ক্যাটেগরিঃ নাগরিক আলাপ

খুশিতে হাসিতে, আর আনন্দে ভাসিতে, যাচ্ছে সবাই বাড়িতে। বছর ঘোরে এলো খুশির ঈদ। ঈদুল ফিতর। প্রায় একমাস রমজানের রোজা রাখা শেষে মুসলমানগণ পবিত্র ঈদুল ফিতর পালন করবে। সবাই আনন্দ ফুর্তি করবে। সেজন্যে সবাই একমাস ধরেই প্রস্তুতি নিচ্ছে। স্বজনদের প্রিয় পোশাক থেকে শুরু করে প্রিয় শখের জিনিষটিও কিনতে কেউ ভুল করেননি, যার যার সাধ্য অনুযায়ী। ঈদে বাড়ি ফেরার জন্যে সবাই কত দৌঁড়াদৌড়ি করেছে, ট্রেন, বাস বা লঞ্চের টিকেটের জন্যে। শেষ পর্যন্ত কোন না কোনভাবে ম্যানেজ করে সবাই বাড়ি গেছে এবং যাচ্ছে। হয়তো কিছু মানুষ যেতে পারেনি, নানা কারণে। সেটি ব্যক্তিগত কারণেও হতে পারে আবার যানবাহন জনিত কারণে হতে পারে। সবার যাত্রা হয়তো নির্ভিগ্ন হচ্ছে না, তবুও মানুষ বাড়ি যাচ্ছে, স্বজনদের সাথে ঈদ উদযাপন করতে। স্বজনদেরকে নিয়ে ঈদ উদযাপন করতে পারবে-এটাই সবার সবচেয়ে বড় পাওয়া।

আমিও আমাদের পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের সাথে বাড়ি যাচ্ছি। আমার বাড়ি অবশ্য শহরের কাছেই। সেজন্যে টিকেট সংগ্রহের প্রয়োজন নেই। সিএনজি চালিত অটোরিক্সা নিয়েই চলে যেতে পারবো। তবুও ভয় হয় নিরাপদে বাড়ি যেতে পারবো কিনা? কেননা, গাড়ি চালকদের বেপরোয়াভাবে গাড়ি চালানোর ব্যাপারে তো সবাই অবহিত। চেষ্ট করব নিরাপদে বাড়ি যেতে। গাড়ি চালককে সতর্কতার সাথে গাড়ি চালাতে নিজেই সজাগ থাকবো। শুধু নিজের গাড়ির চালককে তো সতর্ক রাখলে হবে না, অন্য গাড়ির চালককে সতর্ক থাকতে হবে। সেক্ষেত্রে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহীনি মূখ্য ভূমিকা রাখতে পারে বলে আমি মনে করি। তারপরও সবাই নিজ নিজ অবস্থানে থেকে সতর্ক থাকুন। গাড়ি চালককে সঠিকভাবে গাড়ি চালাতে বাধ্য করুন। আপনি-আমি সবাই মিলে চেষ্ট করলে হয়তো কিছুটা দূর্ঘটনা রোধ করতে পারবো। আপনার-আমার সকলের যাত্রা শুভ হোক। সবাই বাড়ি গিয়ে স্বজনদের সাথে অতি আনন্দে ঈদ উদযাপন করুক। ঈদ শেষে আবার যেন নিরাপদে হাসি মুখে সবাই বাড়ি থেকে নিজ গন্তব্যে পৌঁছতে পারে। এটাই হোক আমাদের সকলের কামনা।

সবাইকে ঈদ মোবারক।