ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

প্রকৃত ইতিহাস না জানলে ইতিহাস পড়ে আসুন বড় বড় স্ট্যাটাস আর ব্লগ লিখার আগে। বঙ্গবন্ধু কখনো ৭১ এর খুনীদের ক্ষমা করেন নাই। বঙ্গবন্ধু শুধু ক্ষমা করেছিলেন তাদের, যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিলো কিন্তু সুনিদিষ্ট প্রমান ছিলোনা। তি্নি বিচারের মাধ্যমে ১১ হাজ়ার যুদ্ধাপরাধীকে সাজা দিয়েছিলেন। জেনা্রেল জিয়া এসে সেই খুনীদের মুক্তিদান করেন এবং ধরমভিত্তিক রাজনীতির উপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নেন। সেই খুনীরা পুনরবাসিত হয়ে মাথাচাড়া দিয়ে পুনউদ্দ্যেমে পাকিস্তানী জামায়াত ইসলামী প্রতিষ্ঠা করে যা আজ জামায়াত ইসলামী বাংলাদেশ নামে পরিচিত। এখন এই খুনীদের দ্বা্রা পরিচালিত আর ধরমের নামে সম্মোহিত হয়ে অনেক তরুন-যুবার দলও এখন বলে বেড়ায় “যুদ্ধাপরাধীদের বিচার আমরাও চাই “তবে” বিচার হতে হবে স্বচ্ছ”। এই স্বচ্ছতা আসলে যে কি সেটা তাদের মতো স্বয়ং গোলাম আযমও জানেন না, খালেদা জিয়া দূরে থাক। যারা বলেন বঙ্গবন্ধু যাদের ক্ষমা করে দিয়েছিলেন এখন আবার তাদের বিচার হচ্ছে কেনো, তারা হয়তো মিত্থ্যাচার করেন অথবা ইতিহাস জানেন না অথবা তাদের আত্নীয়-স্বজন যুদ্ধাপরাধের সাথে জড়িত বলে খড়খুট ধরে বাচানোর চেষ্টায় আছেন। সেই ১১ হাজ়ার খনী, লুটেরা, ধষক যদি জেনারেল জিয়ার মাধ্যমে ছাড়া না পেতো, রাজনীতিতে আবার পুনবাসিত না হতো তাহলে হয়তো আজকে এই দিন দেখতে হতো না। এই চক্র এখোনো প্রতিশোধে লিপ্ত। বাংলাদেশ এক পা এগোলে এরা দেশটিকে দুই পা পিছিয়ে দেয়।

আওয়ামী লীগের ভিতর বসবাসকারী রাজাকারেরা আর বিএনপি নামক মুখোশধারী পাকিস্তানী জামায়াতের খুনী আর তাদের সুবিধাভোগী দোসরেরা হরতাল, হত্যা, জালাও-পোড়াও এর মাধ্যমে এই বিজয়ের মাস ডিসেম্বরে যা দেখালো সেটি হয়তো আরেকটি ইতিহাস হয়ে রইলো। যাদ্ধাপরাধীদের বিচার বিলম্বিত করে আওয়ামী লীগ সমান অপরাধে অপরাধী হলো। তাই এখন আর দেশে কোনো দল নাই। বিলুপ্ত হয়েছে আইনের শাসন। আছে বুজোয়া সুবিধাবাদীদের দল এবং তাদের শাসন। চলছে দরিদ্রের উপর নীরব শোসন।

সাধারন জনগনের মস্তিস্কে এখন কারফিউ। রাজনৈতিক নেতাদের প্রতি তাদের তিরস্কার এখন তাদের ঘরে, চায়ের দোকান আর ট্রেন-বাসের ভিতর সীমাবদ্ধ। এর বাইরে তারা বের হতে পারছে না। মিডিয়া তাদের বের হতে দিচ্ছে না। কারন তারা কপোরেট মিডিয়ার নিউজ এর বলয় এ বন্দী। আজ এই অন্যায়ের প্রতিবাদে ফুঁসে উঠলে, পরশু আরেকটি খবর তাকে চুপসে দিচ্ছে। সে কোনোমতেই এই গন্ডী থেকে বের হতে পারছে না। কারন সে নিয়মিত পত্রিকা পড়ে। পত্রিকার খবর, টি ভি নিউজ আর চ্যানেলগুলোর হিন্দী সিরিয়াল ও সিনেমা তাকে ঘরে ঘুম পাড়িয়ে রাখে যে ঘুম কারো ডাকে ভাঙ্গার নয়।
তাই আজ দেশে কোনো দল নেই। জাতি দুটি ভাগে বিভক্ত হয়ে গেছে। আপনি পছন্দ করে নিন আপনি কোন পক্ষের।

১) মুক্তি যুদ্ধের স্বপক্ষ শক্তি (আওয়ামীলীগের কিয়দংশ এবং গণতান্ত্রিক বাম মোর্চা)
২) মুক্তি যুদ্ধের বিপক্ষ শক্তি (আওয়ামীনলীগের সিকিভাগ এবং বিএনপি নামধারী জামায়াত ইসলামী পাকিস্তান)