ক্যাটেগরিঃ নাগরিক আলাপ

বলরাম দাস কি ভাবতে পেরেছিল সংবাদ পত্রে তার নাম উঠবে তাও একেবারে প্রথম আলোর প্রথম পৃষ্ঠায়। সে সৌভাগ্যবান। রেলমন্ত্রীর থাপড় খেয়েছে, যা তা ব্যপার না।ভবিষ্যতে পুত নাতির কাছে গপ্পো করার মতো একখানা ব্যপার। বলরাম দাস একজন বেসরকারি কর্মচারী, সামান্য অ্যাটেনডেন্ট থাপড় মারার জন্য খাসা একটি “জিনিস”। বলরাম বুঝতে পেরেছে খবরটা তাকে নিয়ে নয়,মন্ত্রী সাহেবকে নিয়ে।

সৃষ্টিকর্তা নাকি সব মানুষের দুই কাঁধে দুজন ফেরেস্তা রেখেছেন। বাম কাঁধেরটা খারাপের আর ডানেরটা ভালোর হিসাব রাখে।তবে রেলওয়ের কর্মকর্তা কর্মচারীদের বাম কাঁধের ফেরেস্তাটা এখন আর নাই। দুর্নীতির হিসাব লিখতে লিখতে সে এতটাই ক্লান্ত হয়ে পড়েছিল সৃষ্টিকর্তা তাকে অনেক দিন আগেই প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। ডান দিকেরটার কোন কাজ নেই । সে এখন গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন।

মন্ত্রী মহোদয়, রেলওয়ের “সরকারি” কর্মকর্তা কর্মচারীদের এরকম একটা থাপড় দিতে পারবেন ? চেষ্টা করুন না । এর চেয়েও প্রচন্ড একটা থাপড় দিয়ে ওদের ডান কাঁধের ফেরেস্তাকে ঘুম থেকে জাগাতে পারেন কি না।

যদি না পারেন বলরাম দাসদের বলির পাঁঠা বানাবেন না।