ক্যাটেগরিঃ ব্যক্তিত্ব

জাফর ইকবাল স্যার এর স্ত্রী ইয়াসমীন হক বলেছেন, ‘যেহেতু একটা সিচুয়েশন ক্রিয়েট হয়েছে, তাই বাচ্চারা সিদ্ধান্ত নিয়েছে তাঁরা একটা অবস্থান নেবে। তাঁদের সেই অবস্থান তারা তুলে ধরবে।’ জাফর ইকবাল স্যার কদিন আগেই টিভি সাংবাদিকদের বলেছিলেন ব্যাপারটাকে (পারিবারিক) ইস্যু না বানাতে। তারপরও আমাদের মিডিয়ামহল ব্যাপারটাকে ইস্যু বানিয়ে ছাড়লো। এমন একটি জাতীয়ভাবে সন্মানীয় পরিবারের ব্যাপারেও তারা পবিত্র রমজান মাসে সংযম ধারন করতে পারলো না।

এব্যাপারে ফেসবুক এ শাহজালাল খান নামক এক ব্যাক্তির যথাথই মন্তব্য করেছেন যে, “এটা পুরাপুরি হুমায়নের পারিবারিক ব্যাপার। নিজেদের ব্যক্তিগত ব্যাপারে আমারা যেমন অনাহুত কৌতূহলে ক্রোধ বোধ করি এই পরিবারটিও তেমনি করবে। তারপরেও উনার পরিবারের (মা-ভাই-বোন-সন্তানদের) সংযম দেখে আবারো মুগ্ধ হয়েছি। আবারো লজ্জিত হয়েছি এই দেশের স্বল্প শিক্ষিত- অশিক্ষিত, কোন জব না পেয়ে সাংবাদিকতাতে ঢুকে পড়া এক শ্রেণীর হাম্বাদিক ( এরাই কিন্তু সংখ্যাগুরু এখন) এবং ভুঁইফোড় ফেসবুক – বিদ্বান একদল “বিশেষজ্ঞদের” আচরণে- কথা বার্তায়। লিখক- শিক্ষক- জাদুকর হুমায়ূনকে নিয়ে, তার কাজগুলোকে নিয়ে ভাবি – লিখি। তার ব্যক্তি – পরিবার – পারিবারিক বিষয় নিয়ে নিজের ” মতামত” দিয়ে, অসুস্থ কৌতূহল দেখিয়ে নিজেদের কদর্য রূপটা আর না দেখাই। জামাতি ছাগুদের ও আর সুযোগ করে না দি। ইতোমধ্যে কিছু পাকি বেজন্মার স্ট্যাটাসে দেখলাম জাফর ইকবাল স্যারের মৃত্যু নিয়ে কাউন্ট ডাউন শুরু করছে !! (আল্লাহ জাফর স্যারকে আরও মিনিমাম ২০ বছর এমন ভাবে কর্মক্ষম রাখুন। আমিন)”

আমি বলি “হুমায়ন স্যার চলে গেলেন। জাফর ইকবাল স্যার যেনো হুমায়ন স্যারের কিছু অসমাপ্ত কাজ শেষ করে যান। যেমন একটি ক্যান্সার হসপিটাল, দেয়াল নামক চলচিত্র ইত্যাদি। আর চাই সরকার এই ক্যান্সারাক্রান্ত মিডিয়াবাজ অথবা ভুঁইফোড় তথ্যব্যবসায়ীদের জন্য একটি নীতিমালা করুক, যাতে প্রকৃত বিবেকবান মানুষই সাংবাদিকতায় থাকে। এমন অসুস্থ সাংবাদিকতা আমরা চাই না। দুষ্ট গরুর চেয়ে শুন্য গোয়াল অনেক ভালো।”