ক্যাটেগরিঃ ক্যাম্পাস

আপনাকেই বলছি, আপনি মাছরাঙা টেলিভিশন এর ‘জিপিএ৫’ নিয়ে করা রিপোর্ট দেখে জিপিএ৫ প্রাপ্তদের ও দেশের শিক্ষাব্যবস্থাককে ধুয়ে দিছেন। জাস্ট ধুয়ে দিচ্ছে। আপনি জিপিএ৫ পাননি বলে গর্ব করছেন। আপনি জিপিএ৫ পাননি বলে উচ্চমর্গীয় ছাত্র? আপনি জিপিএ৫ পাননি বলে আপনি সব পারেন? যারা জিপিএ৫ পেয়েছে তারা কিছুই পারে না? 🙂

যদি আপনার উত্তর হ্যাঁ হয়। তবে শুনুন, ইস্যু বিহীন দেশে নতুন ইস্যু সৃষ্টি করে নিজেদের প্রচার কে না করতে চায়? মাছরাঙা’র প্রতিবেদক যে জিপিএ৫ প্রাপ্ত ১৩ জনের সাক্ষাৎকার নিয়েছে তারা কি আদৌ জিপিএ৫ প্রাপ্ত? আপনি কি নিশ্চিত যে তারা জিপিএ৫ পেয়েছিলো? আপনি কি নিশ্চিত যে ‘মাছরাঙা’র রিপোর্টার ব্যাপারটাকে অতিরঞ্জিত করেন নাই? জিপিএ৫ প্রাপ্ত এতো হাজার ছাত্র ছাত্রীদের মধ্যে থেকে এই ১৩ জনকেই ঐ রিপোর্টার পেলো?

জিপিএ৫ এর ইস্যুটাকে রিপোর্টার জাস্ট ট্রাম কার্ড হিসেবে ব্যবহার করে নিজেদের প্রচার করে নিলো। জাস্ট নিজেদের প্রচার। আর তাদের প্রচারের জন্য গিনিপিগ হিসেবে নেওয়া হলো জিপিএ৫ প্রাপ্তদের।

আপনি জিপিএ৫ পান নি। তাই আপনি নিজেকে গর্বিত মনে করছেন। ভাইয়া/আপু জাস্ট এই কলঙ্কময় জিপিএ৫ টা পেয়ে দেখাতেন। আর যদি সুযোগ থাকে তাহলে আপনার পরবর্তী বোর্ড পরিক্ষায় জিপিএ৫ টা পেয়েই দেখান যে জিপিএ৫ পাওয়া সহজ।

জিপিএ৫ পাওয়ার আনন্দ ও জিপিএ৫ না পাওয়ার বেদনা দুইটোই খুব তীব্র। আপনাদের গিনিপিগ মার্কা পোস্ট দেখে মনে হচ্ছে দেশের ভালো ছাত্ররা জিপিএ৫ পায় না। আপনারা ভালো ছাত্র তাই জিপিএ৫ পানন। 🙂

যেমন আছেন তেমন থাকুন না ভাইয়া/আপু। শুধু শুধু জিপিএ৫ প্রাপ্তদের ব্রেইম করে কি এমন মহৎকর্ম সাধন করছেন?

সমালোচনা করুন। তবে সেটা গঠনমূলক সমালোচনা, ধ্বংসাত্মক সমালোচনা করতে গিয়ে নিজেদের অজ্ঞতা ও মূর্খতারূপ প্রকাশ না করাই কি শ্রেয় নয়?