ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

দেশের প্রায় প্রতিটি নাগরিক আজ হতাশার অন্ধকারে নিমজ্জিত। কিন্তু কেন ?
একজন সচেতন বাবা/মা যেমন নিজের সন্তান নিয়ে উদ্বিগ্ন থাকে, অনুরূপ একজন সচেতন নাগরিকও তার দেশ নিয়ে উদ্বিগ্ন না থেকে পারে না । এটা দেশপ্রেমের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। কিন্তু দেশ থেকে যখন দল / ব্যক্তি বড় হয়ে যায় , তখন সেটা আর দেশপ্রেম থাকে না । এদেশের বড় দুটো দল হল আ’লীগ ও বিএনপি। এ দুটো দলকে দেশপ্রেমিক বলতে আমার মত অনেকেরই বাঁধে। দীর্ঘদিনের পর্যবেক্ষণে আমরা যা বুঝে এসেছি তা নিম্নরূপঃ
আ’লীগের কাছে প্রথমতঃ দল, দ্বিতীয়তঃ ব্যক্তি, সবশেষে দেশ;
বিএনপির কাছে প্রথমতঃ ব্যক্তি, দ্বিতীয়তঃ দল, সবশেষে দেশ;
জামাতের কাছে প্রথমতঃ দল, দ্বিতীয়তঃ ব্যক্তি, সবশেষে দেশ;
জাপার কাছে প্রথমতঃ ধান্দাবাজী, দ্বিতীয়তঃ চামচামী , সবশেষে দল ;
অন্যান্য দলগুলোর কাছে প্রথমতঃ কিছু নেই, দ্বিতীয়তঃ কিছু নেই, সবশেষে দল ।
আমরা দেখছি যে, সব সরকারই তো ভারত আর আমেরিকার কথায় উঠে আর বসে। সুতরাং এদের থেকে কিছু আশা করা যায় না । অতএব, একরাশ হতাশায় ডুবে যাওয়া ছাড়া কিছু করার আছে কি ?
সুতরাং আপনি – আমি বলে বা লিখে কি হবে ? অতএব ধরে নিন যে ভবিষ্যতে বাংলাদেশ বলে কিছু থাকবে না । এরপরে যদি ৫০০ বছর পরে শেরে বাংলা – সুহরাওয়ারদী – ভাসানী –বঙ্গবন্ধু এদের মত নেতা জন্ম নেয় তবে হয়তো দেশটা আবার স্বাধীন হবে। তবে তার আগেই বোধহয় কিয়ামাত এসে যাবে ।
তাই বলে কি লেখালেখি বন্ধ হবে ? নিশ্চয়ই নয়।