ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

জানিনা ইলিয়াস সাহেব কোথায় আছেন।তবে বিরোধী দল যেভাবে একের পর এক হরতাল দিয়ে যাচ্ছে তাতে মনে হচ্ছে বিরোধী দল প্রমান পেয়ে গেছে ইলিয়াস সরকারের কাছেই আছে। অনেক হরতাল দেওয়া হয়ে গেছে। এখন ইলিয়াস সরকারের কাছে যদি থাকেও তাহলেও ছাড়া পাবে না। বড় কঠিন জিনিষ এই রাজনীতি। বিরোধীদলও জানে ব্যাপারটা। তাই এই সুযোগে আন্দোলন চাঙ্গা করার তালে আছে। রাজনীতি অন্যদিকে মোড়ও নিতে পারে। ইলিয়াস এখন একজ়ন বঙ্গবন্ধু টাইপের নেতা হতেই বাকী। বিএনপির কিছু নেতা হয়তো খালেদা জিয়া অথবা তারেক জিয়াকে আর সহ্য করতে পারছেন না। তাই এসব করে নেতৃত্বে পরিবরতন আনতে চাইছেন। কে জানে হঠাৎ ইলিয়াস নতুন কাহিনী নিয়ে আচমকা হাজির হবেন।এতে সাঁপও মরবে, না লাঠিও ভাংবে না। রাজনীতিতে শেষ বলে কোনো কথা নেই। এক সময় জিয়া পরিবার হয়তো কপাল চাপড়াবে এই ঘটনার জন্য।

উপমহাদেশের রাজনীতি বলে কথা। এখানে এক দেশে একটি আলোচিত ঘটনা ঘটলে একই সময় অন্যদেশগুলোতেও অন্যরকম কিছূ আলোচিত ঘটনা ঘটতে থাকে। সাবেক ব্রিটিশ শাসিত এই দেশের এই আলোচিতো ঘটনায় সবার আগে এগিয়ে এল ব্রিটিশ সরকার। তাদের পারলামেন্টে আহ্ উহ্ করে কত কথাই না বলা হচ্ছে। তাদের বিশেষ দুত এসেছে। মনে হচ্ছে ইলিয়াস সাহেব বের হয়ে না এলে ব্রিটিশের পতন অনিবার্য। সবকিছু একটু ভিন্নভাবে ভিন্ন দৃষ্টিকোন থেকে ভাবলে অনেক কিছুর উত্তর পাওয়া যায়, যা আবার জনসম্মুখে আলাপও হয় না অথবা পত্রপত্রিকায়ও আসে না। আমরা দেখছি হরতাল হচ্ছে। সরকারী দল এক কথা বলছে, বিরোধী দল আরেক কথা বলছ, আন্দোলন হচ্ছে, মানুষ পুড়ে মরছে, গাড়ি ভাংছে কিন্তু ট্রেন চলাচল বন্ধ নেই, এয়ারপোর্ট বন্ধ নেই, উৎপাদন বন্ধ নেই, সমুদ্রবন্দরে জাহাজ খালাস হচ্ছে, জাহাজ বোঝাই হচ্ছে, ব্যাঙ্কিক চলছে, অফিস হচ্ছে, মাকেটগুলোও তেমন বন্ধ নেই, অথাৎ অর্থনীতির মুল চাকা সচল রয়েছে। শিল্পপতিরা বহাল তবিয়তে আছেন। ব্যবসায়ী গোষ্ঠীরা হাল্কা পাতলা প্রতিবাদ করে ঘরে ফিরে গেছেন। হরতাল দেখা যাচ্ছে শুধু প্রাইভেট কার ও টিকেট সিস্টেম পাবলিক বাস এর উপরে। যার ভোগান্তি শুধু সাধারন জনগনের হচ্ছে। আর কারো কিছু ছেড়া যাচ্ছে না। খবরের পিছনের খবরে দেখা যাবে দুই দলের নেতাগন একত্রে বসে কফি পান আর অঙ্ক কষাকষিতে ব্যস্ত।

পাঠকগন, মনে কিছু নেবেন না। সবই কল্পনা। কিন্তু আমাদের বাস্তব অবস্থা বুঝতে হলে মিডিয়ার উপর ভরসা করলে কি হবে? কল্পনা শক্তিও বাড়াতে হবে। কে জানে মিডিয়া অনেক কিছু জানে যা আমরা জানিনা।