ক্যাটেগরিঃ প্রশাসনিক

 

প্রতিদিনই কোন না কোন সড়ক-মহাসড়কে দূর্ঘটনা ঘটছে। এসব দূর্ঘটনায় বহু লোক হতাহত হচ্ছেন। বহু সম্পদ নষ্ট হচ্ছে। দূর্ঘটনার পর দূর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্থদেরকে বিভিন্ন মহল থেকে সান্তনা বাণী শুনানো হয়। কাউকে কিছু নগদ অর্থ সহায়তাও দেয়া হয়।

ইদানিং সড়ক দূর্ঘটনা রোধের জন্যে অনেকেই বিভিন্ন পরামর্শ দিয়ে থাকেন। যেমন: অমুক সড়ক দু’লেনের করতে হবে তমুক সড়ক চার লেন কিংবা আট লেনে উন্নীত করতে হবে। এসব পরামর্শ ঠিক আছে। কিন্তু আমাদের স্বাদ আছে, সাধ্যও তো থাকতে হবে। আমাদের দেশের অর্থনীতি এতো সবল নয় যে রাতারাতি আমরা সব সাধ্য পূরণ করতে পারবো। সব সড়ক-মহাসড়ককে দু’লেন, চার লেন কিংবা আট লেনে রুপান্তরিত করতে হলে বহু অর্থের প্রয়োজন। এই বিপুল পরিমাণ অর্থ কি আমাদের আছে? আর যদি না থাকে তাহলে সীমিত অর্থের মধ্যেই আমাদেরকে অগ্রাধিকার নির্ধারণ করে চলতে হবে। প্রতিবছর আমরা কিছু কিছু রাস্তাকে দু’লেন, চার লেন কিংবা আট লেনে রূপান্তরিত করতে পারি। সেটা হয়তো সরকার করার চেষ্টা করছেন। সরকারের নিকট আমাদের জোর দাবী থাকবে সেই চেষ্টা যেন আন্তরিক হয়।

যে রাস্তাগুলো দু’লেন বিশিষ্ট আছে অথচ রোড ডিভাইডার নেই সেগুলোতে যেন রোড ডিভাইডার দেওয়া হয়। কেননা দেশের মহাসড়কগুলো মোটামোটি ভাবে প্রশস্ত হলেও এগুলো চলাচলের জন্যে অত্যন্ত ঝুকিপূর্ণ। রোড ডিভাইডার না থাকার ফলে গাড়ী ওভারটেকিং করার সময় প্রায়ই মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। ফলে মারাত্মক দূর্ঘটনা ঘটে। ব্যাপক প্রাণহানি হয়।

রাস্তায় রোড ডিভাইডার স্থাপন করতে পারলে মুখোমুখি সংঘর্ষ কমানো যাবে বলে আমার বিশ্বাস। যার ফলে দুর্ঘটনাও কমবে, প্রাণহানিও কমবে। সুতরাং রাস্তাকে দু’লেন, চার লেন কিংবা আট লেনে রূপান্তরিত করার পাশাপাশি রোড ডিভাইডার স্থাপনও জরুরি। এবং এই রোড ডিভাইডার স্থাপনের কাজ এখনই শুরু করা যেতে পারে।