ক্যাটেগরিঃ নাগরিক আলাপ

আমরা সাধারণ মানুষ নিজের বিবেক কে প্রশ্ন করে যে উত্তর পায় তা দিয়ে তো আর দেশ চালানো সম্ভব নয়। আমরা তো আমজনতা আমাদের চিন্তা ভাবনা দিয়ে সরকার এর কি এসে যায়।
সাগর ও রুনি হত্যা মামলার বিচার তাদের একমাত্র সন্তান মেঘ কখনও পাবে কি না আমি জনি না। হয়তবা অন্য সব সাংবাদিক হত্যার মত এই হত্যা মামলা ও ধামাচাপা খেয়ে পুলিশের আলমারির নিচে ধুলমাখা ফাইল হিসাবে পরে থাকবে। এই হত্যাকাণ্ড ঘটার পরের দিন যখন পত্রিকার পাতায় দেখলাম আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নিজে মেঘ এর দায়িত্ব নিয়েছে তখন ভেবেছিলাম সরকার বোধহয় এবার খুনীদেরকে খুঁজে বের করে তাদের প্রাপ্য সাজা দেয়ার জন্য বধ্য পরিকর। আমি ভুলে গিয়েছিলাম এটা বাংলাদেশ যেখানে সঠিক বিচার কালেভাদ্রে দেখা যায়। পুলিশের নাটকগুলাও এই কয় দিন দেখলাম।
তারা কত সুন্দর কাহিনী যে সাজাতে পারে তা অবিশ্বাস করতেই কষ্ট হচ্ছে। তাদের এই গল্পগুলা যদি বই আকারে এবার এর বইমেলায় প্রকাশ করা যেত তাহলে মনে হয় না খুব খারাপ চলত। আসলে আমরা তো আমজনতা আমাদের এত সাত পাঁচ ভেবে কি হবে,আমাদের কেউ তো মরে নি এই ভেবে আমরা পাস কাটিয়ে চলে যেতে পারলে বাঁচি।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমার একটাই প্রশ্ন আপনি ওই ছোট শিশুটির মুখের দিকে তাকিয়ে তার চোখে চোখ রেখে একবার কি বলতে পারবেন যে আমি তোমার বাবা মার
হত্যাকারীদের সঠিক বিচার নিশ্চিত করেছি। ওই ছোট শিশুটি কী তার বাবা-মা হত্যার সঠিক বিচার কখনই পাবে না…………………

মনে হচ্ছে লেখার ভাষাগুলো ধীরে ধীরে হারিয়ে ফেলছি,আমরা কি কখনই পারবনা আমাদের সমাজের কালমায়লাগুলো দূর করে একটা সুন্দর সত্য জাতিতে পরিনত হতে, মেঘ তোমাকে কি কখনই বলতে পারবনা যে তোমার বাবা-মার হত্যাকারীদের আমরা শাস্তি দিতে পেরেছি। হাসু আপা আপনি কিন্তু আপনার চোখের সামনে নিজের পরিবারকে হারাননি কিন্তু ওই ৫ বছরের শিশুটি তার নিজের চোখের সামনে তার বাবা-মার লাশ দেখেছে, আপনি এটা চিন্তা করে অন্তত ওই পশুগুলার শাস্তির ব্যাবস্থা করুন, নিজেকে একবারের জন্য হলেও একটি রাজনৈতিক দলের নেত্রীর পরিবর্তে বাবা-মা হারা একটি ৫ বছরের শিশু ভাবুন…………………..

এই দেশটাকে দয়া করে ধ্বংস করবেন না,,,,,,