ক্যাটেগরিঃ মুক্তমঞ্চ

 

ঈদের বাজার বেশ জমে উঠেছে। সবাই শেষ মূহুর্তের কেনাকাটায় ভীষণ ব্যস্ত। প্রিয় পোশাকের সাথে ম্যাচ করে জুতা-স্যান্ডেল কিনতে এ মার্কেট থেকে ও মার্কেটে সবাই ঘোরে বেড়াচ্ছে। এদিকে বাড়ি যাবার জন্যেও সবার মধ্যে তাগাদা রয়েছে। কেউবা বাস-ট্রেন-লঞ্চের টিকেট সংগ্রহ করতে পেরেছে, আবার কেউবা কোনটিই সংগ্রহ করতে পারেনি। ফলে তাঁদের বাড়ি যাওয়া প্রায় অনিশ্চিত। দেখা যাক, তবুও শেষপর্যন্ত কোন যানবাহনের ব্যবস্থা করা যায় কিনা।

ঈদে বাহারি সব পোশাক-আশাক বিক্রি হচ্ছে। দাম একটু চড়া হলেও সবাই বেশ কেনাকাটা করছে। টানাটুনির মধ্যেও মানুষের কেনাকাটা থেমে নেই। যেভাবেই হোক ঈদের আনন্দ তো বিলিন হতে দেয়া যায় না।

প্রতিবারের মতো সর্বোচ্চ দামের শাড়ির দিকে সবাই তাকিয়ে আছে। কে কিনছে এবার দেশের সবচেয়ে বেশী দামের শাড়ি? এক লক্ষ টাকা দামের শাড়ি কিংবা দুই-তিন লক্ষ টাকা দামের শাড়ি। সেটা তো অবশ্যই রঙিন শাড়ি। এখন পর্যন্ত যতটুকু জানা গেছে, শাড়ির দাম দুই লক্ষ টাকা পর্যন্ত উঠেছে। এদিকে বাজারে একশত টাকা দামের শাড়ি থেকে শুরু করে দুই-তিন লক্ষ টাকার দামের শাড়িও বিক্রি হচ্ছে। সাধ্য অনুযায়ী যে যারটা কিনছে।

সৌরভও মা’র জন্যে একটা শাড়ি কেনার জন্যে কয়েকদিন ধরে চেষ্টা করছে। কিন্তু সাধ্য অনুযায়ী পছন্দসই শাড়ি সে মেলাতে পারছে না। একদিন তো সে প্রায় কিনেই ফেলেছিল। আকস্মিক তার মানিব্যাগটি চুরি হয়ে গেল। সেদিন মা’র রঙিন শাড়ি সে কিনতে পারেনি। কাজেই টাকা ম্যানেজ করে সে আবার মা’র শাড়ি কেনার জন্যে শাড়ির দোকানে গেল। অনেক খোঁজাখুজি করে সে একটি সুন্দর রঙিন শাড়ি পেল। শাড়িটি তার ভীষণ পছন্দ হলো। শাড়িটি সে কিনে নিল। রঙিন এই শাড়িটি এখন তার মা’র পছন্দ হলেই হলো। ছোট ভাই-বোন এবং নিজের জন্যে কেনাকাটা আগেই শেষ হয়েছে। এবার বাসায় ফিরে পুরোদমে শুধুই বাড়ি যাবার প্রস্ততি নেবার পালা।