ক্যাটেগরিঃ নাগরিক আলাপ

 

কি আর হইবো কইয়া। কওনের কিছু নাইক্কা। চিটাঙ্গে আর ঢাকায় কুত্তা বিলাইর লাহান মানুষ মরছে। তো হইছেটা কি? আমরা আছি না? বহদ্দার হাটে গারডার ভাঙ্গনের পর গাড়ি ভাংছি, ফায়ার ব্রিগেডের ট্রাক জালাইসি, এম্বুলেন্স ভাংসি, ব্লগ লেইক্ষা ব্লগসাইট গুলা ফাটাইয়া ফালাইসি, কত্ত বড় বড় কালা কালা ব্যাজ এর বানে ফেসবুক ভাসাইয়া দিছি, ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিছি। ইহুদিরা আর কিছু না দেক ফেসবুক বানাইয়া আমগোরে এক খান স্ট্যাটাস দিসে। আরো কাম বাকী নাই মুটামুটি সব কাম সারছি। এইবার কাম হইলো আমগো পলিটিশানগো। হেরা রাস্তায় মিছিল করবাইন, মিটিং করবাইন, আম্বালীগের গুস্টি উদ্ধার করবাইন। টকশোওয়ালারা টিভিত টক শো করবাইন সুরেশ খাটি সরিষার তইলের সৌজন্যে। অইখান দিয়া আতেলেকচুয়ালরা টক এর উপর টক কইরা কইরা মুখে ফেনা তুলবাইন। শাহাজান খান দাও বটি লইয়া দৌড় পারবাইন।এই আর কি। তো সবার কাম পাক্কা। পরথম আলু পত্রিকা আবার এক ডিগ্রী আগে এইসব কামে। হেরা জানে কেমনে কেমনে নিউজ রে চুইঙ্গামের লাহান টাইন্যা হেগো পত্রিকার কাটতি বাড়ান যায়। আন্নেরা যারা এইসব নিউজ পড়ার লাইগ্যা অস্থির তারা টেরাই করতে পারেন আলু পত্রিকা।

তবে এক খান কথা কানে কানে কইয়া যাই। আমরা কেউ কিন্তু যামু না ওই ভাঙ্গা আর পোড়া যায়গায়। কয় ওইটা তো ফায়ার ব্রিগেদের কাম। ইঞ্জিনিয়াররা কইবো এইডা একডা ব্যাপার হইলো গারডার ভাঙ্গবো নাতো কি রাস্তা ভাংবো? মানুষ ওইডার নীচ দিয়া পাইছেডা কি। হেরা মরবো নাতো কেডায় মরবো। আর এখনতো কাম বন্ধ থাকবো। তয় পরজেক্তের কন্ট্রাক্তার আর ইঙ্গিনিয়াররা সিডিএর খাটি সরিষার তেল লইয়া কেথার তলে ঢুইকা ঘুম দিবো। আর পোশাক শ্রমিকগো কথা আর কি কমু? যারা আমগো অরথনীতির চাক্কা ১২ মাস চালায় হেগোরে মাঝে মাঝে পুড়াইয়া মারতে না পারলে গারমেন্স মালিকগো পেডর ভাত হজম হয়না। অরডার কেন্সেল হয়তাসে? জালাও আগুন।ইন্সুরেন্স এর দালাল রা আছে না? শিপমেন্ট কেন্সেল হয়তাসে? জালাও আগুন। ইন্সুরেন্স আছে না? শ্রমিক রা আন্দলন করতাসে। ডাক হিরো পুলিশগো।হেরা জামাতের মাইর খাইলে কি হয়বো, শ্রমিক পিডাইতে অস্তাদ মানুশ। তবে এক খান কথা কানে কানে কইয়া যাই। আমরা কেউ কিন্তু যামু না ওই ভাঙ্গা আর পোড়া যায়গায়। কারন অইডা সরকারের কাম। হে করুক আর না করুক।