ক্যাটেগরিঃ নাগরিক সমস্যা

আমাদের দেশে সড়ক-মহাসড়কে দূর্ঘটনা নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এসব দূর্ঘটনায় বহু মানুষ মারা যাচ্ছে। দেশের বহু সম্পদ বিনষ্ট হচ্ছে। আর্থিক হিসেবে দূর্ঘটনার কারণে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বছরে কয়েক হাজার কোটি টাকার। অথচ একটু সচেতন হলেই আমরা সম্পদ এবং মানুষের জীবন দু’টোই বাঁচাতে পারতাম।

গত দু’দিন আগেও সিলেট-ঢাকা মহাসড়কে এক মর্মান্তিক দূর্ঘটনায় একই পরিবারের আটজনসহ মোট তেরজন মৃত্যুবরণ করেছেন। দূর্ঘটনাটি হয়েছিল বাস এবং মিনিবাসের মুখোমুখি সংর্ঘষে। এখানে উভয় গাড়ির চালকদের অসেচতনতা থাকতে পারে এবং ছিল। তাই চালকদের অবশ্যই সচেতন হতে হবে, সচেতন করতে হবে। এবং পাশাপাশি আরেকটি কাজ করতে পারলে সড়ক দূর্ঘটনা অনেকাংশে কমানো সম্ভব বলে আমি মনে করি। আর সেটি হচ্ছে প্রতিটি মহাসড়কে রোড ডিভাইডার স্থাপন করা। রোড ডিভাইডার স্থাপন করে দিলে অন্তত মুখোমুখি সংঘর্ষ হবে না। আর সব মারাত্মক দূর্ঘটনাই ঘটে থাকে মুখোমখি সংঘর্ষে। তাই রোড ডিভাইডার স্থাপনে অবশ্যই সরকারকে এগিয়ে আসতে হবে। আর এটি করা অসম্ভব বলে আমি মনে করি না। আমাদের সরকার শুধু একটু আন্তরিক হলেই চলবে। এখন সরকারের নীতি নির্ধারকদেরকেই ভাবতে হবে দেশের মানুষের জানমাল রক্ষার্থে এবং হাজার হাজার কোটি সম্পদ বাঁচাতে মহাসড়কে রোড ডিভাইডার স্থাপন করবে কি-না।

মহাসড়কে রোড ডিভাইডার থাকলে দূর্ঘটনা অনেকাংশে কমানো সম্ভব। সেটি আমি যেমন বুঝি, আমার মনে হয়- আমাদের দেশের নীতি নির্ধারক মহল সেটি খুব ভালোভাবেই বুঝেন। তাহলে তাঁরা করছে না কেন? স্বজন হারানোর বেদনা কি তাঁরা বুঝে না?

মারাত্মক সড়ক দূর্ঘটনায় যাঁরা স্বজন হারান, আসলে তারাই তো বেশী বুঝতে পারেন এর যন্ত্রণা। আমরা চাইনা কোন দূর্ঘটনায় কেউ তাঁদের প্রিয় স্বজনদেরকে হারাক। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গকেও সেটি উপলব্ধি করতে হবে।