবতা ও মানবাধিকারের।আর এসবের ধারাবাহিকতায় আজ মিয়ানমারের হাতে বন্দী বাংলাদেশের সীমান্তের অতন্দ্রপ্রহরী বিজিবির নায়েক আব্দুর রাজ্জাক। মায়ানমারের বর্তমান আচরণ ও সরকারের নমনীয় নীতি আমাদের প্রতিরক্ষা সক্ষমতাকে প্রশ্নের মুখে ফেলেছে। আজ বাংলাদেশের ষোলকোটি মানুষের নাকে ক্ষতের চিহ্ন, ষোলকোটি মানুষের নাক বেয়ে রক্ত ঝরছে।

সরকারকে এই আঘাতের মাত্রা বুঝতে হবে, এবং যারা এই আঘাত দিতে চাই তাদেরকেও বোঝাতে হবে যে ‘এদেশ আমরা চুক্তি করে পায়নি, যুদ্ধ করে পেয়েছি’। আজ কর্ণেল গুলজার অথবা  মেজর জেনারেল বজলুর রহমানের মত মানুষ খুবই দরকার।