ক্যাটেগরিঃ অর্থনীতি-বাণিজ্য

পদ্মা সেতু অথবা যোগাযোগ মন্ত্রণালয় এ দুর্নীতি নেই, ধোঁয়া তুলসী পাতা একথা যেমন বিশ্বাস করিনা তেমনি সুযোগ সন্ধানী, সাম্রাজ্যবাদীদের স্বার্থরক্ষাকারী, শোষক ব্যাংক – বিশ্বব্যাংক দুর্নীতির প্রমান পেয়ে পদ্মা সেতুতে অর্থায়ন করছে না সেটাও বিশ্বাস করিনা। কিছুদিন আগেও আমেরিকান ছাড়া কোনো ব্যক্তি বিশ্বব্যাংক এ প্রেসিডেন্ট হতে পারতো না। সে যতো বিশ্বই হোক না কেনো সে তো আসলে ব্যাংকই। যেখানে অর্থায়ন করে ওদের স্বার্থসিদ্ধি হবে সেখানেই ওরা টাকা ঢালবে। ঘুষ প্রদানের সাথে জড়িত নাইকোর বিচার ও দুর্নীতির সাজাতো হলোই না ঊল্টো সে আমাদের ক্ষতিপূরণ না দিয়ে ভেগেছে। তখন কোথায় গেছিলো তাদের তদন্ত কমিটি? স্বার্থে আঘাত লাগলেই সবাই নড়েচড়ে বসে। এখন প্রশ্নটা হলো বিশ্ব ব্যাংক এর স্বার্থ কি?

দুর্নীতির কারনে অর্থ সাহায্য দেবেনা সেটা আপাতত তারা তাদের দেশের লোকজনকে বোঝাক। আমাদের না বোঝালেও চলবে। বাংলাদেশের জনগন আর আগের মতো বোকা নেই। আমাদের দেশকে নিয়ে যে পার্শ্ববর্তী দেশসমুহসহ কয়েকটি বৃহৎ দেশ টানাহেঁচড়া করতে থাকে সেটা আর আমাদের অজানা নয়। কাজেই বিশ্বব্যাংক, আপনাদের এই বিশ্বপ্রেমের পিছনে বাস্তবতা কি সেটা অনেকেরই জানা আছে। বিশ্বব্যাংক নিয়ন্ত্রিত হয় আইএমএফ এবং জি ৮ এর মাধ্যমে। যার ৪৮% ভোটিং ক্ষমতা নিয়ন্ত্রন করে এই জি ৮ । আর অর্থসাহায্যের পিছনে থাকে বিরাট দুরভিসন্ধি। যেমন তৃতীয় বিশ্বের অর্থনীতি, আর্থ সামাজিক ব্যবস্থা এবং রাজনীতির উপর নগ্ন হস্তক্ষেপ। তবে এবার বিশ্ব ব্যাংকের বাড়াভাতে কেউ পানি ঢেলে দিয়েছে। তাই চটেছেন তৃতীয় বিশ্বের অর্থলগ্নিকারকরা, অধুনা বেনিয়ারা।